NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, বৃহস্পতিবার, জুন ১৮, ২০২৬ | ৪ আষাঢ় ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
মানবিক সহায়তা জোরদার ও নারী নেতৃত্ব বৃদ্ধির আহ্বান বাংলাদেশের পরীর বাসায় টানা ১ মাস রাত যাপন সাকলায়েনের! শুক্রবারের মধ্যেই শান্তিচুক্তির পূর্ণাঙ্গ খসড়া প্রকাশ হবে : জেডি ভ্যান্স ইরান-যুক্তরাষ্ট্র চুক্তিতে ট্রাম্পের স্বাক্ষরের ভিডিও প্রকাশ করলেন ম্যাক্রোঁ মেসিকে ছাড়িয়ে বিশ্বকাপে অনন্য রেকর্ড গড়লেন হ্যারি কেইন মৌলভীবাজারে যেসব কর্মসূচিতে অংশ নেবেন প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশের সঙ্গে বাণিজ্য সম্প্রসারণে আগ্রহ শ্রীলঙ্কার পারমাণবিক শক্তিধর হতে গেলে ইরানের ‘সর্বনাশ’ হবে : ট্রাম্প ইনস্টাগ্রামে আমরা সবচেয়ে বিখ্যাত জুটি—মোদিকে মেলোনি মার্কিন সহায়তা চাওয়ায় দোষী সাব্যস্ত বলসোনারোর ছেলে
Logo
logo

যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন শহরে বিক্ষোভ


মশিউর রহমান মজুমদার   প্রকাশিত:  ১০ জুন, ২০২৫, ১০:০৬ পিএম

যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন শহরে বিক্ষোভ

যুক্তরাষ্ট্রে তথাকথিত অবৈধ অভিবাসীদের ধরতে যে ধরপাকড় শুরু হয়েছে তা ব্যাপক বিক্ষোভ সহিংসতায় রূপ নিয়েছে। আর এই বিক্ষোভ এখন আর ক্যালিফোর্নিয়ার মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই। দেশটির বিভিন্ন অঙ্গরাজ্য ও শহরে ছড়িয়ে পড়েছে।

নিউ ইয়র্ক সিটি পুলিশ জানিয়েছে, আইসিইবিরোধী বিক্ষোভে অনেক লোককে গ্রেফতার করা হয়েছে। তারা ফেডারেল ভবনের সামনে যানবাহন আটকে দিয়েছিল।

 

তাছাড়া আটলান্টায় আটক ব্যক্তিদের মুক্তির দাবিতে আইসিই ভবনের বাইরে জনতা জড়ো হয়েছিল।

বিবিসির এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, লস অ্যাঞ্জেলেসে বিক্ষোভ চতুর্থ দিনে প্রবেশ করার সঙ্গে সঙ্গে বোস্টন, হিউস্টন এবং ফিলাডেলফিয়াসহ বিভিন্ন শহরে এমন চিত্র দেখা গেছে।

 

এদিকে লস অ্যাঞ্জেলেসে জাতীয় রক্ষী বাহিনীর (ন্যাশনাল গার্ড) অতিরিক্ত সদস্য পৌঁছানোর আগে সাময়িকভাবে প্রায় ৭০০ মেরিন সেনা মোতায়েন করতে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের সেনাবাহিনী।

ডোনাল্ড ট্রাম্পের অভিবাসননীতির বিরুদ্ধে বিক্ষোভ ঠেকাতে গত রোববার (৮ জুন) লস অ্যাঞ্জেলেসে ন্যাশনাল গার্ড মোতায়েন করা হয়েছে। তবে ক্যালিফোর্নিয়ার ডেমোক্র্যাট গভর্নর গ্যাভিন নিউসম এই পদক্ষেপকে ‘অবৈধ’ আখ্যা দিয়ে এর নিন্দা জানিয়েছেন এবং দ্রুত সৈন্যদের প্রত্যাহার দাবি করেছেন।

এদিন ন্যাশনাল গার্ড সদস্যরা ফেডারেল ভবনের আশপাশে অবস্থান নেন। শহরের বিভিন্ন স্থানে পুলিশের সঙ্গে বিক্ষোভকারীদের সংঘর্ষ হয়। বিক্ষোভ চলাকালে কংক্রিট, বোতল ছোড়ার অভিযোগ এনে পুলিশ বেশ কয়েকটি সমাবেশ ‘অবৈধ’ ঘোষণা করে। ভিডিওতে দেখা যায়, আলফাবেটের ওয়েমো কোম্পানির কয়েকটি স্বচালিত গাড়ি পুড়িয়ে দেওয়া হয়।