NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, বৃহস্পতিবার, জুলাই ২৩, ২০২৬ | ৮ শ্রাবণ ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
আবাসন শিল্প জাতীয় অর্থনীতির অন্যতম চালিকাশক্তি : প্রধানমন্ত্রী যুক্তরাষ্ট্রের কাছে ১০ বিলিয়ন ডলারের সহায়তা চাইল পাকিস্তান শিশুদের সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহার নিষিদ্ধে ফ্রান্সে আইন পাস নেতানিয়াহুকে গ্রেপ্তারের আইনি ক্ষমতা নিউইয়র্ক সিটির নেই : মামদানি আটকের সময় রাহুল গান্ধীকে পুলিশ সদস্যের বার্তা—‘মোদিকে হটাও’ শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভে গিয়ে আটক, পরে মুক্ত ‘ধুরন্ধর’ অভিনেত্রী আয়েশা খান আমরা একসঙ্গে ছিলাম, আছি, থাকব : প্রধানমন্ত্রী কানাডার পণ্যে ৫০% শুল্ক ঘোষণা ট্রাম্পের জীবনযাত্রার ব্যয় নির্বাহে সহায়তার প্রতিশ্রুতি—প্রধানমন্ত্রী হিসেবে প্রথম ভাষণে অ্যান্ডি বার্নহ্যাম আর্জেন্টিনাকে পেছনে ফেলে এবার র‌্যাংকিংয়েও শীর্ষে স্পেন
Logo
logo

রাশিদা ও ইলহানকে যুক্তরাষ্ট্র থেকে বের করার দাবি ট্রাম্পের


খবর   প্রকাশিত:  ২৭ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬, ১০:০২ এএম

রাশিদা ও ইলহানকে যুক্তরাষ্ট্র থেকে বের করার দাবি ট্রাম্পের

যুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেসের দুই মুসলিম নারী সদস্য রাশিদা তালিব ও ইলহান ওমরকে দ্রুত নিজ নিজ দেশে ফেরত পাঠানোর দাবি জানিয়েছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, ‘মার্কিন প্রতিনিধি ইলহান ওমর এবং রাশিদা তালাইব যেখান থেকে এসেছিলেন, তাদের সেখানে ফেরত পাঠানো উচিত।’

গতকাল বুধবার (যুক্তরাষ্ট্রের স্থানীয় সময় মঙ্গলবার) ট্রাম্পের ‘স্টেট অব দ্য ইউনিয়ন’ ভাষণ চলাকালীন ওই দুই সদস্য তাকে উদ্দেশ্য করে চিৎকার ও প্রতিবাদ করার পর তিনি এ দাবি জানান। আলজাজিরার প্রতিবেদনে এই খবর বলা হয়েছে।

 

 

মঙ্গলবার ট্রাম্পের ভাষণের সময়, ফিলিস্তিনি আমেরিকান তালাইব এবং সোমালি আমেরিকান ওমর ট্রাম্পের সমালোচনা করেন। জন্মসূত্রে তারা মার্কিন নাগরিক। ফলে ইলহান ও রাশিদার কাউকে তাদের পূর্বপুরুষের দেশে পাঠিয়ে দেওয়ার আইনগত সুযোগ নেই।

বুধবার রাতে ট্রাম্প তার ট্রুথ সোশ্যাল প্ল্যাটফর্মে লিখেছেন, ‘দুই মুসলিম আইনপ্রণেতা কুটিল এবং দুর্নীতিগ্রস্ত রাজনীতিবিদদের মতো আচরণ করেছেন।

তাদের আমেরিকা থেকে বহিষ্কার করা উচিত।’

 

ট্রাম্প আরো লেখেন, ‘ যখন কম আইকিউর ইলহান ওমর ও রাশিদা তালিব গত রাতে স্টেট অব দ্য ইউনিয়ন ভাষণের সময় চিৎকার করছিলেন, তখন তাদের আচরণ খুবই অস্বাভাবিক লাগছিল। এত গুরুত্বপূর্ণ অনুষ্ঠানে তাদের এমন আচরণ ঠিক নয়। তাদের দেখে মনে হচ্ছিল তারা খুব রাগান্বিত ও উত্তেজিত।

 

তিনি বলেন, ‘যদি কেউ এমন আচরণ করে এবং তারা যদি দুর্নীতিগ্রস্ত ও দেশের জন্য ক্ষতিকর রাজনীতিবিদ হন, তাহলে তাদের যত দ্রুত সম্ভব যেখান থেকে এসেছে সেখানে ফেরত পাঠানো উচিত।’ ট্রাম্প আরো যোগ করেন, ‘তারা যুক্তরাষ্ট্রের উপকারে কিছু করতে পারবে না, বরং ক্ষতিই করবে।’

মঙ্গলবার প্রায় দুই ঘণ্টার ভাষণের সময় কয়েকজন ডেমোক্র্যাট আইনপ্রণেতা প্রতিবাদ করেন। তাদের মধ্যে ইলহান ওমর ও রাশিদা তালিবও ছিলেন। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় কংগ্রেসের যৌথ অধিবেশনে ‘স্টেট অব দ্য ইউনিয়ন’ ভাষণ দেওয়ার সময় ওই দুই আইনপ্রণেতা বারবার ট্রাম্পের প্রতিবাদ জানাচ্ছিলেন।

ট্রাম্প প্রশাসনের অভিবাসন কর্মকর্তাদের হাতে মার্কিনদের মৃত্যুর প্রতিবাদ জানাচ্ছিলেন। হাউস চেম্বার থেকে বেরিয়ে যাওয়ার ঠিক আগমুহূর্তে তারা চিৎকার করে বলেন, ‘আপনি আমেরিকানদের হত্যা করেছেন।’

 

ট্রুথ সোশ্যালে ট্রাম্পের পোস্টে তালিব এবং ওমরের কথা উল্লেখ করা হয়েছে, কিন্তু ডেমোক্র্যাটিক প্রতিনিধি সারা ম্যাকব্রাইডের কথা উল্লেখ করা হয়নি। মার্কিন সম্প্রচারকারী এনবিসি জানিয়েছে, তিনিও রাষ্ট্রপতির ভাষণের সময় প্রতিবাদে চিৎকার করেছিলেন।