NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, মঙ্গলবার, মে ৬, ২০২৫ | ২৩ বৈশাখ ১৪৩২
ব্রেকিং নিউজ
ভবিষ্যতে এমন হামলার চেষ্টা করলে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না: উপদেষ্টা অর্ডিন্যান্স আকারে আইন করে বাংলাদেশ হেলথ সার্ভিস গঠনের সুপারিশ মালয়েশিয়া সফর স্থগিত করলেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী হামজা-শামিত জুটি সম্ভাবনার আরেক ধাপ অগ্রগতি কোরবানির চামড়ার ন্যায্যমূল্য নিশ্চিতে কমিটি গঠনের নির্দেশ - প্রধান উপদেষ্টা মহসিন কলেজ ছাত্রলীগ নেত্রীকে পুলিশে দিলো শিক্ষার্থীরা ইসরায়েলে বিদেশি এয়ারলাইনসগুলোর ফ্লাইট বাতিলের হিড়িক তৃতীয় মেয়াদে ক্ষমতা চান না ট্রাম্প বাংলাদেশি হিসেবে রিশাদের রেকর্ডের দিনে লাহোরের হার ভারতীয় অনুরাগীদের মন্তব্যে হানিয়া বললেন ‘আমি কেঁদে ফেলব’
Logo
logo

হামলার শিকার যে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ও প্রার্থীরা


খবর   প্রকাশিত:  ১৫ জুলাই, ২০২৪, ০৭:৫০ পিএম

হামলার শিকার যে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ও প্রার্থীরা

যুক্তরাষ্ট্রের পেনসিলভানিয়ার সমাবেশে সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে গুলি করে হত্যাচেষ্টার ঘটনা দেশটিতে রাজনৈতিক সহিংসতার চিত্র আবারও সামনে এনেছে। এর আগে যুক্তরাষ্ট্রের চারজন প্রেসিডেন্ট এবং একজন প্রেসিডেন্ট প্রার্থী গুলিতে নিহত হয়েছেন। প্রেসিডেন্ট ও প্রেসিডেন্ট প্রার্থী মিলিয়ে আরো ১০ জন হামলার শিকার হয়ে প্রাণে বেঁচে গেছেন।

এসব ঘটনার কিছু তথ্য তুলে ধরা হলো 

আব্রাহাম লিঙ্কন 

যুক্তরাষ্ট্রের ১৬তম প্রেসিডেন্ট আব্রাহাম লিঙ্কন ওয়াশিংটন ডিসিতে সস্ত্রীক থিয়েটারে যাওয়ার পর গুলিবিদ্ধ হন।

 

১৮৬৫ সালে জন উইলকেস বুথ নামের এক ব্যক্তি তাঁকে গুলি করেছিলেন। আব্রাহাম লিঙ্কনকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পর দিন সকালে তিনি মারা যান। ১২ দিন পর জন উইলকেস বুথকে ভার্জিনিয়ার একটি গুদামে গুলি করে হত্যা করা হয়।

জেমস গারফিল্ড 

যুক্তরাষ্ট্রের ২০তম প্রেসিডেন্ট জেমস গারফিল্ডকে ১৮৮১ সালে ওয়াশিংটন ডিসির একটি ট্রেন স্টেশনে গুলি করা হয়।

গুলিবিদ্ধ হওয়ার কয়েক সপ্তাহ পর তিনি প্রাণ হারান। তাঁর হত্যাকারী চার্লস গুইটোকে বিচারের পর মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়। উইলিয়াম ম্যাককিনলে : দেশটির ২৫তম প্রেসিডেন্ট উইলিয়াম ম্যাককিনলে নিউ ইয়র্কে ১৯০১ সালে জনসভায় বক্তব্য দেওয়ার সময় খুবই কাছ থেকে গুলিবিদ্ধ হন। গুলি লাগার আট দিন পর তিনি মারা যান।
এ ঘটনার কয়েক সপ্তাহ পর ২৮ বছর বয়সী লিওন এফ জোলগোসজকে দোষী সাব্যস্ত করে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়।

 

