NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, শুক্রবার, জুন ১৯, ২০২৬ | ৪ আষাঢ় ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
মানবিক সহায়তা জোরদার ও নারী নেতৃত্ব বৃদ্ধির আহ্বান বাংলাদেশের পরীর বাসায় টানা ১ মাস রাত যাপন সাকলায়েনের! শুক্রবারের মধ্যেই শান্তিচুক্তির পূর্ণাঙ্গ খসড়া প্রকাশ হবে : জেডি ভ্যান্স ইরান-যুক্তরাষ্ট্র চুক্তিতে ট্রাম্পের স্বাক্ষরের ভিডিও প্রকাশ করলেন ম্যাক্রোঁ মেসিকে ছাড়িয়ে বিশ্বকাপে অনন্য রেকর্ড গড়লেন হ্যারি কেইন মৌলভীবাজারে যেসব কর্মসূচিতে অংশ নেবেন প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশের সঙ্গে বাণিজ্য সম্প্রসারণে আগ্রহ শ্রীলঙ্কার পারমাণবিক শক্তিধর হতে গেলে ইরানের ‘সর্বনাশ’ হবে : ট্রাম্প ইনস্টাগ্রামে আমরা সবচেয়ে বিখ্যাত জুটি—মোদিকে মেলোনি মার্কিন সহায়তা চাওয়ায় দোষী সাব্যস্ত বলসোনারোর ছেলে
Logo
logo

প্রতিবেশীদের সঙ্গে সুসম্পর্কে গুরুত্ব চীনের


খবর   প্রকাশিত:  ২৩ মে, ২০২৫, ১১:০৫ এএম

প্রতিবেশীদের সঙ্গে সুসম্পর্কে গুরুত্ব চীনের

ভালো প্রতিবেশী মানেই একটি শান্তিপূর্ণ ও নিরাপদ ঘর বলে মন্তব্য করেছেন চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এশিয়ানবিষয়ক বিভাগের উপ-মহাপরিচালক লিয়াং জিয়ানজুন। তাই তিনি প্রতিবেশীসুলভ সম্পর্কের গুরুত্ব তুলে ধরেছেন।

তিনি বলেন, এই কারণেই চীনের কেন্দ্রীয় কমিটি প্রথমবারের মতো প্রতিবেশী কূটনীতি কর্মবিষয়ক সম্মেলনের আয়োজন করেছে, যেখানে প্রতিবেশী সম্পর্ককে চীনের উন্নয়ন ও সমৃদ্ধির ভিত্তি হিসেবে স্পষ্টভাবে চিহ্নিত করা হয়েছে। এটি জাতীয় নিরাপত্তা সুরক্ষার ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার, সামগ্রিক কূটনৈতিক কৌশলের একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান এবং মানবজাতির ভাগ্যগঠনের অংশীদারত্ব নির্মাণের একটি অপরিহার্য অংশ।

 

তিনি সম্প্রতি বেইজিং ইন্টারন্যাশনাল ক্লাবে অনুষ্ঠিত লিন জিয়া ৭ স্যালন-এ এক সংবাদ সম্মেলনে এ মন্তব্য করেন।

লিয়াং উল্লেখ করেন, চীনের অনেক গুরুত্বপূর্ণ বৈদেশিক নীতিমালার সূচনা বা অগ্রগতি প্রথমে প্রতিবেশী দেশগুলোতেই হয়েছে। যেমন বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভ, গ্লোবাল ডেভেলপমেন্ট ইনিশিয়েটিভ, গ্লোবাল সিকিউরিটি ইনিশিয়েটিভ এবং গ্লোবাল সিভিলাইজেশন ইনিশিয়েটিভ।

 

বর্তমানে চীন প্রতিবেশী ১৭টি দেশের সঙ্গে ভাগ্যগঠনের অংশীদারত্বে সম্মত হয়েছে। সর্বশেষ চুক্তিটি ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারিতে ব্রুনেইয়ের সঙ্গে হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, চীনের প্রতিবেশী কূটনীতিতে শান্তিপূর্ণ, নিরাপদ, সমৃদ্ধ, সুন্দর ও বন্ধুত্বপূর্ণ দৃষ্টিভঙ্গিকে জোর দেওয়া হচ্ছে।

শুল্ক সংক্রান্ত বিষয়ে তিনি বলেন, চীন সরবরাহ শৃঙ্খল সহযোগিতা জোরদারের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে এবং উল্লেখ করেছে যে শুল্কযুদ্ধে কোনো বিজয়ী নেই।

 

এর ফলে চীন নিজেকে মুক্ত বাণিজ্যের প্রবক্তা, উন্নয়নশীল দেশের স্বার্থের রক্ষক এবং আঞ্চলিক সহযোগিতায় নেতৃত্ব প্রদানকারী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে।

যুক্তরাষ্ট্রের একতরফা শুল্ক আরোপের মুখে চীন দৃঢ়ভাবে অবস্থান নিয়েছে, প্রথম সিদ্ধান্তমূলক প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে এবং যুক্তরাষ্ট্রকে তাদের শুল্কনীতি সংশোধনে বাধ্য করেছে বলেও লিয়াং উল্লেখ করেন।

সূত্র: ইউএনবি