NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, বৃহস্পতিবার, এপ্রিল ২৩, ২০২৬ | ১০ বৈশাখ ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
দেশের স্বার্থে বিরোধীদলের সঙ্গে যেকোনো আলোচনায় রাজি বিএনপি : প্রধানমন্ত্রী যুদ্ধবিরতি স্থায়ী সমাধানে তৎপর পাকিস্তান যে ৩ কারণে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা বাধাগ্রস্ত হচ্ছে, জানালেন ইরানের প্রেসিডেন্ট মার্কিন নৌবাহিনীর সচিবের হঠাৎ পদত্যাগ, তৎক্ষণাৎ কার্যকর লন্ডন ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে রাফীর ‘প্রেশার কুকার’ ছাত্রদল-শিবির সংঘর্ষের ঘটনায় একতরফা দোষারোপ না করার অনুরোধ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সীমানা পার করবেন না—লেবাননবাসীকে নতুন হুমকি ইসরায়েলের ইরান যুদ্ধে এবার ভেস্তে যাচ্ছে ট্রাম্প প্রশাসন? না-ফেরার দেশে ফরাসি অভিনেত্রী নাদিয়া ফারেস রিয়াল মাদ্রিদের জয়, এমবাপ্পে-ভিনিসিয়ুসে টিকে রইল লড়াইয়ে
Logo
logo

যুক্তরাজ্যে জাদুঘর থেকে ৬০০-র বেশি নিদর্শন চুরি


খবর   প্রকাশিত:  ১২ ডিসেম্বর, ২০২৫, ০২:১২ পিএম

যুক্তরাজ্যে জাদুঘর থেকে ৬০০-র বেশি নিদর্শন চুরি

যুক্তরাজ্যের ব্রিস্টল শহরের একটি জাদুঘর থেকে ৬০০-র বেশি ঐতিহাসিক জিনিসপত্র চুরি হয়েছে। বিষয়টি পুলিশ বৃহস্পতিবার জানায়। সেপ্টেম্বরের শেষের দিকে এই চুরি হয়। জাদুঘরের সামনে সিসিটিভিতে চারজন সন্দেহভাজনকে দেখা গেছে। তারা রাতে ব্যাগ হাতে ওই এলাকায় ঘোরাফেরা করছিল।

পুলিশ জানায়, চুরি যাওয়া জিনিসগুলোর মধ্যে সামরিক পদক, গয়না, ব্যাজ, অলংকার, খোদাই করা হাতির দাঁত, রুপার জিনিস ও ব্রোঞ্জের মূর্তি ছিল। এছাড়া কিছু প্রাকৃতিক ইতিহাসের নমুনাও উধাও হয়েছে। পুলিশের ভাষায়, ‘৬০০-র বেশি ধরনের নিদর্শন নিয়ে গেছে চোররা।’ তদন্ত কর্মকর্তা ড্যান বারগান বলেন, ‘এসব জিনিসের সাংস্কৃতিক মূল্য অনেক। শহরের জন্য এটি বড় ক্ষতি।’ তিনি আরও বলেন, ‘অনেক জিনিস ছিল দানের। এগুলো ব্রিটিশ ইতিহাসের জটিল এক সময়কে বুঝতে সাহায্য করে।’

চুরির ঘটনাটি ঘটেছে ২৫ সেপ্টেম্বর রাত ১টা থেকে ২টার মধ্যে ব্রিস্টলের কাম্বারল্যান্ড রোড এলাকায়। পুলিশ এখন সিসিটিভিতে দেখা চারজনকে শনাক্ত করতে চায়। তারা ক্যাপ বা হুডি পরে ছিল।

এই সংগ্রহে ছিল প্রশান্ত মহাসাগরীয় দ্বীপপুঞ্জের নানা জিনিস, আফ্রিকান দেশগুলোর পোশাক, ছবি, চলচ্চিত্র, ব্যক্তিগত নথি এবং শব্দরেকর্ড। জাদুঘরের বর্ণনা অনুযায়ী, এগুলো ইতিহাসের কঠিন ও বিতর্কিত একটা সময়ের জীবন আর সমাজকে বোঝার সুযোগ দেয়।

ব্রিস্টল সিটি কাউন্সিলের সংস্কৃতি বিভাগের প্রধান ফিলিপ ওয়াকার বলেন, তিনি ‘গভীরভাবে দুঃখিত’। তার ভাষায়, ‘এই সংগ্রহ ব্রিটেন ও ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের অন্তর্ভুক্ত দেশগুলোর সম্পর্ক বোঝাতে গুরুত্বপূর্ণ।’ তিনি বলেন, ‘এগুলো অনেক দেশের জন্য সাংস্কৃতিকভাবে মূল্যবান। সাম্রাজ্যের সঙ্গে যুক্ত মানুষের জীবন বুঝতেও এগুলোর বড় ভূমিকা আছে।’

২০১২ সালে ব্রিটিশ এম্পায়ার অ্যান্ড কমনওয়েলথ মিউজিয়াম বন্ধ হয়ে যাওয়ার পর এই সংগ্রহ ব্রিস্টল সিটি কাউন্সিল ও শহরের বিভিন্ন জাদুঘরের তত্ত্বাবধানে আসে। সাম্প্রতিক সময়ে ইউরোপের বিভিন্ন জাদুঘরেই চুরি বেড়েছে। এর আগে প্যারিসের ল্যুভ জাদুঘর থেকেও মূল্যবান জিনিস উধাও হয়েছিল।

২০২৩ সালে ব্রিটিশ মিউজিয়ামেও ১,৮০০টি জিনিস হারানোর ঘটনা সামনে আসে। পরে কিছু জিনিস উদ্ধার হয়। ঘটনাটির পর মিউজিয়ামের পরিচালক স্বীকার করেন যে সতর্কবার্তা সত্ত্বেও প্রতিষ্ঠান ‘যা করা উচিত ছিল তা করেনি’।