NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, শুক্রবার, এপ্রিল ২৪, ২০২৬ | ১১ বৈশাখ ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
এমপিদের শুল্কমুক্ত গাড়ি সুবিধা বাতিলের প্রস্তাব অনুমোদন জ্বালানি নিরাপত্তার ইতিহাসে সবচেয়ে বড় হুমকিতে বিশ্ব : আইইএর প্রধান হরমুজে মাইন বসাতে দেখলেই গুলির নির্দেশ ট্রাম্পের নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে রেকর্ড জয়ে সিরিজ বাংলাদেশের চরিত্রের প্রয়োজনে পবিত্র কোরআন শিখেছিলেন ইয়ামি গৌতম দেশের স্বার্থে বিরোধীদলের সঙ্গে যেকোনো আলোচনায় রাজি বিএনপি : প্রধানমন্ত্রী যুদ্ধবিরতি স্থায়ী সমাধানে তৎপর পাকিস্তান যে ৩ কারণে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা বাধাগ্রস্ত হচ্ছে, জানালেন ইরানের প্রেসিডেন্ট মার্কিন নৌবাহিনীর সচিবের হঠাৎ পদত্যাগ, তৎক্ষণাৎ কার্যকর লন্ডন ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে রাফীর ‘প্রেশার কুকার’
Logo
logo

কারাগারে ইভ্যালির রাসেল-শামীমা


খবর   প্রকাশিত:  ২১ জানুয়ারী, ২০২৬, ১১:০১ এএম

কারাগারে ইভ্যালির রাসেল-শামীমা

অর্থ আত্মসাৎ ও প্রতারণার দায়ে বিভিন্ন মামলায় সাজাপ্রাপ্ত ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান ইভ্যালির ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) মোহাম্মদ রাসেল ও প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যান শামীমা নাসরিনকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত।

মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) ঢাকার ৭ম যুগ্ম মহানগর দায়রা জজ আদালতের বিচারক নিজাম উদ্দিন তাদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। 

অর্থ আত্মসাৎ ও প্রতারণার ১০ মামলায় রাসেলকে এবং দুই মামলায় শামীমা নাসরিনকে সাজা পরোয়ানা মূলে গ্রেফতার দেখিয়ে আদালতে হাজির করা হয়। এরপর আদালত সাজা পরোয়ানা মূলে তাদেরকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

গতকাল সোমবার (১৯ জানুয়ারি) দিবাগত রাতে রাজধানীর ধানমন্ডি এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করে ডিবির একটি টিম। তাদের বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাৎ ও প্রতারণার একাধিক মামলায় গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি রয়েছে। 

এ ছাড়া, একাধিক মামলায় তাদের কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড দেওয়া হয়।

মঙ্গলবার আদালতে হাজিরার পর হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন ইভ্যালির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) মোহাম্মদ রাসেল। পরে তাকে হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসা শেষে আবারও তাকে হাজতখানায় নেওয়া হয়।

মঙ্গলবার বিকালে ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতে হাজিরা শেষে তাকে হাজতখানায় নেওয়া হয়। সেখানে তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে পুলিশ সদস্যরা ঢাকার ন্যাশনাল মেডিকেল ইনস্টিটিউট হাসপাতালে ভর্তি করেন

বিকেল ৫টা ৪৫ মিনিটে হাসপাতালে তার বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষা শুরু হয়। হাসপাতালের জরুরি বিভাগ থেকে তাকে ইসিজি পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়।