NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, শুক্রবার, এপ্রিল ২৪, ২০২৬ | ১০ বৈশাখ ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
দেশের স্বার্থে বিরোধীদলের সঙ্গে যেকোনো আলোচনায় রাজি বিএনপি : প্রধানমন্ত্রী যুদ্ধবিরতি স্থায়ী সমাধানে তৎপর পাকিস্তান যে ৩ কারণে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা বাধাগ্রস্ত হচ্ছে, জানালেন ইরানের প্রেসিডেন্ট মার্কিন নৌবাহিনীর সচিবের হঠাৎ পদত্যাগ, তৎক্ষণাৎ কার্যকর লন্ডন ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে রাফীর ‘প্রেশার কুকার’ ছাত্রদল-শিবির সংঘর্ষের ঘটনায় একতরফা দোষারোপ না করার অনুরোধ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সীমানা পার করবেন না—লেবাননবাসীকে নতুন হুমকি ইসরায়েলের ইরান যুদ্ধে এবার ভেস্তে যাচ্ছে ট্রাম্প প্রশাসন? না-ফেরার দেশে ফরাসি অভিনেত্রী নাদিয়া ফারেস রিয়াল মাদ্রিদের জয়, এমবাপ্পে-ভিনিসিয়ুসে টিকে রইল লড়াইয়ে
Logo
logo

গুপ্তচরবৃত্তির শাস্তি মৃত্যুদণ্ড-সম্পদ বাজেয়াপ্ত, আইন পাস ইরানে


খবর   প্রকাশিত:  ১৫ জুলাই, ২০২৫, ১০:০৭ এএম

গুপ্তচরবৃত্তির শাস্তি মৃত্যুদণ্ড-সম্পদ বাজেয়াপ্ত, আইন পাস ইরানে

গুপ্তচরবৃত্তির শাস্তি মৃত্যুদণ্ড রেখে একটি কঠোর নিরাপত্তা আইন পাস করেছে ইরানের সংসদ। সোমবার (১৪ জুলাই) এ সংক্রান্ত একটি সংশোধনী প্রস্তাব বিপুল ভোটে অনুমোদন পায়।

সংশোধিত আইন অনুযায়ী, যদি কোনো ব্যক্তি ‘শত্রু রাষ্ট্র’ ও গোষ্ঠীর জন্য কোনো গোয়েন্দা ও গুপ্তচরবৃত্তি, এ ধরনের কার্যকলাপ এবং অপারেশনাল কার্যক্রমে জড়িত বলে প্রমাণিত হন, তাহলে তার শাস্তি মৃত্যুদণ্ডের পাশাপাশি সম্পত্তিও বাজেয়াপ্ত করা যাবে।

 

নতুন আইনে আরও বলা হয়েছে, কোনো শত্রু রাষ্ট্রকে অর্থনৈতিক, প্রযুক্তিগত বা সামরিক সহায়তা প্রদান করাও অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে। এসব অপরাধের শাস্তি মৃত্যুদণ্ড থেকে শুরু করে দীর্ঘমেয়াদী কারাবাস পর্যন্ত হতে পারে।

বিলটিতে অবৈধ যোগাযোগ যন্ত্র- যেমন ‘স্টারলিংক’ ব্যবহার করে রাষ্ট্রবিরোধী বা ষড়যন্ত্রমূলক কার্যক্রম চালানোর ওপরও নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে। একইসঙ্গে সাইবার হামলা, গুপ্তচরবৃত্তির জন্য ড্রোনের ব্যবহার ও বিদেশি গণমাধ্যমে সংবেদনশীল তথ্য সরবরাহ করাকে শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসেবে আখ্যা দেওয়া হয়েছে।

 

জাতীয় মনোবল বা ঐক্যের জন্য ক্ষতিকর বলে বিবেচিত কোনো ভিডিও ধারণ বা প্রচার করলে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে কারাদণ্ডের পাশাপাশি আজীবনের জন্য সরকারি দায়িত্ব পালন থেকে অযোগ্য ঘোষণা করা হবে।

প্রস্তাব অনুযায়ী, ইরানের গোয়েন্দা মন্ত্রণালয়কে ‘শত্রু গণমাধ্যম’ শনাক্ত করার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে ও সংশ্লিষ্ট অপরাধগুলোর জন্য দ্রুত বিচার কার্যক্রম পরিচালনার নির্দেশনাও এতে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

ইরানি আইনপ্রণেতারা এই পদক্ষেপগুলোকে বর্তমান আঞ্চলিক উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে জাতীয় নিরাপত্তা রক্ষার জন্য অত্যন্ত জরুরি বলে অভিহিত করেছেন।