NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, রবিবার, মার্চ ৮, ২০২৬ | ২৩ ফাল্গুন ১৪৩২
ব্রেকিং নিউজ
জাকাত ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে দেশে দারিদ্র্য বিমোচন সম্ভব : প্রধানমন্ত্রী ‘ইরানি হামলার’ জেরে জরুরি বৈঠকে বসছে আরব লিগ ট্রাম্পের হুমকির পরপরই পাল্টা সতর্কবার্তা দিল ইরান ‘রোনালদোর চোট ধারণার চেয়েও গুরুতর’ তৃষার সঙ্গে ম্যাচিং পোশাকে বিয়েবাড়িতে বিজয়, ফের আদালতে স্ত্রী রবিবার থেকে রেশনিং পদ্ধতিতে জ্বালানি তেল বিক্রি যুদ্ধের মধ্যে প্রথম জুমায় খামেনির জন্য ইরানিদের শোক মধ্যপ্রাচ্য পরিস্থিতি নিয়ে তারেক রহমান ও আমিরাতের প্রেসিডেন্টের ফোনালাপ আকাশসীমা আংশিক চালু, সীমিত ফ্লাইট পরিচালনা করছে এমিরেটস ইরানে হামলা না করার সিদ্ধান্তে অটল ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী, ক্ষুব্ধ ট্রাম্প
Logo
logo

মাহমুদ আব্বাসের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নিষেধাজ্ঞা


খবর   প্রকাশিত:  ৩০ আগস্ট, ২০২৫, ০৯:০৮ এএম

মাহমুদ আব্বাসের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নিষেধাজ্ঞা

ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আব্বাসের ওপর ভিসা নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে যুক্তরাষ্ট্র। শুক্রবার (২৯ আগস্ট) যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে তার ওপর ভিসা নিষেধাজ্ঞার বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়। আগামী মাসে জাতিসংঘে বিশ্ব নেতাদের একটি সম্মেলনে যোগ দিতে নিউইয়র্কে যাওয়ার কথা ছিল তার। ওই সম্মেলনে যুক্তরাষ্ট্রের বেশ কয়েকটি মিত্র দেশ ফিলিস্তিনকে একটি রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দেবে বলে জানা গেছে। কিন্তু এর মধ্যেই মাহমুদ আব্বাসের ওপর ভিসা নিষেধাজ্ঞা জারি করলো ওয়াশিংটন। খবর রয়টার্সের।

পররাষ্ট্র দপ্তরের এক কর্মকর্তা বলেছেন, প্যালেস্টাইন লিবারেশন অর্গানাইজেশন এবং পশ্চিম তীর-ভিত্তিক ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের সদস্যদের ভিসা প্রত্যাখ্যান এবং বাতিলের সিদ্ধান্তের ফলে আব্বাস এবং প্রায় ৮০ জন ফিলিস্তিনি নেতা ক্ষতিগ্রস্ত হবেন।

 

ম্যানহাটনে জাতিসংঘের সদর দপ্তরে বার্ষিক উচ্চ-পর্যায়ের জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে যোগদানের জন্য নিউ ইয়র্ক যাওয়ার পরিকল্পনা করছিলেন মাহমুদ আব্বাস। সেখানে ফ্রান্স ও সৌদি আরব আয়োজিত একটি শীর্ষ সম্মেলনে যোগ দেওয়ার কথা ছিল তার। ওই সম্মেলনে ব্রিটেন, ফ্রান্স, অস্ট্রেলিয়া এবং কানাডা আনুষ্ঠানিকভাবে ফিলিস্তিনি রাষ্ট্রকে স্বীকৃতি দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।

এদিকে মাহমুদ আব্বাসের কার্যালয় জানিয়েছে যে, ভিসা নিষেধাজ্ঞার সিদ্ধান্তে তারা বিস্মিত। তাদের যুক্তি এটি জাতিসংঘের ‌‘সদর দপ্তরের চুক্তি’ লঙ্ঘন করেছে।

 

এই চুক্তি অনুযায়ী, সাধারণত বিদেশি কূটনীতিকদের জাতিসংঘে যোগ দেওয়ার সুযোগ দেওয়ার বাধ্যবাধকতা রয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের। তবে ওয়াশিংটন বলছে, নিরাপত্তা, চরমপন্থা ও পররাষ্ট্রনীতির স্বার্থে ভিসা প্রত্যাখ্যান করার ক্ষমতা তাদের রয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দফতর জানিয়েছে, ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষ ও পিএলও চরমপন্থাকে প্রত্যাখ্যান করতে ব্যর্থ হয়েছে এবং একতরফাভাবে রাষ্ট্র স্বীকৃতির চেষ্টা করছে।

তবে ফিলিস্তিনি কর্মকর্তারা এ ধরনের অভিযোগ অস্বীকার করে বলেছেন, কয়েক দশকের যুক্তরাষ্ট্র-নেতৃত্বাধীন আলোচনায়ও ইসরায়েলি দখলদারিত্বের অবসান হয়নি বা স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্র গঠনের অগ্রগতি হয়নি।

মার্কিন পররাষ্ট্র দফতর বলছে, আমাদের জাতীয় নিরাপত্তার স্বার্থে পিএলও এবং পিএকে তাদের প্রতিশ্রুতি পালন না করার জন্য এবং শান্তির সম্ভাবনাকে ক্ষুণ্ন করার জন্য জবাবদিহি করতে হবে।

পররাষ্ট্র দপ্তর আরও জানিয়েছে যে, জাতিসংঘে স্থায়ীভাবে কর্মরত ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের মিশন এই নিষেধাজ্ঞার আওতায় পড়বে না।

 

 

 

এদিকে জাতিসংঘের মুখপাত্র স্টিফেন দুজারিক বলেছেন, জাতিসংঘ এবং যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে জাতিসংঘ সদর দপ্তরের চুক্তি অনুসারে জাতিসংঘ পররাষ্ট্র দপ্তরের সঙ্গে ভিসা ইস্যু নিয়ে আলোচনা করবে।