NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, শুক্রবার, এপ্রিল ২৪, ২০২৬ | ১০ বৈশাখ ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
দেশের স্বার্থে বিরোধীদলের সঙ্গে যেকোনো আলোচনায় রাজি বিএনপি : প্রধানমন্ত্রী যুদ্ধবিরতি স্থায়ী সমাধানে তৎপর পাকিস্তান যে ৩ কারণে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা বাধাগ্রস্ত হচ্ছে, জানালেন ইরানের প্রেসিডেন্ট মার্কিন নৌবাহিনীর সচিবের হঠাৎ পদত্যাগ, তৎক্ষণাৎ কার্যকর লন্ডন ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে রাফীর ‘প্রেশার কুকার’ ছাত্রদল-শিবির সংঘর্ষের ঘটনায় একতরফা দোষারোপ না করার অনুরোধ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সীমানা পার করবেন না—লেবাননবাসীকে নতুন হুমকি ইসরায়েলের ইরান যুদ্ধে এবার ভেস্তে যাচ্ছে ট্রাম্প প্রশাসন? না-ফেরার দেশে ফরাসি অভিনেত্রী নাদিয়া ফারেস রিয়াল মাদ্রিদের জয়, এমবাপ্পে-ভিনিসিয়ুসে টিকে রইল লড়াইয়ে
Logo
logo

ইরানে ব্রিটিশ দম্পতির ১০ বছরে কারাদণ্ড, যুক্তরাজ্যের ক্ষোভ


খবর   প্রকাশিত:  ২০ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬, ১০:০২ এএম

ইরানে ব্রিটিশ দম্পতির ১০ বছরে কারাদণ্ড, যুক্তরাজ্যের ক্ষোভ

ইরানে ২০২৫ সালের জানুয়ারি থেকে গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগে আটক রয়েছে এক ব্রিটিশ দম্পতি। এ অভিযোগে তাদের বৃহস্পতিবার ১০ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে বলে তাদের পরিবার জানিয়েছে। এ ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন যুক্তরাজ্য সরকার।

পরিবার জানিয়েছে, পঞ্চাশোর্ধ্ব বয়সের ক্রেগ ও ফোরম্যান মোটরসাইকেলে করে বিশ্বভ্রমণকালে ইরানে গ্রেপ্তার হন।

তারা তেহরানের গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগ অস্বীকার করে আসছেন।

 

ইসলামি বিপ্লবের পর থেকে ইরানে আটক হওয়া পশ্চিমাদের সর্বশেষ উদাহরণ এ দম্পতি। তেহরানের বিরুদ্ধে প্রতিপক্ষ ইউরোপ এবং যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে ছাড় আদায়ের জন্য তথাকথিত ‘জিম্মি কূটনীতি’ চালানোর অভিযোগ রয়েছে।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প যখন এই অঞ্চলে সামরিক সরঞ্জাম মোতায়েন করেছেন এবং আবারও ইঙ্গিত দিয়েছেন, তিনি দেশটিতে হামলা চালাতে পারেন।

ঠিক সে সময় দেশটির পারমাণবিক কর্মসূচি ঘিরে উত্তেজনা বৃদ্ধির মধ্যেই এই সাজা ঘোষণার খবর এলো। 

 

পরিবার জানিয়েছে, তাদের আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ দেওয়া ছাড়াই আদালত গত অক্টোবরে মাত্র তিন ঘণ্টার শুনানির পর এই সাজা দেয়। 

তাদের ছেলে জো বেনেট এক বিবৃতিতে বলেন, ‘তারা শুরু থেকেই অভিযোগ অস্বীকার করে আসছেন। গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগ সমর্থন করার মতো কোনো প্রমাণ আমরা দেখিনি।

 

বেনেট এএফপিকে আরো বলেন, ‘সাজা ঘোষণার খবর প্রথম শোনার পর তিনি ভীষণ হতবাক হয়ে গিয়েছিলেন। এটা ছিল দুঃখ, হতাশা, রাগ, অবিশ্বাস ও আবেগের একটি বিশাল সমাহার, যা ছিলো অপ্রতিরোধ্য।’

ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইভেট কুপার এই রায়কে ‘খুবই জঘন্য ও পুরোপুরি অযৌক্তিক’ বলে আখ্যা দিয়ে তীব্র সমালোচনা করেছেন।