NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, বৃহস্পতিবার, জুন ১৮, ২০২৬ | ৪ আষাঢ় ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
মানবিক সহায়তা জোরদার ও নারী নেতৃত্ব বৃদ্ধির আহ্বান বাংলাদেশের পরীর বাসায় টানা ১ মাস রাত যাপন সাকলায়েনের! শুক্রবারের মধ্যেই শান্তিচুক্তির পূর্ণাঙ্গ খসড়া প্রকাশ হবে : জেডি ভ্যান্স ইরান-যুক্তরাষ্ট্র চুক্তিতে ট্রাম্পের স্বাক্ষরের ভিডিও প্রকাশ করলেন ম্যাক্রোঁ মেসিকে ছাড়িয়ে বিশ্বকাপে অনন্য রেকর্ড গড়লেন হ্যারি কেইন মৌলভীবাজারে যেসব কর্মসূচিতে অংশ নেবেন প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশের সঙ্গে বাণিজ্য সম্প্রসারণে আগ্রহ শ্রীলঙ্কার পারমাণবিক শক্তিধর হতে গেলে ইরানের ‘সর্বনাশ’ হবে : ট্রাম্প ইনস্টাগ্রামে আমরা সবচেয়ে বিখ্যাত জুটি—মোদিকে মেলোনি মার্কিন সহায়তা চাওয়ায় দোষী সাব্যস্ত বলসোনারোর ছেলে
Logo
logo

বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম হীরা আবিষ্কার বতসোয়ানায়


খবর   প্রকাশিত:  ২২ আগস্ট, ২০২৪, ০৯:২২ পিএম

বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম হীরা আবিষ্কার বতসোয়ানায়

বতসোয়ানায় একটি হীরা আবিষ্কার করা হয়েছে, যা এখন পর্যন্ত পাওয়া দ্বিতীয় বৃহত্তম হীরা। এটি মোটামুটি দুই হাজার ৪৯২ ক্যারেটের একটি অমূল্য পাথর। কানাডীয় প্রতিষ্ঠান লুকারা ডায়মন্ডের মালিকানাধীন একটি খনি থেকে হীরাটি পাওয়া গেছে।

১৯০৫ সালে দক্ষিণ আফ্রিকায় পাওয়া তিন হাজার ১০৬ ক্যারেটের কুলিনান হীরার পর সবচেয়ে বড় আবিষ্কার এটি।

কুলিনান হীরাকে কেটে ৯টি পৃথক পাথরে রূপান্তরিত করা হয়েছিল, যাদের অনেকটিই ব্রিটিশ ক্রাউন জুয়েলসে রয়েছে।

 

বতসোয়ানার রাজধানী গ্যাবোরোনের প্রায় ৫০০ কিলোমিটার উত্তরে কারোই খনিতে হীরাটি পাওয়া গেছে। দেশটির সরকার জানিয়েছে, এটি তাদের আবিষ্কৃত সবচেয়ে বড় হীরা। এর আগে তাদের সবচেয়ে বড় আবিষ্কার ছিল এক হাজার ৭৫৮ ক্যারেটের একটি পাথর, যা ২০১৯ সালে একই খনিতে পাওয়া গিয়েছিল।

বতসোয়ানা বিশ্বের বৃহত্তম হীরা উৎপাদনকারী দেশগুলোর একটি। বিশ্বব্যাপী হীরা উৎপাদনের প্রায় ২০ শতাংশ এই দেশে হয়ে থাকে।

 

একটি বিবৃতিতে লুকারা জানিয়েছে, পাথরটি ‘এখন পর্যন্ত পাওয়া বৃহত্তম হীরাগুলোর মধ্যে একটি’। লুকারার প্রধান উইলিয়াম ল্যাম্ব বলেছেন, ‘এই অসাধারণ দুই হাজার ৪৯২ ক্যারেটের হীরাটি আবিষ্কার করতে পেরে আমরা অত্যন্ত আনন্দিত।

 

এদিকে কম্পানিটি পাথরটির রত্নমান বা তার মূল্যের বিস্তারিত জানায়নি। ল্যাম্ব বলেছেন, লুকারার মেগা ডায়মন্ড রিকভারি এক্স-রে প্রযুক্তি ব্যবহার করে হীরাটি শনাক্ত করা হয়েছে। মাইনিংমক্স প্রকাশনার মতে, ২০১৭ সাল থেকে উচ্চমূল্যের হীরা শনাক্ত ও সংরক্ষণের জন্য এই প্রযুক্তিটি ব্যবহার করা হচ্ছে, যাতে আকরিক ভাঙার প্রক্রিয়ার সময় সেগুলো ভেঙে না যায়।