NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, বুধবার, এপ্রিল ২৯, ২০২৬ | ১৬ বৈশাখ ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
সচিবালয়ে দর্শনার্থীদের প্রবেশে নতুন নিয়ম ব্রিটেনে বাংলাদেশিদের ২৫ কোটি পাউন্ডের বেশি সম্পদ জব্দ হয়েছে : সারাহ কুক যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল সম্পর্কে ব্রিটিশ রাষ্ট্রদূতের অডিও ফাঁস হোয়াইট হাউসে ব্রিটিশ রাজদম্পতি, চলছে জমকালো আয়োজন ১৫ বছরেই আইপিএলে রেকর্ডের পাহাড় গড়ছেন সূর্যবংশী ‘মিসেস ইন্ডিপেন্ডেন্ট ইন্টারন্যাশনাল’ চ্যাম্পিয়ন হলেন বাংলাদেশের তমা নারীদের স্নাতক ও ডিগ্রি পর্যন্ত শিক্ষা বিনা মূল্যে করা হবে : প্রধানমন্ত্রী ইরানসহ মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর স্বার্থরক্ষায় সম্ভাব্য সব কিছু করব : পুতিন যুদ্ধে অর্থনৈতিক প্রভাব নিয়ে জরুরি বৈঠকে বসবেন যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী বিজিএমইএর গলফ টুর্নামেন্টের পৃষ্ঠপোষকতায় ‘দৌড়’
Logo
logo

মার্কিন স্কলারশিপ পেতে জীবিত বাবার মৃত্যু সনদ, নির্বাসিত ভারতীয়


খবর   প্রকাশিত:  ২৯ জুন, ২০২৪, ০৩:৫৯ এএম

মার্কিন স্কলারশিপ পেতে জীবিত বাবার মৃত্যু সনদ, নির্বাসিত ভারতীয়

যুক্তরাষ্ট্রে আরিয়ান আনন্দ (১৯) নামের এক ভারতীয় শিক্ষার্থীকে গ্রেপ্তার করে নির্বাসিত করা হয়েছে। ফুল স্কলারশিপ পেতে নথি জাল করার বিষয় প্রকাশ্যে আসার পর তার বিরুদ্ধে এ ব্যবস্থা নেওয়া হয়। এনডিটিভির এক প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পেনসিলভানিয়া অঙ্গরাজ্যের লেহাই বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র আনন্দ  ‘মিথ্যার ওপর জীবন ও ক্যারিয়ার’ নামে রেডিটে এক পোস্টে বিষয়টি উল্লেখ করেছিলেন।

যদিও পোস্টটি পরে মুছে দেওয়া হয়েছে। তবে প্লাটফরমটির এক মডারেটর তা প্রকাশ করেন।

 

আনন্দ তার স্বীকারোক্তিতে কিভাবে দশম শ্রেণির বোর্ড পরীক্ষার ফল জাল করেছিলেন জানিয়েছেন। তিনি ফুল স্কলারশিপসহ মার্কিন কলেজে ভর্তি নিশ্চিতের জন্যও জালিয়াতির পথ বেছে নিয়েছিলেন।

এর জন্য তিনি নম্বরপত্র, আবেদনপত্র, এমনকি তার জীবিত বাবার মৃত্যু সনদও ছিল। পরে তিনি কলেজে ভর্তির পর স্বীকার করেন, পড়াশোনার প্রতি আগ্রহ হারিয়ে তিনি প্রচুর পরিমাণে মদ্যপানের দিকে ঝুঁকেছেন। তাই স্কলারশিপ পেতে তিনি এ প্রতারণার আশ্রয় নিয়েছেন।

 

৬এবিসির বরাত দিয়ে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আনন্দকে দুই মাস আগে গ্রেপ্তার করা হয়।

এরপর জালিয়াতি ও সেবা চুরির অপরাধে তাকে ২০ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়। তবে পরবর্তীতে বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মকর্তাদের অনুরোধে তাকে বহিষ্কার করে ভারতে পাঠানো হয়।

 

লেহাই বিশ্ববিদ্যালয় এক বিবৃতিতে এ ঘটনার পুঙ্খানুপুঙ্খ তদন্তের প্রশংসা করেছে।

৬এবিসি অনুসারে, নর্থহ্যাম্পটন কাউন্টির সহকারী জেলা অ্যাটর্নি মাইকেল ওয়েইনার্ট বলেছেন, রেডিটের ওই মডারেটর দেখেন, আনন্দ কেবল লেহাই বিশ্ববিদ্যালয়কে অনুসরণ করছিল। তাই তিনি লেহাই বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে এই বিষয়টি শেয়ার করেন।

 লেহাই বিশ্ববিদ্যালয়ের তদন্তের প্রশংসা করে ওয়েইনার্ট বলেন, তথ্য যাচাই অনেক চ্যালেন্জিং ছিল। কিন্তু লেহাই ও তাদের পুলিশ বাহিনী ঘটনার গভীরে গিয়ে তথ্য উদঘাটনের জন্য চমৎকার কাজ করেছে।