NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, শুক্রবার, এপ্রিল ২৪, ২০২৬ | ১০ বৈশাখ ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
দেশের স্বার্থে বিরোধীদলের সঙ্গে যেকোনো আলোচনায় রাজি বিএনপি : প্রধানমন্ত্রী যুদ্ধবিরতি স্থায়ী সমাধানে তৎপর পাকিস্তান যে ৩ কারণে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা বাধাগ্রস্ত হচ্ছে, জানালেন ইরানের প্রেসিডেন্ট মার্কিন নৌবাহিনীর সচিবের হঠাৎ পদত্যাগ, তৎক্ষণাৎ কার্যকর লন্ডন ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে রাফীর ‘প্রেশার কুকার’ ছাত্রদল-শিবির সংঘর্ষের ঘটনায় একতরফা দোষারোপ না করার অনুরোধ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সীমানা পার করবেন না—লেবাননবাসীকে নতুন হুমকি ইসরায়েলের ইরান যুদ্ধে এবার ভেস্তে যাচ্ছে ট্রাম্প প্রশাসন? না-ফেরার দেশে ফরাসি অভিনেত্রী নাদিয়া ফারেস রিয়াল মাদ্রিদের জয়, এমবাপ্পে-ভিনিসিয়ুসে টিকে রইল লড়াইয়ে
Logo
logo

ট্রাম্পকে নিজের শান্তি পুরস্কার ‘দিতে চান’ মাচাদো, নোবেল কমিটির প্রতিক্রিয়া


খবর   প্রকাশিত:  ১০ জানুয়ারী, ২০২৬, ০৯:০১ পিএম

ট্রাম্পকে নিজের শান্তি পুরস্কার ‘দিতে চান’ মাচাদো, নোবেল কমিটির প্রতিক্রিয়া

নরওয়ের নোবেল কমিটি স্পষ্ট করে জানিয়েছে, নোবেল শান্তি পুরস্কার ‘ভাগ করা, প্রত্যাহার করা বা অন্যের কাছে হস্তান্তর করা’ যায় না। এই ব্যাখ্যা আসে নোবেলজয়ী ও ভেনেজুয়েলার বিরোধী নেত্রী মারিয়া কোরিনা মাচাদো যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে তার নোবেল পুরস্কার দিতে চান—এমন বক্তব্য দেওয়ার পর।

নোবেল কমিটির বিবৃতিতে বলা হয়, ‘নোবেল পুরস্কার কখনোই প্রত্যাহার, ভাগ বা অন্যের কাছে হস্তান্তর করা যায় না। একবার ঘোষণা হয়ে গেলে সেই সিদ্ধান্ত চিরকালের জন্য বহাল থাকে।

 

ট্রাম্প শনিবার বলেন, আগামী সপ্তাহে মাচাদো যুক্তরাষ্ট্র সফরে এলে তিনি তাকে নোবেল পুরস্কার দেওয়ার প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা করবেন। এই সফর এমন এক সময়ে হচ্ছে, যখন ক্ষমতাচ্যুত প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে আটক করা এবং পরবর্তী সময়ে ট্রাম্পের ভেনেজুয়েলার বিপুল তেল সম্পদের ওপর দাবি তোলার পর যুক্তরাষ্ট্র-ভেনেজুয়েলা সম্পর্ক ইতিহাসের সর্বোচ্চ উত্তেজনায় পৌঁছেছে। ট্রাম্প বলেন, ‘তিনি আসতে চান—এটা খুবই ভালো বিষয় বলে মনে করি এবং যতটা বুঝেছি, এটাই আসার কারণ।’

মাদক-সন্ত্রাস ষড়যন্ত্রসহ একাধিক অভিযোগে বিচারের মুখোমুখি করতে মাদুরোকে আটক করে যুক্তরাষ্ট্রে নেওয়ার পর মাচাদো দেশটির সর্বোচ্চ পদে আসেননি।

বরং ভেনেজুয়েলার ভাইস প্রেসিডেন্ট ডেলসি রদ্রিগেজ মাদুরোর স্থলাভিষিক্ত হন।

 

এর আগে বহুবার ট্রাম্প নিজেকে নোবেল শান্তি পুরস্কারের যোগ্য প্রার্থী হিসেবে তুলে ধরেছেন। তার দাবি, দ্বিতীয় মেয়াদের প্রেসিডেন্ট হিসেবে প্রথম আট মাসে তিনি আটটি যুদ্ধের অবসান ঘটিয়েছেন। ট্রাম্প বলেন, ‘আপনি যে প্রতিটি যুদ্ধ থামান, তার জন্য একটি করে নোবেল পুরস্কার পাওয়া উচিত।

এগুলো ছিল বড় বড় যুদ্ধ—যেগুলো কেউ ভাবেনি থামানো সম্ভব।’

 

তিনি ২০০৯ সালে দায়িত্ব নেওয়ার পরপরই নোবেল শান্তি পুরস্কার পাওয়া তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামারও সমালোচনা করেছেন, তার ভাষায়, তিনি ‘কিছুই করেননি’।

আগামী সপ্তাহে মাচাদোর যুক্তরাষ্ট্র সফর প্রসঙ্গে ট্রাম্প বলেন, তিনি ওয়াশিংটনে এসে ‘আমাদের দেশকে—আসলে আমাকে—শ্রদ্ধা জানাবেন। তবে আমি তো কেবল দেশের প্রতিনিধি, এর বেশি কিছু নই।’