NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, শনিবার, মার্চ ৭, ২০২৬ | ২৩ ফাল্গুন ১৪৩২
ব্রেকিং নিউজ
জাকাত ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে দেশে দারিদ্র্য বিমোচন সম্ভব : প্রধানমন্ত্রী ‘ইরানি হামলার’ জেরে জরুরি বৈঠকে বসছে আরব লিগ ট্রাম্পের হুমকির পরপরই পাল্টা সতর্কবার্তা দিল ইরান ‘রোনালদোর চোট ধারণার চেয়েও গুরুতর’ তৃষার সঙ্গে ম্যাচিং পোশাকে বিয়েবাড়িতে বিজয়, ফের আদালতে স্ত্রী রবিবার থেকে রেশনিং পদ্ধতিতে জ্বালানি তেল বিক্রি যুদ্ধের মধ্যে প্রথম জুমায় খামেনির জন্য ইরানিদের শোক মধ্যপ্রাচ্য পরিস্থিতি নিয়ে তারেক রহমান ও আমিরাতের প্রেসিডেন্টের ফোনালাপ আকাশসীমা আংশিক চালু, সীমিত ফ্লাইট পরিচালনা করছে এমিরেটস ইরানে হামলা না করার সিদ্ধান্তে অটল ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী, ক্ষুব্ধ ট্রাম্প
Logo
logo

নাসরাল্লাহর সঙ্গে হিজবুল্লাহর আরো কত সদস্য নিহত হয়েছেন


খবর   প্রকাশিত:  ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৪, ০৪:০৫ পিএম

নাসরাল্লাহর সঙ্গে হিজবুল্লাহর আরো কত সদস্য নিহত হয়েছেন

ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী রবিবার জানিয়েছে, এই সপ্তাহে বৈরুতে যে হামলায় হিজবুল্লাহপ্রধান হাসান নাসরাল্লাহ নিহত হয়েছেন, সেই একই হামলায় আরো ২০ জনেরও বেশি হিজবুল্লাহ সদস্যকে ‘হত্যা’ করা হয়েছে।

সামরিক বাহিনীর বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘বৈরুতে বেসামরিক ভবনের নিচে অবস্থিত ভূগর্ভস্থ সদর দপ্তরে উপস্থিত থাকা বিভিন্ন পদমর্যাদার ২০ জনেরও বেশি সন্ত্রাসী, যারা ইসরায়েলের বিরুদ্ধে হিজবুল্লাহর সন্ত্রাসী কার্যক্রম পরিচালনা করছিল, তারাও নির্মূল হয়েছে।’

 

এ ছাড়া বিবৃতিতে দেওয়া তালিকায় নিহত কয়েকজনের নামও উল্লেখ করা হয়েছে। যার মধ্যে রয়েছেন ইব্রাহিম হোসেন জাজিনি ও সামির তাওফিক ডিব, যারা নাসরাল্লাহর ঘনিষ্ঠ সহচর ছিলেন।

তাদের সম্পর্কে বলা হয়েছে, ‘নাসরাল্লাহর কাছে থাকায় তারা হিজবুল্লাহ ও বিশেষ করে নাসরাল্লাহর দৈনন্দিন কার্যক্রমে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতেন।’

 

হিজবুল্লাহ শনিবার নাসরাল্লাহর মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। পরে রবিবার তারা জানায়, গোষ্ঠীর শীর্ষ কমান্ডার আলি কারাকে শুক্রবারের হামলায় নিহত হয়েছেন। তিনি দক্ষিণ লেবাননে কাজ করতেন।

 


 

ইসরায়েলি সামরিক বাহিনীর তালিকায় আরো কিছু নাম উল্লেখ করা হয়েছে, যেমন আবেদ আল-আমির মুহাম্মদ সাবলিনি ও আলি নাফ আয়ুব।

সাম্প্রতিক দিনগুলোতে ইসরায়েল তাদের সামরিক কার্যক্রমের মনোযোগ গাজা থেকে লেবাননের দিকে স্থানান্তর করেছে। তবে প্রায় এক বছরের আন্ত সীমান্ত সংঘর্ষে লেবাননে ইতিমধ্যে শতাধিক মানুষ নিহত হয়েছে। হামাসের সঙ্গে সংহতি প্রদর্শনের লক্ষ্যে হিজবুল্লাহ ইসরায়েলের দিকে হামলা শুরু করে।

এর আগে গত বছরের ৭ অক্টোবর হামাসের নজিরবিহীন হামলার পর প্রতিশোধ নিতে গাজায় যুদ্ধ শুরু করে ইসরায়েল।