NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, শুক্রবার, জুন ১৯, ২০২৬ | ৫ আষাঢ় ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
জুয়া-মাদক-প্রশ্নফাঁস ঠেকাতে কঠোর আইন, বগুড়ায় পূর্ণাঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয় চুক্তি মানতে ব্যর্থ হলে ফের হামলার হুঁশিয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের অস্ট্রেলিয়ায় বিপুল পরিমাণ মাদকসহ ব্রিটিশ অভিনেত্রী গ্রেপ্তার জি-৭ সম্মেলনে মেলোনির ঠোঁটে চুম্বনের চেষ্টা জেলেনস্কির, ভিডিও ভাইরাল বিশ্বকাপে ছেলের খেলা দেখতে যুক্তরাষ্ট্রে উড়াল দিলেন ভোজিনহার মা মানবিক সহায়তা জোরদার ও নারী নেতৃত্ব বৃদ্ধির আহ্বান বাংলাদেশের পরীর বাসায় টানা ১ মাস রাত যাপন সাকলায়েনের! শুক্রবারের মধ্যেই শান্তিচুক্তির পূর্ণাঙ্গ খসড়া প্রকাশ হবে : জেডি ভ্যান্স ইরান-যুক্তরাষ্ট্র চুক্তিতে ট্রাম্পের স্বাক্ষরের ভিডিও প্রকাশ করলেন ম্যাক্রোঁ মেসিকে ছাড়িয়ে বিশ্বকাপে অনন্য রেকর্ড গড়লেন হ্যারি কেইন
Logo
logo

যুক্তরাষ্ট্রে অবৈধ অভিবাসীকে সহায়তা করায় বিচারক গ্রেপ্তার


খবর   প্রকাশিত:  ২৮ এপ্রিল, ২০২৫, ১১:০৪ এএম

যুক্তরাষ্ট্রে অবৈধ অভিবাসীকে সহায়তা করায় বিচারক গ্রেপ্তার


যুক্তরাষ্ট্রের মিলওয়াকি কাউন্টি সার্কিট কোর্টের বিচারক হান্না ডুগানকে শুক্রবার (২৫ এপ্রিল) গ্রেপ্তার করেছে ফেডারেল ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (এফবিআই)। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এফবিআই পরিচালক কাশ প্যাটেল জানিয়েছেন, অবৈধ অভিবাসীকে গ্রেপ্তার থেকে বাঁচাতে সহায়তা করায় এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

এফবিআইয়ের মতে, বিচারক ডুগান আদালত প্রাঙ্গণে অভিবাসন কর্তৃপক্ষের নজর এড়িয়ে অভিযুক্ত এদুয়ার্দো ফ্লোরেস-রুইজকে পালাতে সহায়তা করেন।

কাশ প্যাটেল এক পোস্টে লিখেছেন, ‘আমরা বিশ্বাস করি, বিচারক ডুগান ইচ্ছাকৃতভাবে এজেন্টদের ভুল পথে পরিচালিত করেন, যাতে অবৈধ অভিবাসী এদুয়ার্দো ফ্লোরেস-রুইজ পালাতে পারেন। আমাদের এজেন্টরা পরে তাকে ধাওয়া করে ধরে ফেললেও বিচারকের এই বাধাদান জনসাধারণের জন্য ঝুঁকি বাড়িয়ে তোলে।’

এ বিষয়ে একজন আইন প্রয়োগকারী কর্মকর্তা সিএনএনকে জানিয়েছেন, ডুগানের বিরুদ্ধে দুটি অভিযোগ আনা হয়েছে—একজন ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার এড়াতে সাহায্য করা এবং ফেডারেল কর্তৃপক্ষের কাজে বাধা দেওয়া।

যুক্তরাষ্ট্রের মার্শাল সার্ভিসের মুখপাত্র ব্র্যাডি ম্যাক্যারন জানিয়েছেন, শুক্রবার স্থানীয় সময় সকাল সাড়ে ৮টায় বিচারক ডুগানকে আদালত প্রাঙ্গণ থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে ফেডারেল মার্শালদের মাধ্যমে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়।

এ ঘটনা ট্রাম্প প্রশাসনের অধীনে বিচারকদের আচরণ ও ইমিগ্রেশন আইন প্রয়োগে সহযোগিতা না করা নিয়ে কড়াকড়ি নজরদারির অংশ বলে মনে করা হচ্ছে।