NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, সোমবার, জুন ৮, ২০২৬ | ২৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
আইনমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে প্রধানমন্ত্রীর ধন্যবাদ সংবাদমাধ্যমকে ‘অসৎ’ বলে এনবিসির সাক্ষাৎকার থেকে বেরিয়ে গেলেন ট্রাম্প ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধে রাশিয়াকে ৫ শর্ত যুক্তরাজ্য-ফ্রান্স-জার্মানির মার্কিন ভিসা বিতর্কের মধ্যেই মেক্সিকো পৌঁছেছে ইরান বিশ্বকাপ দল ঘোড়ার মাংস খাওয়া নিয়ে জয়া আহসানের রিট, যে নির্দেশ দিলেন হাইকোর্ট এরদোয়ানকে বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণ প্রধানমন্ত্রীর রাজকুমারী অ্যানের ছেলের বিয়েতে ব্রিটিশ রাজপরিবারের মিলনমেলা লেবাননে ইসরায়েলি হামলায় বেশ কয়েকজন লেবানিজ সেনা নিহত সিঙ্গাপুরে দুটি সোনার পদক জয় বাংলাদেশের প্রতিরক্ষা শিল্পে সহযোগিতা বাড়াতে আগ্রহী তুরস্ক
Logo
logo

নিউইয়র্কে ইমিগ্রেশন কোর্টের সামনে গ্রেপ্তার মেয়র পদপ্রার্থী ব্র্যাড ল্যান্ডার


মশিউর রহমান মজুমদার   প্রকাশিত:  ১৮ জুন, ২০২৫, ১০:০৬ পিএম

নিউইয়র্কে ইমিগ্রেশন কোর্টের সামনে গ্রেপ্তার মেয়র পদপ্রার্থী ব্র্যাড ল্যান্ডার

যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক শহরের প্রধান হিসাবরক্ষক (কম্পট্রোলার) ও মেয়র পদপ্রার্থী ব্র্যাড ল্যান্ডারকে গ্রেপ্তার করেছে দেশটির ইমিগ্রেশন ও কাস্টমস এনফোর্সমেন্ট (আইসিই)।

মঙ্গলবার (১৭ জুন) নিউইয়র্কের ফেডারেল ইমিগ্রেশন কোর্টের সামনে গ্রেপ্তারের এ ঘটনা ঘটে। ল্যান্ডার একজন অভিবাসী আসামিকে আদালত থেকে বের করে আনার সময় হঠাৎ মুখোশ পরা এজেন্টরা তাঁকে হ্যান্ডকাফ পরিয়ে আটক করে নিয়ে যায়।

ঘটনার সময়কার একটি ভিডিওতে দেখা যায়, ল্যান্ডার আদালত থেকে বের হয়ে আসা একজন অভিবাসীর সঙ্গে হাঁটছিলেন। তখন কয়েকজন মুখোশধারী আইসিই ও এফবিআই সদস্য এসে দুজনকে আলাদা করে ফেলে এবং ল্যান্ডারকে হাতকড়া পরিয়ে গাড়িতে তুলে নেয়। ভিডিওতে তাকে বারবার বলতে শোনা যায়, “তোমাদের বিচারিক ওয়ারেন্ট নেই,”—যা যুক্তরাষ্ট্রে নাগরিকদের আটক করতে হলে বাধ্যতামূলক।

পরে ল্যান্ডারের স্ত্রী মেগ বারনেট এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, “আমি নিজ চোখে যা দেখেছি, তা ছিল ভয়াবহ। একজন যুক্তরাষ্ট্রে রাষ্ট্রের নাগরিককে এইভাবে তুলে নেওয়া আইনের শাসনের লঙ্ঘন। ওরা বলেছে, ‘তুমি আমাদের কাজে বাধা দিচ্ছো।’ কিন্তু সে তো শুধু একজন অভিবাসীকে সহায়তা করছিল।”

যুক্তরাষ্ট্রের হোমল্যান্ড সিকিউরিটি বিভাগের এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ল্যান্ডার “ফেডারেল অফিসারদের কাজে বাধা ও আইনের লোকদের ওপর হামলা” করেছেন। সেইসঙ্গে তাঁকে “সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হবার লোভে জননিরাপত্তা বিপন্ন করার” অভিযোগও আনা হয়েছে।

ডেমোক্র্যাট দলের নেতারা এ ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। নিউইয়র্ক অঙ্গরাজ্যের আইনপ্রণেতা জোহরান মামদানি বলেন, “আইসিই এখন সারা দেশে আতঙ্ক সৃষ্টি করছে।” সাবেক গভর্নর অ্যান্ড্রু কুওমো একে ট্রাম্প প্রশাসনের “সরাসরি গুন্ডামি” বলে আখ্যা দিয়েছেন।

উল্লেখ্য, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নেতৃত্বাধীন প্রশাসন অভিবাসন আইন প্রয়োগে কঠোর অবস্থান নিয়েছে। সম্প্রতি ক্যালিফোর্নিয়ায় এক সংবাদ সম্মেলন ভণ্ডুল করতে গিয়ে ডেমোক্র্যাট সিনেটর আলেক্স পাডিলাও হাতকড়া পরেছিলেন। এমনকি প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর গ্যাভিন নিউসমকেও গ্রেপ্তারের হুমকি দিয়েছিলেন।

সাম্প্রতিক এসব ঘটনার কারণে যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে উদ্বেগ ও উত্তেজনা বাড়ছে। মানবাধিকার সংস্থাগুলো বলছে, এসব ঘটনার ফলে অভিবাসীদের মধ্যে ভীতি তৈরি হচ্ছে, যা বিচার ব্যবস্থায় অংশগ্রহণে বাধা তৈরি করছে।