NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, শুক্রবার, এপ্রিল ২৪, ২০২৬ | ১০ বৈশাখ ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
দেশের স্বার্থে বিরোধীদলের সঙ্গে যেকোনো আলোচনায় রাজি বিএনপি : প্রধানমন্ত্রী যুদ্ধবিরতি স্থায়ী সমাধানে তৎপর পাকিস্তান যে ৩ কারণে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা বাধাগ্রস্ত হচ্ছে, জানালেন ইরানের প্রেসিডেন্ট মার্কিন নৌবাহিনীর সচিবের হঠাৎ পদত্যাগ, তৎক্ষণাৎ কার্যকর লন্ডন ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে রাফীর ‘প্রেশার কুকার’ ছাত্রদল-শিবির সংঘর্ষের ঘটনায় একতরফা দোষারোপ না করার অনুরোধ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সীমানা পার করবেন না—লেবাননবাসীকে নতুন হুমকি ইসরায়েলের ইরান যুদ্ধে এবার ভেস্তে যাচ্ছে ট্রাম্প প্রশাসন? না-ফেরার দেশে ফরাসি অভিনেত্রী নাদিয়া ফারেস রিয়াল মাদ্রিদের জয়, এমবাপ্পে-ভিনিসিয়ুসে টিকে রইল লড়াইয়ে
Logo
logo

ইরান ও সৌদির মধ্যে ‘ফলপ্রসূ’ আলোচনা


খবর   প্রকাশিত:  ১০ জুলাই, ২০২৫, ১০:০৭ এএম

ইরান ও সৌদির মধ্যে ‘ফলপ্রসূ’ আলোচনা

সৌদি আরবের যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান (এমবিএস) ও ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচির মধ্যে জেদ্দায় এক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। ইসরায়েল-ইরান যুদ্ধের পর এই প্রথম কোনো শীর্ষ ইরানি কর্মকর্তা সৌদি সফর করলেন।

ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাঈল বাঘায়ি জানান, যুবরাজ মোহাম্মদের সঙ্গে আরাঘচির ফলপ্রসূ আলোচনা হয়েছে।

 

এই বৈঠক এমন এক সময় হলো যখন ইসরায়েল ও ইরানের মধ্যে টানা ১২ দিনের সংঘর্ষে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের তিনটি পারমাণবিক স্থাপনায় বোমা হামলা চালায় এবং পরে একটি যুদ্ধবিরতিতে মধ্যস্থতা করে। তা সত্ত্বেও, এই সফর প্রমাণ করে যে রিয়াদ-তেহরানের মধ্যকার সম্পর্কোন্নয়ন থেমে যায়নি।

 

সৌদি প্রেস এজেন্সি জানিয়েছে, আরাঘচি ও যুবরাজ এমবিএস বৈঠকে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক, আঞ্চলিক পরিস্থিতি এবং শান্তি প্রতিষ্ঠায় চলমান প্রচেষ্টা নিয়ে আলোচনা করেছেন।

বৈঠকে যুবরাজ বলেন, অস্ত্রবিরতি চুক্তি আঞ্চলিক নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করতে সহায়ক হবে। সৌদি আরব সবসময় কূটনৈতিক সংলাপের মাধ্যমে বিরোধ নিষ্পত্তির পক্ষে অবস্থান নেয় বলেও জানান তিনি।

সফরকালে আরাঘচি সৌদি প্রতিরক্ষামন্ত্রী খালিদ বিন সালমান ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী প্রিন্স ফয়সাল বিন ফারহান আল সাউদের সঙ্গেও সাক্ষাৎ করেন।

 

গত ১৩ জুন ইসরায়েল ইরানের বিরুদ্ধে একটি বড় ধরনের বিমান হামলা চালায়, যাতে শীর্ষ সামরিক কর্মকর্তা, পারমাণবিক বিজ্ঞানী এবং শত শত বেসামরিক নাগরিক নিহত হন। এর পাল্টা জবাবে ইরান ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়ে ইসরায়েলে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি করে।