NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, বৃহস্পতিবার, জুলাই ২৩, ২০২৬ | ৮ শ্রাবণ ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
আবাসন শিল্প জাতীয় অর্থনীতির অন্যতম চালিকাশক্তি : প্রধানমন্ত্রী যুক্তরাষ্ট্রের কাছে ১০ বিলিয়ন ডলারের সহায়তা চাইল পাকিস্তান শিশুদের সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহার নিষিদ্ধে ফ্রান্সে আইন পাস নেতানিয়াহুকে গ্রেপ্তারের আইনি ক্ষমতা নিউইয়র্ক সিটির নেই : মামদানি আটকের সময় রাহুল গান্ধীকে পুলিশ সদস্যের বার্তা—‘মোদিকে হটাও’ শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভে গিয়ে আটক, পরে মুক্ত ‘ধুরন্ধর’ অভিনেত্রী আয়েশা খান আমরা একসঙ্গে ছিলাম, আছি, থাকব : প্রধানমন্ত্রী কানাডার পণ্যে ৫০% শুল্ক ঘোষণা ট্রাম্পের জীবনযাত্রার ব্যয় নির্বাহে সহায়তার প্রতিশ্রুতি—প্রধানমন্ত্রী হিসেবে প্রথম ভাষণে অ্যান্ডি বার্নহ্যাম আর্জেন্টিনাকে পেছনে ফেলে এবার র‌্যাংকিংয়েও শীর্ষে স্পেন
Logo
logo

বাংলাদেশ সেন্টার প্রতিষ্ঠায় দিলেন বড় অনুদান কমিউনিটির স্বপ্ন-পূরণের সারথি শাহনেওয়াজ


খবর   প্রকাশিত:  ১৪ নভেম্বর, ২০২৫, ১০:১১ এএম

বাংলাদেশ সেন্টার প্রতিষ্ঠায় দিলেন বড় অনুদান কমিউনিটির স্বপ্ন-পূরণের সারথি শাহনেওয়াজ

 হাকিকুল ইসলাম খোকন, 
নিউইয়র্কের বুকে বাংলাদেশিদের নিজস্ব কমিউনিটি সেন্টার এখন আর কোনো স্বপ্ন নয়। কুইন্সের জ্যামাইকায় ‘বাংলাদেশ সেন্টার’ প্রতিষ্ঠার প্রাথমিক ধাপ সম্পন্ন হয়েছে। ১ নভেম্বর শনিবার চুক্তি স্বাক্ষর হয়েছে। আগামী ৬ মাসের মধ্যে ভবন ক্লোজিং হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন বাংলাদেশ সোসাইটির কর্মকর্তারা। খবর আইবিএননিউজ ।বাংলাদেশিদের এই স্বপ্নপূরণে এগিয়ে এসেছেন বাংলাদেশ সোসাইটির ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান ও বিশিষ্ট ব্যবসায়ী শাহনেওয়াজ। তিনি বাংলাদেশ সেন্টার কেনার জন্য ২ লাখ ডলার অনুদানের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। প্রাথমিক অর্থ হিসাবে ইতিমধ্যে তিনি ১ লাখ ২৫ হাজার ডলার দিয়েছেন। ৭৫ হাজার ডলার নেওয়া হয়েছে সোসাইটির ফান্ড থেকে। 
দেরীতে হলেও প্রতিষ্ঠার ৫০ বছর পর বাংলাদেশ সোসাইটির বর্তমান কার্যকরী কমিটির উদ্যোগে নিউইয়র্কে ‘বাংলাদেশ সেন্টার’ প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। নিউইয়র্কের বাংলাদেশি অধ্যুষিত কুইন্সের জ্যামাইকায় ব্যস্ত লোকেশনে বিশাল ভবন কেনার প্রাথমিক ধাপ হিসাবে ভবন মালিকের সঙ্গে চুক্তি হয়েছে। বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও সমাজসেবক শাহনেওয়াজ ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হওয়ার পর ভবন কেনার প্রক্রিয়া সহজ হয়ে যায়। বাংলাদেশ সোসাইটির সভাপতি আতাউর  রহমান সেলিম বাপসনিঊজকে জানান, ভবনটির মূল্য ধরা হয়েছে ৪ দশমিক ৯ মিলিয়ন ডলার। প্রতিমাসে মর্গেজ পরিশোধের কথা মাথায় রেখে আপাতত বাণিজ্যিকভিত্তিতে ভবনটি পরিচালিত হবে। তবে বাংলাদেশ সোসাইটির কার্যক্রম পরিচালনায় প্রয়োজনীয় স্পেস থাকবে। সভাপতি বলেন, আমরা চেষ্টা করবো ৩-৪ বছরের মধ্যে ভবনের সম্পূর্ণ মূল্য পরিশোধ করার। এরপর সেখানে বড় আকারে কমিউনিটি সেন্টার প্রতিষ্ঠা করা হবে, যেখানে প্রায় এক হাজার লোকের অনুষ্ঠান করা যাবে। এছাড়াও থাকবে বাংলা স্কুল, জিমসহ বাংলাদেশ সোসাইটির প্রধান কার্যালয়। বাংলাদেশ সেন্টারের মর্গেজ পরিশোধে বর্তমানে এলমহার্স্টের হুইটনি অ্যাভিনিউর নিজস্ব ভবন বিক্রি করা হবে কীনা সে ব্যাপারে জানতে চাইলে আতাউর রহমান সেলিম বলেন, এ ব্যাপারে এখনো কোনো আলোচনা হয়নি। ট্রাস্টি বোর্ড, কার্যকরী কমিটি এবং সাবেক কর্মকতাদের মতামতের ভিত্তিতে পরবর্তীতে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। তবে ভবিষ্যতে ফান্ডরেইজিংয়ের মাধ্যমে অর্থ সংগ্রহ করা হবে। 
বাংলাদেশ সোসাইটির ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান শাহনেওয়াজ জানান, বাংলাদেশ সেন্টার প্রতিষ্ঠা একটি বড় প্রকল্প। এই প্রকল্প সফল করতে তিনি বাংলাদেশি কমিউনিটির সবাইকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, আমি বাংলাদেশি কমিউনিটির পাশে আছি। সবসময় থাকবো। বাংলাদেশ সেন্টার নিউইয়র্কের বুকে একখণ্ড বাংলাদেশ হবে ।