NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, মঙ্গলবার, জুন ৯, ২০২৬ | ২৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
বাংলাদেশের জন্য ফের উন্মুক্ত হচ্ছে মরিশাসের শ্রমবাজার অপচয়ের বিরুদ্ধে যুদ্ধে সামনে থেকে নেতৃত্ব দিচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী ফিলিপাইনে ভূমিকম্পে নিহত বেড়ে ৩৫, বাস্তুচ্যুত হাজারো পরিবার নেইমারকে নিয়ে সুখবর দিল ব্রাজিল সামান্থা নন, সিনেমাটির জন্য প্রথম পছন্দ ছিলেন সাই পল্লবী আইনমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে প্রধানমন্ত্রীর ধন্যবাদ সংবাদমাধ্যমকে ‘অসৎ’ বলে এনবিসির সাক্ষাৎকার থেকে বেরিয়ে গেলেন ট্রাম্প ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধে রাশিয়াকে ৫ শর্ত যুক্তরাজ্য-ফ্রান্স-জার্মানির মার্কিন ভিসা বিতর্কের মধ্যেই মেক্সিকো পৌঁছেছে ইরান বিশ্বকাপ দল ঘোড়ার মাংস খাওয়া নিয়ে জয়া আহসানের রিট, যে নির্দেশ দিলেন হাইকোর্ট
Logo
logo

কারাগারে ইভ্যালির রাসেল-শামীমা


খবর   প্রকাশিত:  ২১ জানুয়ারী, ২০২৬, ১১:০১ এএম

কারাগারে ইভ্যালির রাসেল-শামীমা

অর্থ আত্মসাৎ ও প্রতারণার দায়ে বিভিন্ন মামলায় সাজাপ্রাপ্ত ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান ইভ্যালির ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) মোহাম্মদ রাসেল ও প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যান শামীমা নাসরিনকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত।

মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) ঢাকার ৭ম যুগ্ম মহানগর দায়রা জজ আদালতের বিচারক নিজাম উদ্দিন তাদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। 

অর্থ আত্মসাৎ ও প্রতারণার ১০ মামলায় রাসেলকে এবং দুই মামলায় শামীমা নাসরিনকে সাজা পরোয়ানা মূলে গ্রেফতার দেখিয়ে আদালতে হাজির করা হয়। এরপর আদালত সাজা পরোয়ানা মূলে তাদেরকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

গতকাল সোমবার (১৯ জানুয়ারি) দিবাগত রাতে রাজধানীর ধানমন্ডি এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করে ডিবির একটি টিম। তাদের বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাৎ ও প্রতারণার একাধিক মামলায় গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি রয়েছে। 

এ ছাড়া, একাধিক মামলায় তাদের কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড দেওয়া হয়।

মঙ্গলবার আদালতে হাজিরার পর হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন ইভ্যালির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) মোহাম্মদ রাসেল। পরে তাকে হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসা শেষে আবারও তাকে হাজতখানায় নেওয়া হয়।

মঙ্গলবার বিকালে ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতে হাজিরা শেষে তাকে হাজতখানায় নেওয়া হয়। সেখানে তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে পুলিশ সদস্যরা ঢাকার ন্যাশনাল মেডিকেল ইনস্টিটিউট হাসপাতালে ভর্তি করেন

বিকেল ৫টা ৪৫ মিনিটে হাসপাতালে তার বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষা শুরু হয়। হাসপাতালের জরুরি বিভাগ থেকে তাকে ইসিজি পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়।