NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, শনিবার, এপ্রিল ২৫, ২০২৬ | ১২ বৈশাখ ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
মে দিবসে সমাবেশ করবে শ্রমিক দল, অতিথি তারেক রহমান ফেসবুক পোস্টের জন্য গ্রেপ্তার, সরকারের কর্মকাণ্ডে এইচআরডব্লিউর উদ্বেগ যুক্তরাষ্ট্রে নিখোঁজ দুই বাংলাদেশি শিক্ষার্থীর একজনের মরদেহ উদ্ধার পাকিস্তানে পৌঁছেছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী, আসছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধিরাও ইরাকের মিলিশিয়া নেতার মাথার দাম ১ কোটি ডলার ঘোষণা যুক্তরাষ্ট্রের সংবাদের নামে ‘অশালীন ভিডিও’ ধারণ, যা বললেন মিম, পরীমনিরা এমপিদের শুল্কমুক্ত গাড়ি সুবিধা বাতিলের প্রস্তাব অনুমোদন জ্বালানি নিরাপত্তার ইতিহাসে সবচেয়ে বড় হুমকিতে বিশ্ব : আইইএর প্রধান হরমুজে মাইন বসাতে দেখলেই গুলির নির্দেশ ট্রাম্পের নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে রেকর্ড জয়ে সিরিজ বাংলাদেশের
Logo
logo

নেপালে বন্ধ হচ্ছে ফেসবুক-হোয়াটসঅ্যাপসহ ২০টিরও বেশি সামাজিকমাধ্যম


খবর   প্রকাশিত:  ০৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৫, ১০:০৯ এএম

নেপালে বন্ধ হচ্ছে ফেসবুক-হোয়াটসঅ্যাপসহ ২০টিরও বেশি সামাজিকমাধ্যম

নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নিবন্ধন না করায় ফেসবুক, হোয়াটসঅ্যাপ, এক্স (আগে টুইটার), ইউটিউবসহ ২০টিরও বেশি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রবেশাধিকার বন্ধ করে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে নেপালের টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রক সংস্থা। তবে সরকারিভাবে নিবন্ধ সম্পন্ন করায় টিকটক, ভাইবারসহ আরও তিনটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম চালু থাকবে।

নেপালের যোগাযোগ ও তথ্যমন্ত্রী পৃথ্বী সুব্বা গুরুং বৃহস্পতিবার (৪ সেপ্টেম্বর) বলেন, নেপালে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত প্রায় দুই ডজন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম কর্তৃপক্ষকে একাধিকবার আনুষ্ঠানিকভাবে কোম্পানি নিবন্ধনের জন্য নোটিশ দেওয়া হয়েছিল, কিন্তু তারা তা মানেনি। তাই দ্রুততম সময়ের মধ্যে এসব প্ল্যাটফর্ম বন্ধ করে দেওয়া হবে।

 

নেপাল সরকার দীর্ঘদিন ধরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম কোম্পানিগুলোকে দেশে একটি সংযোগ কার্যালয় বা প্রতিনিধিত্বকারী অফিস খুলতে বলছে। এজন্য সংসদে একটি বিলও পেশ কর হয়েছে। এর লক্ষ্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমগুলোকে যথাযথভাবে পরিচালনা, দায়িত্বশীল ও জবাবদিহিমূলক করা।

যদিও বিলটি এখনো সংসদে পূর্ণাঙ্গ আলোচনার মুখ দেখেনি। তবে সমালোচকেরা বলছেন, এটি মূলত সেন্সরশিপ আরোপ এবং অনলাইনে সরকারের সমালোচকদের দমনের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহৃত হবে। অধিকার সংগঠনগুলো বলছে, এ ধরনের আইন মতপ্রকাশের স্বাধীনতা খর্ব করবে এবং নাগরিকদের মৌলিক অধিকার লঙ্ঘন করবে।

 

তবে সরকারি কর্মকর্তারা বলছেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত ও শেয়ার করা বিষয়গুলো পর্যবেক্ষণ করা জরুরি, যাতে ব্যবহারকারী এবং অপারেটর- উভয়েই তাদের কার্যকলাপের জন্য দায়বদ্ধ থাকে।

নেপাল এর আগেও বেশ কয়েকবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে। গত জুলাইয়ে অনলাইন জালিয়াতি ও অর্থপাচারের অভিযোগে টেলিগ্রাম বন্ধ করা হয়েছিল। আবার গত বছর টিকটকের ওপর নয় মাসের নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়া হয়, যখন প্ল্যাটফর্মটির দক্ষিণ এশিয়া বিভাগ নতুন নিয়ম মানতে রাজি হয়।