NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, শুক্রবার, জুলাই ২৪, ২০২৬ | ৯ শ্রাবণ ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
আবাসন শিল্প জাতীয় অর্থনীতির অন্যতম চালিকাশক্তি : প্রধানমন্ত্রী যুক্তরাষ্ট্রের কাছে ১০ বিলিয়ন ডলারের সহায়তা চাইল পাকিস্তান শিশুদের সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহার নিষিদ্ধে ফ্রান্সে আইন পাস নেতানিয়াহুকে গ্রেপ্তারের আইনি ক্ষমতা নিউইয়র্ক সিটির নেই : মামদানি আটকের সময় রাহুল গান্ধীকে পুলিশ সদস্যের বার্তা—‘মোদিকে হটাও’ শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভে গিয়ে আটক, পরে মুক্ত ‘ধুরন্ধর’ অভিনেত্রী আয়েশা খান আমরা একসঙ্গে ছিলাম, আছি, থাকব : প্রধানমন্ত্রী কানাডার পণ্যে ৫০% শুল্ক ঘোষণা ট্রাম্পের জীবনযাত্রার ব্যয় নির্বাহে সহায়তার প্রতিশ্রুতি—প্রধানমন্ত্রী হিসেবে প্রথম ভাষণে অ্যান্ডি বার্নহ্যাম আর্জেন্টিনাকে পেছনে ফেলে এবার র‌্যাংকিংয়েও শীর্ষে স্পেন
Logo
logo

ভেনেজুয়েলায় সাধারণ ক্ষমা বিল পাস, মানবাধিকার কর্মীদের অসন্তোষ


খবর   প্রকাশিত:  ২০ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬, ১০:০২ এএম

ভেনেজুয়েলায় সাধারণ ক্ষমা বিল পাস, মানবাধিকার কর্মীদের অসন্তোষ

ভেনেজুয়েলার ক্ষমতাসীন দল নিয়ন্ত্রিত আইনসভা বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) একটি সীমিত সাধারণ ‘ক্ষমা বিল’ অনুমোদন করেছে। সরকার এটিকে রাজনৈতিক সংকট নিরসনের পদক্ষেপ হিসেবে দাবি করলেও মানবাধিকার সংস্থাগুলো বলছে, এটি শত শত রাজনৈতিক বন্দির মুক্তি নিশ্চিত করতে ব্যর্থ হয়েছে। এদিকে বন্দিদের মুক্তির দাবিতে তাদের পরিবারের সদস্যরা টানা পঞ্চম দিনের মতো অনশন ধর্মঘট পালন করছেন।

সাবেক প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর অন্তর্বর্তীকালীন প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন ডেলসি রদ্রিগেজ।

বিশ্লেষকদের মতে, ট্রাম্প প্রশাসনের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক করা এবং দেশটির তেল বিক্রির ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা সরানোর লক্ষ্যেই এই ক্ষমা বিল আনা হয়েছে। রদ্রিগেজ প্রশাসন ইতিমধ্যেই কয়েকশ বন্দিকে মুক্তি দিয়েছে, যদিও সরকার বরাবরের মতোই রাজনৈতিক বন্দি রাখার বিষয়টি অস্বীকার করে আসছে।

 

আইনসভা প্রধান জর্জ রদ্রিগেজের নেতৃত্বে পাস হওয়া এই বিলে ২০০২ সাল থেকে ২০২৫ সালের বিভিন্ন সময়ে সরকারবিরোধী বিক্ষোভ ও রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে জড়িতদের ক্ষমার আওতায় আনা হয়েছে। তবে ২০১৯ সালের সামরিক বিদ্রোহে জড়িতদের এই সুবিধা থেকে বাদ রাখা হয়েছে।

 

মানবাধিকার সংস্থাগুলো এই আইনের বেশ কিছু সীমাবদ্ধতা তুলে ধরেছে। বিদেশে অবস্থানরত রাজনৈতিক আশ্রয়প্রার্থীদের ক্ষমা পেতে হলে সশরীরে ভেনেজুয়েলায় উপস্থিত হতে হবে, যা অনেকের জন্য গ্রেপ্তারের ঝুঁকি তৈরি করতে পারে। কারাবন্দিদের বাজেয়াপ্ত হওয়া সম্পদ ফেরত বা সংবাদমাধ্যমের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের কোনো বিধান এই বিলে রাখা হয়নি। হত্যা, মাদক পাচার, দুর্নীতি ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের দায়ে দণ্ডিতরা এই ক্ষমার আওতায় পড়বেন না।

 

আইনি অধিকার গোষ্ঠী ফোরো পেনাল-এর ভাইস-প্রেসিডেন্ট গঞ্জালো হিমিওব সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বলেন, এই ক্ষমা বিল আমাদের প্রত্যাশা অনুযায়ী ব্যাপক নয়। তবে কারাবন্দীদের মুক্তির লড়াই এখানেই শেষ হয়ে যাচ্ছে না।

বিরোধী দলীয় আইনপ্রণেতা নোরা ব্রাচো আইনটিকে নিখুঁত নয় বলে স্বীকার করলেও জানিয়েছেন, এটি অনেক ভেনেজুয়েলার দুর্ভোগ লাঘব করবে। অন্যদিকে, অ্যাটর্নি জেনারেল তারেক সাব আশা প্রকাশ করেছেন যে, এই আইনের মাধ্যমে দেশে শতভাগ শান্তি ফিরে আসবে।

তথ্যমতে, গত এক বছরে সরকার প্রায় ৯০০ জনকে মুক্তি দিলেও ফোরো পেনালের হিসাবে এখনো কয়েকশ রাজনৈতিক বন্দী কারাগারে মানবেতর জীবন কাটাচ্ছেন।