NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, শুক্রবার, জুলাই ২৪, ২০২৬ | ৯ শ্রাবণ ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
আবাসন শিল্প জাতীয় অর্থনীতির অন্যতম চালিকাশক্তি : প্রধানমন্ত্রী যুক্তরাষ্ট্রের কাছে ১০ বিলিয়ন ডলারের সহায়তা চাইল পাকিস্তান শিশুদের সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহার নিষিদ্ধে ফ্রান্সে আইন পাস নেতানিয়াহুকে গ্রেপ্তারের আইনি ক্ষমতা নিউইয়র্ক সিটির নেই : মামদানি আটকের সময় রাহুল গান্ধীকে পুলিশ সদস্যের বার্তা—‘মোদিকে হটাও’ শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভে গিয়ে আটক, পরে মুক্ত ‘ধুরন্ধর’ অভিনেত্রী আয়েশা খান আমরা একসঙ্গে ছিলাম, আছি, থাকব : প্রধানমন্ত্রী কানাডার পণ্যে ৫০% শুল্ক ঘোষণা ট্রাম্পের জীবনযাত্রার ব্যয় নির্বাহে সহায়তার প্রতিশ্রুতি—প্রধানমন্ত্রী হিসেবে প্রথম ভাষণে অ্যান্ডি বার্নহ্যাম আর্জেন্টিনাকে পেছনে ফেলে এবার র‌্যাংকিংয়েও শীর্ষে স্পেন
Logo
logo

সমঝোতায় পৌঁছাতে ইরানকে ১০ দিন সময় দিলেন ট্রাম্প


খবর   প্রকাশিত:  ২০ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬, ১০:০২ এএম

সমঝোতায় পৌঁছাতে ইরানকে ১০ দিন সময় দিলেন ট্রাম্প

ইরানের বিরুদ্ধে আবারও কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তেহরানকে ওয়াশিংটনের সঙ্গে একটি চুক্তিতে পৌঁছাতে প্রায় ১০ দিনের সময় দেওয়া হয়েছে; অন্যথায় সামরিক হামলার মুখে পড়তে হতে পারে দেশটিকে। তিনি এমনটাই ইঙ্গিত দিয়েছেন বলে উল্লেখ করেছে কাতার ভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা।

বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) ওয়াশিংটন ডিসিতে অনুষ্ঠিত বোর্ড অব পিসের উদ্বোধনী বৈঠকে বক্তব্যে ট্রাম্প বলেন, “গত বছরের জুনে ইরানের ওপর ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ হামলাই গাজায় ‘যুদ্ধবিরতি’ প্রতিষ্ঠার পথ প্রশস্ত করেছিল।

ইরানের পারমাণবিক স্থাপনায় যুক্তরাষ্ট্র হামলা না চালালে মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি প্রতিষ্ঠা করা কঠিন হতো বলে দাবি করেন তিনি।”

 

তিনি বলেন, ‘এখন আমাদের হয়তো আরো এক ধাপ এগোতে হতে পারে, আবার নাও হতে পারে। হয়তো আমরা একটি চুক্তিতে পৌঁছাব। আগামী প্রায় ১০ দিনের মধ্যেই তা জানতে পারবেন।

 

এর আগে বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি জানান, জেনেভায় অনুষ্ঠিত আলোচনায় দুই পক্ষ ‘ভালো অগ্রগতি’ করেছে। তবে এই আলোচনার মধ্যেই উপসাগরীয় অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্র সামরিক উপস্থিতি জোরদার করেছে। সেখানে দুটি বিমানবাহী রণতরি এবং ডজনখানেক যুদ্ধবিমান মোতায়েন করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার ট্রাম্প বলেন, “ইরানের প্রতিনিধিদের সঙ্গে ‘খুব ভালো বৈঠক’ করেছেন কূটনৈতিক উপদেষ্টা স্টিভ উইটকফ এবং জ্যারেড কুশনার।

আমাদের একটি অর্থবহ চুক্তি করতে হবে। না হলে খারাপ কিছু ঘটবে।”