NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, বৃহস্পতিবার, অক্টোবর ২২, ২০২৬ | ৬ কার্তিক ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
তিন বিভাগে পূজামণ্ডপ পরিদর্শনে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী যুক্তরাষ্ট্রের কৃষকদের জন্য ৮০০ কোটি ডলার জ্বালানি সহায়তার ঘোষণা ট্রাম্পের সহিংস বিক্ষোভে টালমাটাল ফ্রান্স, নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলেছিল পুলিশ সাফ চ্যাম্পিয়নশিপে থাকতে পারে ভিএআর, উন্নত প্রযুক্তির বল ‘চিরকুট’ সিনেমায় মেহেদী-ঐশীর ‘রঙ্গিলা আসমান’ জাতিসংঘ জীববৈচিত্র্য সম্মেলন: ২০৩০ সালের লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে জবাবদিহিতার মুখোমুখি বিশ্বনেতারা শিক্ষার্থীদের কাছে প্রধানমন্ত্রীর দুই আবেদন ফ্রান্সে বিক্ষোভে সহিংসতা : পর্যটন দপ্তরে আগুন, গ্রেপ্তার ১৬০ জনের বেশি যুক্তরাষ্ট্রে ফুটবল মাঠে ট্রাক ঢুকে শিশুসহ নিহত ২ সেই ফেক ভিডিও নিয়ে এবার ক্ষোভ ঝাড়লেন পরীমনি
Logo
logo

শেষ ওভারের রোমাঞ্চকর জয়ে শীর্ষে ফিরল রাজশাহী


খবর   প্রকাশিত:  ১৭ জানুয়ারী, ২০২৬, ০৯:০১ এএম

শেষ ওভারের রোমাঞ্চকর জয়ে শীর্ষে ফিরল রাজশাহী

জয়ের জন্য শেষ ১২ বলে ২৫ রান প্রয়োজন ছিল সিলেট টাইটানসের। রিপন মন্ডলের করা প্রথম দুই বলে দুই ছক্কা হাঁকিয়ে ম্যাচের পাল্লা নিজেদের দিকে নেন মঈন আলী। 

ফিরতি বলেই কামব্যাক করেন রিপন। শর্ট বলে মঈনকে আউট করে।

ওই ওভারের শেষ বলে ফেরান নাসুম আহমেদকেও। ১৪ রান দিয়ে ২ উইকেট নিয়ে রাজশাহী ওয়ারিয়র্সকে জয়ের স্বপ্ন দেখান। শেষ ওভারে সেই স্বপ্ন সত্যিই করেন বিনুরা ফার্নান্দো। ১১ রানের সমীকরণে ৫ রান দিয়ে  জয় এনে দেন শ্রীলঙ্কার বাঁহাতি পেসার।

 

এ জয়ে চট্টগ্রাম রয়্যালসে পেছনে ফেলে আবারও শীর্ষস্থানে উঠল রাজশাহী। ৯ ম্যাচ শেষে অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্তর দলের পয়েন্ট ১৪। চট্টগ্রামের ৮ ম্যাচে ১২। দিনের প্রথম ম্যাচে নোয়াখালী এক্সপ্রেসকে হারিয়ে শীর্ষে উঠেছিল চট্টগ্রাম।

কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে ঠিকই শীর্ষস্থানে ফিরল রাজশাহী।

 

মিরপুরে ১৪৮ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুতেই ধাক্কা খায় সিলেট। দলীয় ১৫ রানে ২ উইকেট হারায় তারা। সেখান থেকে ৪৯ রানের জুটি গড়ে ম্যাচের হাল ধরেন মমিনুল হক ও পারভেজ হোসেন ইমন। সর্বোচ্চ ৪১ রানের ইনিংস খেলে ইমন আউট হলেও ম্যাচ হাতে ছিল সিলেটের।

মমিনুল-আফিফরা জয়ের স্বপ্ন দেখাচ্ছিলেন।

 

আফিফের ১৬ রানের বিপরীতে মমিনুল ৩১ রানে বিদায় নিলে জয়ের দায়িত্ব পরে মঈনের কাঁধে। তবে দায়িত্বটা পূরণ করতে পারেননি মঈন। রাজশাহীর হয়ে ৩৪ রানে ৪ ‍উইকেট নিয়ে ম্যাচসেরা হন রিপন।

এর আগে রাজশাহীও শুরুতে ধাক্কা খায়। শেষ পর্যন্ত তারা ১৪৭ রানের সংগ্রহ পায় মুশফিকুর রহিমের সর্বোচ্চ ৪০ রানের বিপরীতে শান্তর ৩০ রানের সৌজন্যে। তবে শেষ দিকে ১ চার ও ১ ছক্কায় ১৬ রান করে জয়ে অবদান রাখেন পেসার আব্দুল গাফফার সাকলাইনও। সিলেটের হয়ে দুটি করে উইকেট নেন শহীদুল ইসলাম ও নাসুম।