NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, বৃহস্পতিবার, জুলাই ২৩, ২০২৬ | ৮ শ্রাবণ ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
আবাসন শিল্প জাতীয় অর্থনীতির অন্যতম চালিকাশক্তি : প্রধানমন্ত্রী যুক্তরাষ্ট্রের কাছে ১০ বিলিয়ন ডলারের সহায়তা চাইল পাকিস্তান শিশুদের সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহার নিষিদ্ধে ফ্রান্সে আইন পাস নেতানিয়াহুকে গ্রেপ্তারের আইনি ক্ষমতা নিউইয়র্ক সিটির নেই : মামদানি আটকের সময় রাহুল গান্ধীকে পুলিশ সদস্যের বার্তা—‘মোদিকে হটাও’ শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভে গিয়ে আটক, পরে মুক্ত ‘ধুরন্ধর’ অভিনেত্রী আয়েশা খান আমরা একসঙ্গে ছিলাম, আছি, থাকব : প্রধানমন্ত্রী কানাডার পণ্যে ৫০% শুল্ক ঘোষণা ট্রাম্পের জীবনযাত্রার ব্যয় নির্বাহে সহায়তার প্রতিশ্রুতি—প্রধানমন্ত্রী হিসেবে প্রথম ভাষণে অ্যান্ডি বার্নহ্যাম আর্জেন্টিনাকে পেছনে ফেলে এবার র‌্যাংকিংয়েও শীর্ষে স্পেন
Logo
logo

যুক্তরাষ্ট্রে ৩ মাসে বহিষ্কার দেড় লাখ বিদেশি : আরো কঠোর হওয়ার সিদ্ধান্ত


খবর   প্রকাশিত:  ১৩ আগস্ট, ২০২৫, ১০:০৮ এএম

যুক্তরাষ্ট্রে ৩ মাসে বহিষ্কার দেড় লাখ বিদেশি : আরো কঠোর হওয়ার সিদ্ধান্ত

ভারতে অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাস আমেরিকান ভিসাধারী বিদেশি নাগরিকদের জন্য একটি কঠোর সতর্কবার্তা জারি করেছে।

 

 

 

দূতাবাস জানিয়েছে, যদি কোনো ভিসাধারী হামলা, পারিবারিক সহিংসতা বা অন্যান্য গুরুতর অপরাধে জড়ায়, তাহলে তাদের ভিসা তাৎক্ষণিকভাবে বাতিল হতে পারে এবং ভবিষ্যতে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের সুযোগও স্থায়ীভাবে হারিয়ে যেতে পারে।

 

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির এক প্রতিবেদনে বলা হয়, এই সতর্কবার্তাটি ২৩ জুলাই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) প্রকাশ করা হয়। সেখানে যুক্তরাষ্ট্র কর্তৃপক্ষ বলেছে, “ভিসা কোনো অধিকার নয়, এটি একটি সুযোগ। আইন লঙ্ঘন করলে সেই সুযোগ বাতিল হয়ে যেতে পারে।”

 

 

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, দেশে বা বিদেশে যেকোনো ধরনের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়ালে অভিবাসন আইন অনুযায়ী কঠোর শাস্তির মুখোমুখি হতে হবে। এনডিটিভির প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, ডোনাল্ড ট্রাম্প তার প্রশাসনের ‘শূন্য সহনশীলতা’ নীতিকে সামনে রেখে অপরাধে জড়িত বিদেশিদের দ্রুত বিতাড়নের ওপর জোর দিচ্ছেন।

 

 

জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক হাইকমিশনারের (ইউএনএইচসিএইচআর) তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের ২০ জানুয়ারি থেকে ২৯ এপ্রিল পর্যন্ত মাত্র তিন মাসে যুক্তরাষ্ট্র থেকে ১ লাখ ৪২ হাজারেরও বেশি মানুষকে বহিষ্কার করা হয়েছে।

 

যুক্তরাষ্ট্রের আইন অনুযায়ী, চুরি, শপলিফটিং, প্রতারণা, ডাকাতি বা বাসায় চুরির মতো অপরাধগুলোকে গুরুতর হিসেবে গণ্য করা হয়। এসব অপরাধে শাস্তি নির্ধারণ হয় অপরাধের ধরন ও চুরি হওয়া মালামালের মূল্যের ভিত্তিতে। অধিকাংশ অঙ্গরাজ্যে দোকানমালিকদের শপলিফটারদের আটক করার অধিকার রয়েছে এবং তারা ক্ষতিপূরণ দাবি করতেও আদালতে যেতে পারেন।