NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, মঙ্গলবার, জুন ৯, ২০২৬ | ২৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
আমি কীভাবে বলি, আমি বিশ্রামে যাচ্ছি?: শেখ হাসিনা ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপ সম্প্রচার করবে বিটিভি বাংলাদেশের জন্য ফের উন্মুক্ত হচ্ছে মরিশাসের শ্রমবাজার অপচয়ের বিরুদ্ধে যুদ্ধে সামনে থেকে নেতৃত্ব দিচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী ফিলিপাইনে ভূমিকম্পে নিহত বেড়ে ৩৫, বাস্তুচ্যুত হাজারো পরিবার নেইমারকে নিয়ে সুখবর দিল ব্রাজিল সামান্থা নন, সিনেমাটির জন্য প্রথম পছন্দ ছিলেন সাই পল্লবী আইনমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে প্রধানমন্ত্রীর ধন্যবাদ সংবাদমাধ্যমকে ‘অসৎ’ বলে এনবিসির সাক্ষাৎকার থেকে বেরিয়ে গেলেন ট্রাম্প ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধে রাশিয়াকে ৫ শর্ত যুক্তরাজ্য-ফ্রান্স-জার্মানির
Logo
logo

৩৫ বছর বয়সেই নিভে গেল জন এফ কেনেডির সাংবাদিক নাতনির জীবন


খবর   প্রকাশিত:  ০১ জানুয়ারী, ২০২৬, ১০:০১ এএম

৩৫ বছর বয়সেই নিভে গেল জন এফ কেনেডির সাংবাদিক নাতনির জীবন

সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট জন এফ কেনেডির নাতনি তাতিয়ানা শ্লোসবার্গ ৩৫ বছর বয়সে মারা গেছেন। জন এফ কেনেডির লাইব্রেরি ফাউন্ডেশনের শেয়ার করা একটি সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টে তার পরিবার তার মৃত্যুর খবর জানায়।

ঘোষণায় বলা হয়, ‘আমাদের সুন্দর তাতিয়ানা আজ সকালে মারা গেছেন। তিনি সর্বদা আমাদের হৃদয়ে থাকবেন।

’ গত নভেম্বর মাসে জলবায়ু বিষয়ক সাংবাদিক তাতিয়ানা শ্লোসবার্গ তার ক্যান্সারে আক্রান্ত হওয়ার ঘোষণা করেছিলেন। তিনি একটি প্রবন্ধে বলেছিলেন, চিকিৎসকরা বলেছেন তিনি আর এক বছরের কম সময় বেঁচে থাকবেন।’

 

শ্লোসবার্গ ডিজাইনার এডউইন শ্লোসবার্গ এবং কূটনীতিক ক্যারোলিন কেনেডির মেয়ে ছিলেন। গত মাসে ‘এ ব্যাটল উইথ মাই ব্লাড’ শিরোনামে প্রকাশিত একটি নিবন্ধে শ্লোসবার্গ প্রকাশ করেছিলেন, ২০২৪ সালের মে মাসে তার দ্বিতীয় সন্তানের জন্ম দেওয়ার পর তার ‘অ্যাকিউট মাইলয়েড লিউকেমিয়া’ ধরা পড়ে।

অ্যাকিউট মাইলয়েড লিউকেমিয়া হলো, রক্ত ও অস্থি মজ্জার একটি দ্রুত বর্ধনশীল ক্যান্সার। যেখানে অস্থি মজ্জা অস্বাভাবিক শ্বেত রক্তকণিকা তৈরি করে, ফলে স্বাভাবিক রক্তকণিকা তৈরিতে বাধা দেয় এবং শরীরের কার্যকারিতা ব্যাহত করে। 

 

তিনি লিখেছিলেন, ‘আমার প্রথম চিন্তা ছিল, আমার বাচ্চারা। যাদের মুখ আমার চোখের পাতার ভিতরে স্থায়ীভাবে বসে আছে।

তারা আমাকে মনে রাখতে পারবে না।’ 

 

শ্লোসবার্গ কেমোথেরাপি এবং অস্থি মজ্জা প্রতিস্থাপনসহ নানা চিকিৎসা নিয়েছেন বলে জানান, কিন্তু ডাক্তাররা তাকে ভালো পূর্বাভাস দিতে পারনেনি। তিনি আরো লিখেছেন, তার মৃত্যু তার পরিবারের জন্য যন্ত্রণার। কারণ তার পরিবার একাধিক ব্যক্তিগত ট্র্যাজেডি সহ্য করেছে। তার দাদা প্রেসিডেন্ট কেনেডি ১৯৬৩ সালে নিহত হন এবং তার চাচা জন এফ কেনেডি জুনিয়র ১৯৯৯ সালে একটি বিমান দুর্ঘটনায় মারা যান।

 

 

তার ছোট ভাই জ্যাক শ্লোসবার্গ নিউ ইয়র্কে কংগ্রেসের জন্য প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। শ্লোসবার্গ লিখেছেন, ‘আমি সারা জীবন ভালো থাকার চেষ্টা করেছি। একজন ভালো ছাত্রী, একজন ভালো বোন এবং একজন ভালো মেয়ে হতে চেয়েছি। আমার মাকে তাকে কখনও বিরক্ত বা রাগান্বিত করিনি। তিনি বলেন, ‘এখন আমি তার জীবনে, আমাদের পরিবারের জীবনে একটি নতুন ট্র্যাজেডি যুক্ত করতে যাচ্ছি এবং এটি থামাতে আমি কিছুই করতে পারবো না।’