NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, সোমবার, জুন ১৫, ২০২৬ | ১ আষাঢ় ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করলেন গুম ও খুনের শিকার ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যরা শান্তিচুক্তি ট্রাম্পের ‘আত্মসমর্পণের দলিল’? দুর্দান্ত কামব্যাকে নেদারল্যান্ডসকে রুখে দিল জাপান ভক্তদের ভিড়ে নাজেহাল রাশমিকা, আগলে রাখলেন কৃতি রক্তক্ষয়ী কঙ্গোতে শান্তির পতাকা উত্তোলনে সেনাবাহিনীর বীরত্ব মরক্কোর সঙ্গে ড্র, হতাশায় ‘হেক্সা অভিযান’ শুরু ব্রাজিলের বিশ্বকাপের উদ্বোধনী মঞ্চে এক টুকরো বাংলাদেশ! গানে গানে সৈয়দ আব্দুল হাদীকে শ্রদ্ধা, দেওয়া হলো সংবর্ধনা কক্সবাজারে আজ যেসব কর্মসূচিতে অংশ নেবেন প্রধানমন্ত্রী নিজেকে ‘গুটিয়ে নেওয়ার’ ইঙ্গিত দিচ্ছেন ট্রাম্প?
Logo
logo

নিউইয়র্কের আদালতে মাদুরোর দাবি, ‘আমি নির্দোষ, আমি যুদ্ধবন্দি’


খবর   প্রকাশিত:  ০৬ জানুয়ারী, ২০২৬, ০৯:০১ এএম

নিউইয়র্কের আদালতে মাদুরোর দাবি, ‘আমি নির্দোষ, আমি যুদ্ধবন্দি’

সোমবার নিউইয়র্কের একটি ভরা আদালতে প্রবেশ করেন নিকোলাস মাদুরো। কাঁধ সোজা করে তিনি গ্যালারির দিকে তাকান। কয়েকজনকে স্প্যানিশ ভাষায় অভিবাদন জানান। এরপর তিনি বলেন, ‘আমি নির্দোষ।’

অপসারিত ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট কালো শার্টের নিচে কমলা কারাগারের পোশাক পরে আদালতে হাজির হন। তিনি দাবি করেন, যুক্তরাষ্ট্রের বাহিনী তাকে অপহরণ করেছে। তিনি নিজেকে যুদ্ধবন্দি বলেও উল্লেখ করেন।

৩০ মিনিটের শুনানিতে মাদুরো মাদক ও অস্ত্র মামলায় নিজেকে নির্দোষ দাবি করেন। তিনি বলেন, ‘আমি একজন ভদ্র মানুষ। আমি এখনো আমার দেশের প্রেসিডেন্ট।’

ম্যানহাটনের আদালতের কাঠের দেয়ালঘেরা কক্ষে আইনজীবী, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য ও সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন। মাদুরো বুঝতে পারছিলেন, সবার দৃষ্টি তার দিকে। তিনি আদালতকে ব্যবহার করে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক অভিযানের নিন্দা করেন।

একপর্যায়ে বিচারক তাকে থামিয়ে দেন। বিচারক অ্যালভিন হেলারস্টিন বলেন, ‘এসব কথা বলার জন্য সময় ও জায়গা পরে আসবে।’

মাদুরো বলেন, ‘৩ জানুয়ারি শনিবার থেকে আমি এখানে অপহৃত অবস্থায় আছি। ভেনেজুয়েলার কারাকাসে নিজের বাড়ি থেকে আমাকে ধরা হয়।’

শুনানির শেষ দিকে গ্যালারি থেকে এক ব্যক্তি চিৎকার করে বলেন, মাদুরোকে তার অপরাধের মূল্য দিতে হবে। তখন মাদুরো বলেন, ‘আমি একজন যুদ্ধবন্দি।’ এরপর তাকে আদালত কক্ষ থেকে বের করে নেওয়া হয়।

মাদুরো পুরো শুনানিতে শুধু স্প্যানিশ ভাষায় কথা বলেন। অনুবাদের জন্য তিনি হেডফোন ব্যবহার করেন। তিনি কলম ও কাগজে নোট নেন। খুব কমই তিনি মাথা তুলেছিলেন।

তার পাশে স্ত্রী সিলিয়া ফ্লোরেস বসেছিলেন। আদালতের ভেতরে দুইজন মার্কিন মার্শাল উপস্থিত ছিলেন। তবে কোনো অস্ত্র দেখা যায়নি। সকালে ব্রুকলিনের কারাগার থেকে সাঁজোয়া গাড়িতে করে তাদের আনার সময় ভারী অস্ত্রধারী পুলিশ মোতায়েন ছিল।

আদালতের বাইরে সকাল থেকেই কড়া নিরাপত্তা ছিল। লোহার ব্যারিকেড দিয়ে এলাকা ঘেরা হয়। কয়েক ডজন মানুষ মাদুরোর গ্রেপ্তারকে সমর্থন ও বিরোধিতা করে জড়ো হন। একদল ভেনেজুয়েলার পতাকা হাতে ইউএসএ হ্যান্ডস অফ ভেনেজুয়েলা স্লোগান দেন। তারা ভিভা ভিভা মাদুরো ধ্বনি তোলেন।