NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, শুক্রবার, এপ্রিল ২৪, ২০২৬ | ১০ বৈশাখ ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
দেশের স্বার্থে বিরোধীদলের সঙ্গে যেকোনো আলোচনায় রাজি বিএনপি : প্রধানমন্ত্রী যুদ্ধবিরতি স্থায়ী সমাধানে তৎপর পাকিস্তান যে ৩ কারণে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা বাধাগ্রস্ত হচ্ছে, জানালেন ইরানের প্রেসিডেন্ট মার্কিন নৌবাহিনীর সচিবের হঠাৎ পদত্যাগ, তৎক্ষণাৎ কার্যকর লন্ডন ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে রাফীর ‘প্রেশার কুকার’ ছাত্রদল-শিবির সংঘর্ষের ঘটনায় একতরফা দোষারোপ না করার অনুরোধ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সীমানা পার করবেন না—লেবাননবাসীকে নতুন হুমকি ইসরায়েলের ইরান যুদ্ধে এবার ভেস্তে যাচ্ছে ট্রাম্প প্রশাসন? না-ফেরার দেশে ফরাসি অভিনেত্রী নাদিয়া ফারেস রিয়াল মাদ্রিদের জয়, এমবাপ্পে-ভিনিসিয়ুসে টিকে রইল লড়াইয়ে
Logo
logo

ত্রাণের অপেক্ষায় থাকা লোকজনকে গুলি, গাজায় নিহত আরও ১১৫


খবর   প্রকাশিত:  ২১ জুলাই, ২০২৫, ১০:০৭ এএম

ত্রাণের অপেক্ষায় থাকা লোকজনকে গুলি, গাজায় নিহত আরও ১১৫

গাজায় ইসরায়েলি বাহিনীর বর্বর আগ্রাসন থামছেই না। প্রায় প্রতিদিনই ত্রাণের অপেক্ষায় থাকা লোকজনকে গুলি করে হত্যা করা হচ্ছে। অবরুদ্ধ এই উপত্যকায় নতুন করে আরও কমপক্ষে ১১৫ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছে। এর মধ্যে ৯২ জনই ত্রাণের জন্য অপেক্ষায় করছিলেন। রোববার তারা উত্তরাঞ্চলীয় জিকিম ক্রসিং এবং দক্ষিণের খান ইউনিস এবং রাফা শহরে ত্রাণ সংগ্রহ করতে গিয়ে ইসরায়েলি বাহিনীর গুলিতে প্রাণ হারিয়েছেন। খবর আল জাজিরার।

গাজায় ইসরায়েলি অবরোধের কারণে খাদ্য সংকট আরও তীব্র হয়ে উঠছে। দুর্ভিক্ষে কমপক্ষে ১৯ জনের মৃত্যুর তথ্য নিশ্চিত করেছে স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ।

 

চিকিৎসা সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, জিকিমে ইসরায়েলি বাহিনী কমপক্ষে ৭৯ জন ফিলিস্তিনিকে গুলি করে হত্যা করেছে। জাতিসংঘের ত্রাণ কাফেলা থেকে আটা সংগ্রহের আশায় বিশাল জনতা সেখানে জড়ো হয়েছিল।

রাফাহতে একটি সাহায্য কেন্দ্রের কাছে আরও নয়জন নিহত হয়েছেন। সেখানে মাত্র ২৪ ঘন্টা আগেই ৩৬ জন প্রাণ হারিয়েছিলেন। ফিলিস্তিনি সিভিল ডিফেন্সের মতে, খান ইউনিসে অন্য একটি সাহায্য কেন্দ্রের কাছে আরও চারজন নিহত হয়েছেন।

 

জিকিমের হামলা থেকে বেঁচে যাওয়া একজন ফিলিস্তিনি রিজেক বেতার এক তরুণকে হাসপাতালে নিয়ে যেতে সাহায্য করেছিলেন। বেতার বলেন, আমরা এই তরুণকে মাটিতে পড়ে থাকতে দেখেছি এবং তাকে সাইকেলে করে বহন করেছিলাম। আমরা তাকে সাহায্য করার চেষ্টা করছি। কিন্তু এখানে কিছুই নেই। কোনো অ্যাম্বুলেন্স নেই, খাবার নেই, জীবন নেই, আর বেঁচে থাকার কোনো উপায়ও নেই। আমরা খুব কষ্ট করে অপেক্ষা করছি।

 

 

 

হামলা থেকে বেঁচে যাওয়া অপর ব্যক্তি ওসামা মারুফও গুলিবিদ্ধ ও আহত একজন বৃদ্ধকে পরিবহনে সাহায্য করেছিলেন। তিনি বলেন, আমরা জিকিম থেকে এই বৃদ্ধকে এনেছি। সে শুধু কিছু আটা আনতে গিয়েছিল। আমি তাকে সাইকেলে করে বাঁচানোর চেষ্টা করেছিলাম। আমি আর আটা চাই না, সে আমার বাবার মতো। ঈশ্বর আমাকে ভালো কাজ করার শক্তি দিন এবং এই কষ্ট যেন আর বেশি দিন স্থায়ী না হয়।