থিওডর রুজভেল্ট 

১৯১২ সালে মার্কিন প্রেসিডেন্ট প্রার্থী থিওডর রুজভেল্টকে গুলি করা হয়। যুক্তরাষ্ট্রের ২৬তম এই প্রেসিডেন্ট প্রাণে বেঁচে গেলেও পরবর্তী জীবনে তাঁকে বুলেটটি বুকে বয়ে বেড়াতে হয়।

ফ্রাঙ্কলিন ডি রুজভেল্ট

১৯৩৩ সালে ৩২তম প্রেসিডেন্ট ফ্রাঙ্কলিন ডি রুজভেল্টকে মিয়ামিতে গুলি করে হত্যাচেষ্টা হয়। ইতালিয়ান অভিবাসী গুইসেপে জাঙ্গারা তাঁকে গুলি করলেও রুজভেল্ট আহত হননি।

এ ঘটনায় শিকাগোর মেয়র অ্যান্টন সেরমাক প্রাণ হারান।

 

জন এফ কেনেডি

দেশটির ৩৫তম প্রেসিডেন্ট জন এফ কেনেডি ১৯৬৩ সালে ডালাসে গুলিবিদ্ধ হন। কয়েক ঘণ্টা পর হাসপাতালে তিনি মারা যান। এ ঘটনায় পুলিশ লি হার্ভে ওসওয়াল্ডকে গ্রেপ্তার করে। ডালাসের একটি নাইট ক্লাবের ম্যানেজার অভিযুক্ত হার্ভেকে গুলি করে হত্যা করেন।

রবার্ট এফ কেনেডি

জন এফ কেনেডির ছোট ভাই রবার্ট এফ কেনেডি ছিলেন প্রেসিডেন্ট প্রার্থী। ১৯৬৮ সালে ক্যালিফোর্নিয়া প্রাইমারি নির্বাচনের সময় তাঁকে গুলি করেন সিরহান সিরহান নামে এক ব্যক্তি। রবার্টকে হত্যার ঘটনায় সিরহানকে আমৃত্যু কারাবাসের সাজা দেওয়া হয়। ২০২৩ সালে তাঁর মুক্তির আবেদন বাতিল হয়ে গেছে।

জর্জ ওয়ালেস

১৯৭২ সালে ডেমোক্রেটিক প্রেসিডেন্ট প্রার্থী হওয়ার চেষ্টাকালে জর্জ ওয়ালেস গুলিবিদ্ধ হন। চারবার গুলিবিদ্ধ হয়ে তিনি প্যারালাইজড হয়ে পড়েন। তাঁকে হত্যাচেষ্টাকারী দোষী সাব্যস্ত হয়ে কারাগারে ছিলেন। এরপর ২০০৭ সালে ছাড়া পেয়েছেন।

জেরাল্ড ফোর্ড

৩৮তম প্রেসিডেন্ট জেরাল্ড ফোর্ড ১৭ দিনের ব্যবধানে দুবার হত্যাচেষ্টার শিকার হয়েছেন। দুবারই দুই নারী তাকে হত্যাচেষ্টা চালিয়েছে। ওই দুই নারীরই যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হয়েছে।

রোনাল্ড রিগ্যান

১৯৮১ সালে ৪০তম প্রেসিডেন্ট রোনাল্ড রিগ্যান ওয়াশিংটন ডিসিতে বক্তব্য দেওয়ার সময় গুলিবিদ্ধ হলেও প্রাণে বেঁচে যান। হামলাকারী জন হিঙ্কলি জুনিয়র অবশ্য মানসিক রোগী বিবেচনায় দোষী সাব্যস্ত না হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসার নির্দেশনা পান।

বিল ক্লিনটন ও জর্জ ডাব্লিউ বুশ 

৪২তম প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটনকে ১৯৯৪ সালে এবং ৪৩তম প্রেসিডেন্ট জর্জ ডাব্লিউ বুশকে ২০০৫ সালে হত্যাচেষ্টা করা হয়। তবে তাঁরা দুজনই আহত হননি। ক্লিনটনের ঘটনায় দায়ীকে ৪০ বছর এবং বুশের ঘটনায় হামলাকারীকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।