NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, বুধবার, মার্চ ১৮, ২০২৬ | ৪ চৈত্র ১৪৩২
ব্রেকিং নিউজ
বর্জ্য অপসারণে আধুনিক পদ্ধতি ব্যবহারের নির্দেশনা প্রধানমন্ত্রীর ইরানে হামলা করায় যুক্তরাষ্ট্রের কাউন্টার টেররিজম প্রধানের পদত্যাগ লারিজানি হত্যার প্রতিশোধ নিতে তেল আবিবে ক্লাস্টার বোমা নিক্ষেপ ইরানের ফাইনালের দুই মাস পর সেনেগালের ‘শিরোপা কেড়ে’ নতুন চ্যাম্পিয়ন ঘোষণা ডিডিএলজে-র ৩০ বছরের রেকর্ড ভাঙল রণবীরের ‘ধুরন্ধর ২’ নিউইয়র্ক বাংলাদেশি আমেরিকান লায়ন্স ক্লাব এর খাদ্য বিতরণ পুলিশ সংস্কার ও মাদক নিয়ন্ত্রণে বাংলাদেশকে সহযোগিতার আশ্বাস ইউএনওডিসির ভারতীয় ভিসা নিয়ে যে বার্তা দি‌লেন হাইক‌মিশনার প্রণয় ভার্মা কোণঠাসা হয়ে পড়ছেন ট্রাম্প, ডাকে সাড়া দিচ্ছে না যেসব দেশ যুদ্ধে জড়াবে না যুক্তরাজ্য, কড়া বার্তা স্টারমারের
Logo
logo

সাত সকালে ভূমিকম্পে কেঁপে উঠলো বাংলাদেশ


খবর   প্রকাশিত:  ০৮ জানুয়ারী, ২০২৫, ১২:৫১ এএম

সাত সকালে ভূমিকম্পে কেঁপে উঠলো বাংলাদেশ

চার দিনের মাথায় সাত সকালে আবারও ভূমিকম্পে কেঁপে উঠলো বাংলাদেশ। মঙ্গলবার সকাল ৭টা ৫ মিনিটে এ ভূমিকম্প অনুভূত হয়। তবে প্রাথমিকভাবে ক্ষয়ক্ষতির কোনো খবর পাওয়া যায়নি।

জানা গেছে, ভূ-কম্পনটির উৎপত্তিস্থল চীনের তিব্বতে। রিখটার স্কেলে এর মাত্রা ছিল ৭ দশমিক ১।

 

ভূ-কম্পনটি বাংলাদেশ ছাড়াও নেপাল, ভারত, ভুটানে অনুভূত হয়েছে।

আবহাওয়া অধিদপ্তরের ভূমিকম্প পর্যবেক্ষণ ও গবেষণা কেন্দ্রের সহকারী আবহাওয়াবিদ ফারজানা সুলতানা  বলেন, আজ সকাল ৭টা ৫ মিনিটে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে ভূমিকম্প অনুভূত হয়।

 

তিনি আরও জানান, ঢাকা থেকে ৬১৮ কিলোমিটার উত্তর-পশ্চিমে চীনের একটি স্থানে ভূমিকম্পের উৎপত্তি হয়। ভূ-কম্পনটির মাত্রা ছিল ৭ দশমিক ১।

এর আগে ৩ জানুয়ারি রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে ভূমিকম্প হয়।

যুক্তরাষ্ট্রের ভূ-তাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা ইউএসজিএস বলছে, ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল চীনের জিজ্যাংয়ে (তিব্বত স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চল)। উৎপত্তিস্থলে এর গভীরতা ছিল ১০ কিলোমিটার।

 

ভূ-প্রাকৃতিক অবস্থানের কারণে দক্ষিণ এশিয়ার দেশসমূহ ভূমিকম্প ঝুঁকিতে রয়েছে। ইন্ডিয়ান প্লেট ও ইউরেশিয়া প্লেটের বিস্তৃতি এ অঞ্চলে। ইউরেশিয়া ও ইন্ডিয়ান টেকটোনিক প্লেটের ফল্টে বড় ধরনের আঘাতের কারণে এর আগেও এ অঞ্চলে শক্তিশালী ভূমিকম্প হয়েছে। ২০১৫ সালে ৭ দশমিক ৩ মাত্রার ভূমিকম্পে কেঁপে উঠেছিল নেপাল। ২০১৫ সালের ২৫ এপ্রিল আরও একটি শক্তিশালী আফটার শক হয়। ১৯৩৪ সালের পর নেপালে আঘাত হানা সবচেয়ে শক্তিশালী ভূমিকম্প ছিল এটি। এতে ৮ হাজার ৬৬৯ জন নিহত হয়।। বহু স্থাপনা ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়।