NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, বুধবার, জুন ১০, ২০২৬ | ২৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
আমি কীভাবে বলি, আমি বিশ্রামে যাচ্ছি?: শেখ হাসিনা ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপ সম্প্রচার করবে বিটিভি বাংলাদেশের জন্য ফের উন্মুক্ত হচ্ছে মরিশাসের শ্রমবাজার অপচয়ের বিরুদ্ধে যুদ্ধে সামনে থেকে নেতৃত্ব দিচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী ফিলিপাইনে ভূমিকম্পে নিহত বেড়ে ৩৫, বাস্তুচ্যুত হাজারো পরিবার নেইমারকে নিয়ে সুখবর দিল ব্রাজিল সামান্থা নন, সিনেমাটির জন্য প্রথম পছন্দ ছিলেন সাই পল্লবী আইনমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে প্রধানমন্ত্রীর ধন্যবাদ সংবাদমাধ্যমকে ‘অসৎ’ বলে এনবিসির সাক্ষাৎকার থেকে বেরিয়ে গেলেন ট্রাম্প ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধে রাশিয়াকে ৫ শর্ত যুক্তরাজ্য-ফ্রান্স-জার্মানির
Logo
logo

মরক্কোতে জোড়া ভবন ধসে নিহত ১৯


খবর   প্রকাশিত:  ১১ ডিসেম্বর, ২০২৫, ০৯:১২ এএম

মরক্কোতে জোড়া ভবন ধসে নিহত ১৯

উত্তর আফ্রিকার দেশ মরক্কোর প্রাচীন নগরী ফেজে জোড়া ভবন ধসে অন্তত ১৯ জন নিহত হয়েছেন। এতে আহত হয়েছেন আরও ১৬ জন। 

বুধবার ভোরের দিকে ভবন ধসে হতাহতের এই ঘটনা ঘটেছে বলে দেশটির রাষ্ট্রায়ত্ত সংবাদমাধ্যমের খবরে জানানো হয়েছে। খবর রয়টার্সের।

ফেজ নগরীর স্থানীয় কর্তৃপক্ষ বলেছে, পাশাপাশি থাকা চারতলা দুটি ভবন রাতের কোনো এক সময়ে ধসে পড়েছে। রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা বলেছে, ভবন দুটি দীর্ঘদিন ধরে অযত্নে পড়ে ছিল।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ভবন দুটি ফেজের আল-মুস্তাকবাল এলাকায় অবস্থিত। দুই ভবনে আটটি পরিবার বসবাস করত। ভবন ধসের খবর পাওয়ার পরপরই স্থানীয় প্রশাসন, নিরাপত্তা সংস্থা এবং বেসামরিক সুরক্ষা শাখার সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে তল্লাশি ও উদ্ধার অভিযান শুরু করে।

অষ্টম শতক থেকে গড়ে ওঠা এবং দেশটির তৃতীয় বৃহত্তম জনবহুল নগরী ফেজে দুই মাস আগে জীবনযাত্রার অবনতি ও অপ্রতুল জনসেবার প্রতিবাদে সরকারের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ শুরু হয়েছিল।

 

 

রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম এসএনআরটি বলেছে, ‌‌ঘটনাস্থলের দৃশ্য দেখে ধসে পড়া ভবন দুটিতে বহুদিন ধরে ফাটলের চিহ্ন দেখা যাচ্ছিল বলে ধারণা করা হচ্ছে। ভবন ধসের ঝুঁকি থাকা সত্ত্বেও স্থানীয় প্রশাসন প্রতিরোধমূলক কার্যকর কোনও ব্যবস্থা গ্রহণ করেনি।

তবে ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্স ভবন ধসের ঘটনায় ক্ষয়ক্ষতির তথ্য স্বতন্ত্রভাবে যাচাই করতে পারেনি বলে জানিয়েছে। এছাড়া দেশটির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রণালয় ক্ষতির বিষয়ে মন্তব্যের অনুরোধে তাৎক্ষণিকভাবে সাড়া দেয়নি।

মরক্কোর জনসংখ্যা, অর্থনৈতিক ও শিল্পকেন্দ্র এবং গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোর বেশিরভাগ অংশই দেশটির উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে অবস্থিত। দেশটির বাকি অংশ কৃষি, মৎস্য ও পর্যটনের ওপর নির্ভরশীল।