NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, রবিবার, মার্চ ৮, ২০২৬ | ২৩ ফাল্গুন ১৪৩২
ব্রেকিং নিউজ
জাকাত ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে দেশে দারিদ্র্য বিমোচন সম্ভব : প্রধানমন্ত্রী ‘ইরানি হামলার’ জেরে জরুরি বৈঠকে বসছে আরব লিগ ট্রাম্পের হুমকির পরপরই পাল্টা সতর্কবার্তা দিল ইরান ‘রোনালদোর চোট ধারণার চেয়েও গুরুতর’ তৃষার সঙ্গে ম্যাচিং পোশাকে বিয়েবাড়িতে বিজয়, ফের আদালতে স্ত্রী রবিবার থেকে রেশনিং পদ্ধতিতে জ্বালানি তেল বিক্রি যুদ্ধের মধ্যে প্রথম জুমায় খামেনির জন্য ইরানিদের শোক মধ্যপ্রাচ্য পরিস্থিতি নিয়ে তারেক রহমান ও আমিরাতের প্রেসিডেন্টের ফোনালাপ আকাশসীমা আংশিক চালু, সীমিত ফ্লাইট পরিচালনা করছে এমিরেটস ইরানে হামলা না করার সিদ্ধান্তে অটল ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী, ক্ষুব্ধ ট্রাম্প
Logo
logo

কমলার সঙ্গে আর টিভি বিতর্ক চান না ট্রাম্প


খবর   প্রকাশিত:  ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৪, ১০:৩৯ এএম

কমলার সঙ্গে আর টিভি বিতর্ক চান না ট্রাম্প

আগামী নভেম্বরে যুক্তরাষ্ট্রে প্রেসিডেন্ট নির্বাচন। দুই দিন আগেই হ্যারিস ও ট্রাম্প এবিসি টিভি চ্যানেলের বিতর্কে যোগ দিয়েছিলেন। সেই বিতর্ক সরাসরি দেখেছেন ছয় কোটি ৭০ লাখ মানুষ। তারপর দুজনই তাদের প্রচারে ফিরে গেছেন।

বিশেষ করে যেসব রাজ্যে প্রবল লড়াই হতে পারে, সেখানে দুজনে প্রচারে জোর দিয়েছেন। কিছু সমীক্ষা বলছে, টিভি বিতর্কে হ্যারিস জিতেছেন। কিন্তু ট্রাম্পের দাবি, তিনিই জয়ী, তাই আর কোনো বিতর্ক নয়।

 

ট্রাম্প কী বলেছেন?
সাবেক প্রেসিডেন্ট ও রিপাবলিকান পার্টির প্রার্থী ট্রাম্প দাবি করেছেন, হ্যারিসের সঙ্গে টিভি বিতর্কে তিনিই জিতেছেন।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পোস্ট করে তিনি বলেছেন, ‘তৃতীয় কোনো বিতর্ক হবে না।’

 

ট্রাম্প প্রথমে বাইডেনের সঙ্গে টিভি বিতর্কে অংশ নেন। তখন বাইডেনই প্রেসিডেন্ট পদে ডেমোক্র্যাট প্রার্থী ছিলেন। সেই বিতর্কে বাইডেনের পারফরম্যান্স শোচনীয় ছিল বলে বিশেষজ্ঞরা মনে করেন এবং যার জেরে তিনি লড়াই থেকে সরে দাঁড়ান।

তারপর এখন ডেমোক্র্যাট প্রার্থী হয়েছেন কমলা হ্যারিস। তার সঙ্গে একবারই মুখোমুখি বিতর্কে নেমেছেন ট্রাম্প।

 

ট্রাম্প দাবি করেছেন, ‘সমীক্ষার ফলাফল অনুযায়ী, কমরেড কমলা হ্যারিসের বিরুদ্ধে আমিই বিতর্কে জিতেছি।’ অবশ্য বেশ কিছু সমীক্ষার মত হলো, বিতর্কে হ্যারিসই জয়ী হয়েছেন। ট্রাম্প বলেছেন, ‘ভাইস প্রেসিডেন্ট বরং তার কাজে মনোযোগ দিন।

 

বিতর্কের পরই ডেমোক্র্যাটরা ট্রাম্পকে আরেকটি বিতর্কের জন্য চ্যালেঞ্জ জানান। ট্রাম্প বলেছেন, ‘লড়াইয়ে হেরে যাওয়ার পর প্রথম কথাটা পরাজিত মানুষ বলেন, আমি আবার লড়তে চাই।’

ট্রাম্প এখন অ্যারিজোনায় প্রচার করছেন। এই রাজ্যে তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতা হতে পারে। দুই প্রার্থীই এখান থেকে জয়ের আশা করছেন। সেখানে একটি জনসভায় ট্রাম্প বলেছেন, যদি নভেম্বর মাসের নির্বাচনে তিনি জিততে পারেন, তাহলে কর ছাঁটাই করবেন। সে ক্ষেত্রে ওভারটাইমের ওপর কর তুলে নেওয়া হবে।

এর আগে তিনি বলেছিলেন, টিপসের ওপর কোনো কর বসানো হবে না। সেই প্রতিশ্রুতি এত জনপ্রিয় হয় যে হ্যারিসও একই প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।

হ্যারিস কি বিতর্ক চান?
নর্থ ক্যারোলাইনায় এক জনসভায় হ্যারিস বলেছেন, ‘দুই রাত আগে আমি ও ট্রাম্প প্রথম বিতর্কে অংশ নিয়েছিলাম। আমি মনে করি, ভোটদাতাদের জন্য আরেকটি বিতর্কে আমরা দায়বদ্ধ।’ নর্থ ক্যারোলাইনাও হচ্ছে সুইং স্টেট, যেখানে দুই প্রার্থীই জয়ের আশা করছেন।

এদিকে রয়টার্স/আইপিএসওএস সমীক্ষা অনুসারে, ৫৩ শতাংশ মানুষ বলেছে, তারা মনে করে বিতর্কে হ্যারিস জিতেছেন, ২৪ শতাংশ মনে করে ট্রাম্প জিতেছেন।