NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, শনিবার, জুলাই ২৫, ২০২৬ | ৯ শ্রাবণ ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
আবাসন শিল্প জাতীয় অর্থনীতির অন্যতম চালিকাশক্তি : প্রধানমন্ত্রী যুক্তরাষ্ট্রের কাছে ১০ বিলিয়ন ডলারের সহায়তা চাইল পাকিস্তান শিশুদের সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহার নিষিদ্ধে ফ্রান্সে আইন পাস নেতানিয়াহুকে গ্রেপ্তারের আইনি ক্ষমতা নিউইয়র্ক সিটির নেই : মামদানি আটকের সময় রাহুল গান্ধীকে পুলিশ সদস্যের বার্তা—‘মোদিকে হটাও’ শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভে গিয়ে আটক, পরে মুক্ত ‘ধুরন্ধর’ অভিনেত্রী আয়েশা খান আমরা একসঙ্গে ছিলাম, আছি, থাকব : প্রধানমন্ত্রী কানাডার পণ্যে ৫০% শুল্ক ঘোষণা ট্রাম্পের জীবনযাত্রার ব্যয় নির্বাহে সহায়তার প্রতিশ্রুতি—প্রধানমন্ত্রী হিসেবে প্রথম ভাষণে অ্যান্ডি বার্নহ্যাম আর্জেন্টিনাকে পেছনে ফেলে এবার র‌্যাংকিংয়েও শীর্ষে স্পেন
Logo
logo

খামেনিকে ‘নুরেমবার্গের মতো বিচার’ করবেন রেজা পাহলভি


খবর   প্রকাশিত:  ২১ জানুয়ারী, ২০২৬, ১০:০১ এএম

খামেনিকে ‘নুরেমবার্গের মতো বিচার’ করবেন রেজা পাহলভি

জার্মানির নুরেমবার্গে নাৎসি যুদ্ধাপরাধীদের যেভাবে বিচার করা হয়েছিল ঠিক তেমন ভাবে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনিকেও বিচারের মুখোমুখি হওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন দেশটির নির্বাসিত প্রিন্স রেজা পাহলভি। খবর জেরুজালেম পোস্টের

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক সরকারবিরোধী বিক্ষোভ দমনে রক্ত ঝড়িয়েছেন খামেনি। একটি খোলা চিঠিতে পাহলভি খামেনিকে ‘ইরানবিরোধী অপরাধী’ বলে অভিহিত করেছেন।

পাহলভি বলেন, ‘তার হাতে হাজার হাজার ইরানির রক্ত।’ গণমাধ্যমগুলোর মতে, বিক্ষোভ দমনে নিরাপত্তা বাহিনীর অভিযানে অন্তত ৪,০২৯ জন নিহত হয়েছেন।

এক্স (সাবেক টুইটার)-এ আরবি ভাষায় পোস্ট করা ওই চিঠিতে পাহলভি লেখেন, আপনি, আপনার শাসনব্যবস্থা এবং আপনার সব ভাড়াটে বাহিনী প্রতিটি ফোঁটা রক্তপাতের জন্য জবাবদিহি করবেন—কোনো ব্যতিক্রম ছাড়া। আমরা ক্ষমা করি না, ভুলে যাই না, পিছু হটি না। যেমনভাবে নাৎসি অপরাধীরা নুরেমবার্গে বিচার ও শাস্তি পেয়েছিল, তেমনি আপনাদেরও ইরানি জাতির আদালতে বিচার হবে।

রেজা পাহলভির পিতা শাহ মোহাম্মদ রেজা পাহলভি দীর্ঘ স্বৈরশাসনের পর ১৯৭৯ সালের বিপ্লবে ক্ষমতাচ্যুত হন। চিঠিতে নির্বাসিত এই রাজপুত্র ইরানের জনগণকে নিজেদের ওপর আস্থা রাখতে এবং ঐক্য ও সাহস বজায় রাখার আহ্বান জানান।

ইরানিদের উদ্দেশে তিনি লেখেন, আমার সাহসী সন্তানরা, শোকাহত কিন্তু দৃঢ়প্রতিজ্ঞ ভাই-বোনেরা—তোমরা একা নও। তোমাদের দৃঢ়তা ইতিহাস বদলে দিয়েছে। তোমরাই স্বাধীনতার অগ্রভাগে দাঁড়িয়ে আছো। এই শাসনের পতন শুরু হয়ে গেছে; তাদের শক্তি ক্ষয়ে গেছে।

চিঠির শেষাংশে পাহলভি বলেন, চূড়ান্ত বিজয় পর্যন্ত এই সংগ্রাম কেবল জাতীয় দায়িত্ব নয়। এটি স্বাধীনতার পথে শহীদদের রক্তের সঙ্গে করা অঙ্গীকার। সেই দিন খুব দূরে নয়, যেদিন আমরা একসঙ্গে ইরান পুনরুদ্ধারের উৎসব উদযাপন করব।