NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, শুক্রবার, এপ্রিল ২৪, ২০২৬ | ১০ বৈশাখ ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
দেশের স্বার্থে বিরোধীদলের সঙ্গে যেকোনো আলোচনায় রাজি বিএনপি : প্রধানমন্ত্রী যুদ্ধবিরতি স্থায়ী সমাধানে তৎপর পাকিস্তান যে ৩ কারণে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা বাধাগ্রস্ত হচ্ছে, জানালেন ইরানের প্রেসিডেন্ট মার্কিন নৌবাহিনীর সচিবের হঠাৎ পদত্যাগ, তৎক্ষণাৎ কার্যকর লন্ডন ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে রাফীর ‘প্রেশার কুকার’ ছাত্রদল-শিবির সংঘর্ষের ঘটনায় একতরফা দোষারোপ না করার অনুরোধ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সীমানা পার করবেন না—লেবাননবাসীকে নতুন হুমকি ইসরায়েলের ইরান যুদ্ধে এবার ভেস্তে যাচ্ছে ট্রাম্প প্রশাসন? না-ফেরার দেশে ফরাসি অভিনেত্রী নাদিয়া ফারেস রিয়াল মাদ্রিদের জয়, এমবাপ্পে-ভিনিসিয়ুসে টিকে রইল লড়াইয়ে
Logo
logo

যুক্তরাষ্ট্রে ৩ মাসে বহিষ্কার দেড় লাখ বিদেশি : আরো কঠোর হওয়ার সিদ্ধান্ত


খবর   প্রকাশিত:  ১৩ আগস্ট, ২০২৫, ১০:০৮ এএম

যুক্তরাষ্ট্রে ৩ মাসে বহিষ্কার দেড় লাখ বিদেশি : আরো কঠোর হওয়ার সিদ্ধান্ত

ভারতে অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাস আমেরিকান ভিসাধারী বিদেশি নাগরিকদের জন্য একটি কঠোর সতর্কবার্তা জারি করেছে।

 

 

 

দূতাবাস জানিয়েছে, যদি কোনো ভিসাধারী হামলা, পারিবারিক সহিংসতা বা অন্যান্য গুরুতর অপরাধে জড়ায়, তাহলে তাদের ভিসা তাৎক্ষণিকভাবে বাতিল হতে পারে এবং ভবিষ্যতে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের সুযোগও স্থায়ীভাবে হারিয়ে যেতে পারে।

 

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির এক প্রতিবেদনে বলা হয়, এই সতর্কবার্তাটি ২৩ জুলাই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) প্রকাশ করা হয়। সেখানে যুক্তরাষ্ট্র কর্তৃপক্ষ বলেছে, “ভিসা কোনো অধিকার নয়, এটি একটি সুযোগ। আইন লঙ্ঘন করলে সেই সুযোগ বাতিল হয়ে যেতে পারে।”

 

 

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, দেশে বা বিদেশে যেকোনো ধরনের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়ালে অভিবাসন আইন অনুযায়ী কঠোর শাস্তির মুখোমুখি হতে হবে। এনডিটিভির প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, ডোনাল্ড ট্রাম্প তার প্রশাসনের ‘শূন্য সহনশীলতা’ নীতিকে সামনে রেখে অপরাধে জড়িত বিদেশিদের দ্রুত বিতাড়নের ওপর জোর দিচ্ছেন।

 

 

জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক হাইকমিশনারের (ইউএনএইচসিএইচআর) তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের ২০ জানুয়ারি থেকে ২৯ এপ্রিল পর্যন্ত মাত্র তিন মাসে যুক্তরাষ্ট্র থেকে ১ লাখ ৪২ হাজারেরও বেশি মানুষকে বহিষ্কার করা হয়েছে।

 

যুক্তরাষ্ট্রের আইন অনুযায়ী, চুরি, শপলিফটিং, প্রতারণা, ডাকাতি বা বাসায় চুরির মতো অপরাধগুলোকে গুরুতর হিসেবে গণ্য করা হয়। এসব অপরাধে শাস্তি নির্ধারণ হয় অপরাধের ধরন ও চুরি হওয়া মালামালের মূল্যের ভিত্তিতে। অধিকাংশ অঙ্গরাজ্যে দোকানমালিকদের শপলিফটারদের আটক করার অধিকার রয়েছে এবং তারা ক্ষতিপূরণ দাবি করতেও আদালতে যেতে পারেন।