NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, সোমবার, জুন ৮, ২০২৬ | ২৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
আইনমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে প্রধানমন্ত্রীর ধন্যবাদ সংবাদমাধ্যমকে ‘অসৎ’ বলে এনবিসির সাক্ষাৎকার থেকে বেরিয়ে গেলেন ট্রাম্প ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধে রাশিয়াকে ৫ শর্ত যুক্তরাজ্য-ফ্রান্স-জার্মানির মার্কিন ভিসা বিতর্কের মধ্যেই মেক্সিকো পৌঁছেছে ইরান বিশ্বকাপ দল ঘোড়ার মাংস খাওয়া নিয়ে জয়া আহসানের রিট, যে নির্দেশ দিলেন হাইকোর্ট এরদোয়ানকে বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণ প্রধানমন্ত্রীর রাজকুমারী অ্যানের ছেলের বিয়েতে ব্রিটিশ রাজপরিবারের মিলনমেলা লেবাননে ইসরায়েলি হামলায় বেশ কয়েকজন লেবানিজ সেনা নিহত সিঙ্গাপুরে দুটি সোনার পদক জয় বাংলাদেশের প্রতিরক্ষা শিল্পে সহযোগিতা বাড়াতে আগ্রহী তুরস্ক
Logo
logo

খামেনিকে ‘নুরেমবার্গের মতো বিচার’ করবেন রেজা পাহলভি


খবর   প্রকাশিত:  ২১ জানুয়ারী, ২০২৬, ১০:০১ এএম

খামেনিকে ‘নুরেমবার্গের মতো বিচার’ করবেন রেজা পাহলভি

জার্মানির নুরেমবার্গে নাৎসি যুদ্ধাপরাধীদের যেভাবে বিচার করা হয়েছিল ঠিক তেমন ভাবে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনিকেও বিচারের মুখোমুখি হওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন দেশটির নির্বাসিত প্রিন্স রেজা পাহলভি। খবর জেরুজালেম পোস্টের

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক সরকারবিরোধী বিক্ষোভ দমনে রক্ত ঝড়িয়েছেন খামেনি। একটি খোলা চিঠিতে পাহলভি খামেনিকে ‘ইরানবিরোধী অপরাধী’ বলে অভিহিত করেছেন।

পাহলভি বলেন, ‘তার হাতে হাজার হাজার ইরানির রক্ত।’ গণমাধ্যমগুলোর মতে, বিক্ষোভ দমনে নিরাপত্তা বাহিনীর অভিযানে অন্তত ৪,০২৯ জন নিহত হয়েছেন।

এক্স (সাবেক টুইটার)-এ আরবি ভাষায় পোস্ট করা ওই চিঠিতে পাহলভি লেখেন, আপনি, আপনার শাসনব্যবস্থা এবং আপনার সব ভাড়াটে বাহিনী প্রতিটি ফোঁটা রক্তপাতের জন্য জবাবদিহি করবেন—কোনো ব্যতিক্রম ছাড়া। আমরা ক্ষমা করি না, ভুলে যাই না, পিছু হটি না। যেমনভাবে নাৎসি অপরাধীরা নুরেমবার্গে বিচার ও শাস্তি পেয়েছিল, তেমনি আপনাদেরও ইরানি জাতির আদালতে বিচার হবে।

রেজা পাহলভির পিতা শাহ মোহাম্মদ রেজা পাহলভি দীর্ঘ স্বৈরশাসনের পর ১৯৭৯ সালের বিপ্লবে ক্ষমতাচ্যুত হন। চিঠিতে নির্বাসিত এই রাজপুত্র ইরানের জনগণকে নিজেদের ওপর আস্থা রাখতে এবং ঐক্য ও সাহস বজায় রাখার আহ্বান জানান।

ইরানিদের উদ্দেশে তিনি লেখেন, আমার সাহসী সন্তানরা, শোকাহত কিন্তু দৃঢ়প্রতিজ্ঞ ভাই-বোনেরা—তোমরা একা নও। তোমাদের দৃঢ়তা ইতিহাস বদলে দিয়েছে। তোমরাই স্বাধীনতার অগ্রভাগে দাঁড়িয়ে আছো। এই শাসনের পতন শুরু হয়ে গেছে; তাদের শক্তি ক্ষয়ে গেছে।

চিঠির শেষাংশে পাহলভি বলেন, চূড়ান্ত বিজয় পর্যন্ত এই সংগ্রাম কেবল জাতীয় দায়িত্ব নয়। এটি স্বাধীনতার পথে শহীদদের রক্তের সঙ্গে করা অঙ্গীকার। সেই দিন খুব দূরে নয়, যেদিন আমরা একসঙ্গে ইরান পুনরুদ্ধারের উৎসব উদযাপন করব।