NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, শনিবার, মার্চ ৭, ২০২৬ | ২৩ ফাল্গুন ১৪৩২
ব্রেকিং নিউজ
রবিবার থেকে রেশনিং পদ্ধতিতে জ্বালানি তেল বিক্রি যুদ্ধের মধ্যে প্রথম জুমায় খামেনির জন্য ইরানিদের শোক মধ্যপ্রাচ্য পরিস্থিতি নিয়ে তারেক রহমান ও আমিরাতের প্রেসিডেন্টের ফোনালাপ আকাশসীমা আংশিক চালু, সীমিত ফ্লাইট পরিচালনা করছে এমিরেটস ইরানে হামলা না করার সিদ্ধান্তে অটল ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী, ক্ষুব্ধ ট্রাম্প মার্কিন হোমল্যান্ড সিকিউরিটি মন্ত্রীকে সরিয়ে দিলেন ট্রাম্প এবার তিশার বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দিলেন সামিয়া অথৈ যুক্তরাষ্ট্রকে কূটনৈতিকভাবে ইরান সংকট সমাধানের আহ্বান বাংলাদেশের খামেনির রাষ্ট্রীয় জানাজা স্থগিত করল ইরান আর্জেন্টিনা-স্পেন ‘ফিনালিসিমা’ স্থানান্তর হতে পারে ইউরোপে
Logo
logo

যুক্তরাষ্ট্রে যাওয়ার স্বপ্ন কী শেষ বাংলাদেশীদের?


খবর   প্রকাশিত:  ০৬ আগস্ট, ২০২৫, ১০:০৮ এএম

যুক্তরাষ্ট্রে যাওয়ার স্বপ্ন কী শেষ বাংলাদেশীদের?

যুক্তরাষ্ট্রে পর্যটন ও ব্যবসায়িক ভিসার অপব্যবহার কমাতে মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় একটি নতুন পরীক্ষামূলক পরিকল্পনা করছে। এই পরিকল্পনা অনুযায়ী, কিছু নির্দিষ্ট দেশের নাগরিকদের জন্য ভিসা আবেদনের সময় ১৫,০০০ ডলার বা প্রায় ১৮ লাখ বাংলাদেশি টাকার একটি বন্ড জমা দেওয়া বাধ্যতামূলক হতে পারে।

 

 

 

মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএন-এর প্রতিবেদন অনুসারে, এই নিয়মটি মূলত সেইসব দেশের নাগরিকদের জন্য প্রযোজ্য হবে, যাদের ভিসার মেয়াদ শেষ হওয়ার পরও যুক্তরাষ্ট্রে অবৈধভাবে থাকার প্রবণতা বেশি। এই বন্ডের উদ্দেশ্য হলো, ভিসা আবেদনকারীকে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে দেশ ত্যাগে উৎসাহিত করা।

 

* বন্ডের নিয়ম: যদি কোনো ব্যক্তি তার ভিসার মেয়াদ শেষ হওয়ার পরও যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান করে, তাহলে তার জমা রাখা বন্ডের সম্পূর্ণ বা আংশিক অর্থ বাজেয়াপ্ত করা হবে।

 

 

* সচেতনতা বৃদ্ধি: এর মাধ্যমে ভিসা আবেদনকারীদের মধ্যে ভিসার শর্ত মেনে চলার ব্যাপারে সচেতনতা তৈরি হবে এবং অবৈধভাবে থাকার প্রবণতা কমবে বলে আশা করা হচ্ছে।

 

 

কারা সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবেন?

এই পরীক্ষামূলক প্রকল্পটি প্রাথমিকভাবে ১২ মাসের জন্য চালু হবে। এটি অভিবাসন নীতির কার্যকারিতা বাড়াতে সাহায্য করবে। যদি এই প্রস্তাবটি চূড়ান্তভাবে কার্যকর হয়, তবে এটি কিছু দেশের, বিশেষ করে বাংলাদেশের মতো উন্নয়নশীল দেশের নাগরিকদের জন্য মার্কিন ভিসা পাওয়া আরও কঠিন করে তুলবে। অনেকের জন্যই তা অসম্ভব হয়ে দাঁড়াবে।

আর্থিকভাবে কম সক্ষম ব্যক্তিদের জন্য ১৮ লাখ টাকার মতো বড় অঙ্কের অর্থ বন্ড হিসেবে জমা দেওয়া প্রায় অসম্ভব হতে পারে, যা বৈধভাবে যুক্তরাষ্ট্রে ভ্রমণের সুযোগকে সীমিত করে দেবে।