NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, শুক্রবার, জুন ১৯, ২০২৬ | ৫ আষাঢ় ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
জুয়া-মাদক-প্রশ্নফাঁস ঠেকাতে কঠোর আইন, বগুড়ায় পূর্ণাঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয় চুক্তি মানতে ব্যর্থ হলে ফের হামলার হুঁশিয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের অস্ট্রেলিয়ায় বিপুল পরিমাণ মাদকসহ ব্রিটিশ অভিনেত্রী গ্রেপ্তার জি-৭ সম্মেলনে মেলোনির ঠোঁটে চুম্বনের চেষ্টা জেলেনস্কির, ভিডিও ভাইরাল বিশ্বকাপে ছেলের খেলা দেখতে যুক্তরাষ্ট্রে উড়াল দিলেন ভোজিনহার মা মানবিক সহায়তা জোরদার ও নারী নেতৃত্ব বৃদ্ধির আহ্বান বাংলাদেশের পরীর বাসায় টানা ১ মাস রাত যাপন সাকলায়েনের! শুক্রবারের মধ্যেই শান্তিচুক্তির পূর্ণাঙ্গ খসড়া প্রকাশ হবে : জেডি ভ্যান্স ইরান-যুক্তরাষ্ট্র চুক্তিতে ট্রাম্পের স্বাক্ষরের ভিডিও প্রকাশ করলেন ম্যাক্রোঁ মেসিকে ছাড়িয়ে বিশ্বকাপে অনন্য রেকর্ড গড়লেন হ্যারি কেইন
Logo
logo

মার্কিন স্কলারশিপ পেতে জীবিত বাবার মৃত্যু সনদ, নির্বাসিত ভারতীয়


খবর   প্রকাশিত:  ২৯ জুন, ২০২৪, ০৩:৫৯ এএম

মার্কিন স্কলারশিপ পেতে জীবিত বাবার মৃত্যু সনদ, নির্বাসিত ভারতীয়

যুক্তরাষ্ট্রে আরিয়ান আনন্দ (১৯) নামের এক ভারতীয় শিক্ষার্থীকে গ্রেপ্তার করে নির্বাসিত করা হয়েছে। ফুল স্কলারশিপ পেতে নথি জাল করার বিষয় প্রকাশ্যে আসার পর তার বিরুদ্ধে এ ব্যবস্থা নেওয়া হয়। এনডিটিভির এক প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পেনসিলভানিয়া অঙ্গরাজ্যের লেহাই বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র আনন্দ  ‘মিথ্যার ওপর জীবন ও ক্যারিয়ার’ নামে রেডিটে এক পোস্টে বিষয়টি উল্লেখ করেছিলেন।

যদিও পোস্টটি পরে মুছে দেওয়া হয়েছে। তবে প্লাটফরমটির এক মডারেটর তা প্রকাশ করেন।

 

আনন্দ তার স্বীকারোক্তিতে কিভাবে দশম শ্রেণির বোর্ড পরীক্ষার ফল জাল করেছিলেন জানিয়েছেন। তিনি ফুল স্কলারশিপসহ মার্কিন কলেজে ভর্তি নিশ্চিতের জন্যও জালিয়াতির পথ বেছে নিয়েছিলেন।

এর জন্য তিনি নম্বরপত্র, আবেদনপত্র, এমনকি তার জীবিত বাবার মৃত্যু সনদও ছিল। পরে তিনি কলেজে ভর্তির পর স্বীকার করেন, পড়াশোনার প্রতি আগ্রহ হারিয়ে তিনি প্রচুর পরিমাণে মদ্যপানের দিকে ঝুঁকেছেন। তাই স্কলারশিপ পেতে তিনি এ প্রতারণার আশ্রয় নিয়েছেন।

 

৬এবিসির বরাত দিয়ে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আনন্দকে দুই মাস আগে গ্রেপ্তার করা হয়।

এরপর জালিয়াতি ও সেবা চুরির অপরাধে তাকে ২০ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়। তবে পরবর্তীতে বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মকর্তাদের অনুরোধে তাকে বহিষ্কার করে ভারতে পাঠানো হয়।

 

লেহাই বিশ্ববিদ্যালয় এক বিবৃতিতে এ ঘটনার পুঙ্খানুপুঙ্খ তদন্তের প্রশংসা করেছে।

৬এবিসি অনুসারে, নর্থহ্যাম্পটন কাউন্টির সহকারী জেলা অ্যাটর্নি মাইকেল ওয়েইনার্ট বলেছেন, রেডিটের ওই মডারেটর দেখেন, আনন্দ কেবল লেহাই বিশ্ববিদ্যালয়কে অনুসরণ করছিল। তাই তিনি লেহাই বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে এই বিষয়টি শেয়ার করেন।

 লেহাই বিশ্ববিদ্যালয়ের তদন্তের প্রশংসা করে ওয়েইনার্ট বলেন, তথ্য যাচাই অনেক চ্যালেন্জিং ছিল। কিন্তু লেহাই ও তাদের পুলিশ বাহিনী ঘটনার গভীরে গিয়ে তথ্য উদঘাটনের জন্য চমৎকার কাজ করেছে।