NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, শনিবার, জুন ২০, ২০২৬ | ৫ আষাঢ় ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
জুয়া-মাদক-প্রশ্নফাঁস ঠেকাতে কঠোর আইন, বগুড়ায় পূর্ণাঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয় চুক্তি মানতে ব্যর্থ হলে ফের হামলার হুঁশিয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের অস্ট্রেলিয়ায় বিপুল পরিমাণ মাদকসহ ব্রিটিশ অভিনেত্রী গ্রেপ্তার জি-৭ সম্মেলনে মেলোনির ঠোঁটে চুম্বনের চেষ্টা জেলেনস্কির, ভিডিও ভাইরাল বিশ্বকাপে ছেলের খেলা দেখতে যুক্তরাষ্ট্রে উড়াল দিলেন ভোজিনহার মা মানবিক সহায়তা জোরদার ও নারী নেতৃত্ব বৃদ্ধির আহ্বান বাংলাদেশের পরীর বাসায় টানা ১ মাস রাত যাপন সাকলায়েনের! শুক্রবারের মধ্যেই শান্তিচুক্তির পূর্ণাঙ্গ খসড়া প্রকাশ হবে : জেডি ভ্যান্স ইরান-যুক্তরাষ্ট্র চুক্তিতে ট্রাম্পের স্বাক্ষরের ভিডিও প্রকাশ করলেন ম্যাক্রোঁ মেসিকে ছাড়িয়ে বিশ্বকাপে অনন্য রেকর্ড গড়লেন হ্যারি কেইন
Logo
logo

মেক্সিকো সীমান্তে বিধিনিষেধ আরোপ বাইডেনের


খবর   প্রকাশিত:  ০৬ জুন, ২০২৪, ০৮:৩০ এএম

মেক্সিকো সীমান্তে বিধিনিষেধ আরোপ বাইডেনের

নির্বাচনের আগে মেক্সিকো সীমান্ত নিয়ে কঠোর অবস্থান নিলো বাইডেন প্রশাসন। এর ফলে অবৈধভাবে অভিবাসনপ্রত্যাশীরা এই সীমান্ত দিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করতে পারবে না।

প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন এ সম্পর্কিত একটি আদেশে সই করেছেন। এতে অবৈধভাবে মেক্সিকো সীমান্ত দিয়ে প্রবেশের ক্ষেত্রে বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে।

 

আদেশে বলা হয়েছে, কেউ অনুপ্রবেশ করলে সঙ্গে সঙ্গে তাকে ডিপোর্ট করার অর্থাৎ, মেক্সিকোয় ফিরিয়ে দেওয়ার ব্য়বস্থা করতে হবে। যুক্তরাষ্ট্রে তাকে কোনো রকম ইমিউনিটি বা সুযোগ দেওয়া হবে না।

তবে অভিভাবকহীন শিশুরা অবশ্য়ই এই আইনের অন্তর্গত নয়। অর্থাৎ, তাদের জন্য় এই নিয়ম প্রযোজ্য় নয়। তবে পরিকল্পনা করে নিয়ম মেনে কেউ শরণার্থী হওয়ার আবেদন করতেই পারেন। কিন্তু অবৈধভাবে অনুপ্রবেশ করা যাবে না।

 

আদেশে সই করে হোয়াইট হাউজে বাইডেন বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের সীমান্ত সুরক্ষিত করতে আজ যে সিদ্ধান্ত নিলাম, রিপাবলিকানরা তা এখন পর্যন্ত নিতে পারেনি। যুক্তরাষ্ট্রকে সুরক্ষিত রাখা আমাদের কর্তব্য়।

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে মেক্সিকোর এক হাজার ৯০০ মাইলের সীমান্ত। বাইডেনের আমলে এই সীমান্ত দিয়ে রেকর্ড সংখ্য়ায় অনুপ্রবেশ ঘটেছে। ডিসেম্বরে দৈনিক অনুপ্রবেশের সংখ্য়া ছিল দশ হাজার। গত কয়েকমাসে সেই সংখ্যা কমলেও অনুপ্রবেশ বন্ধ হয়নি।

 

সম্প্রতি জনমত জরিপে দেখা গেছে, নির্বাচনে এই অবৈধ অনুপ্রবেশ বাইডেনের বিপক্ষে জনমত তৈরি করছে। তারপরেই এই কঠোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হলো বলে রাজনৈতিক মহল মনে করছে।