NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, বৃহস্পতিবার, জুলাই ২৩, ২০২৬ | ৮ শ্রাবণ ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
আবাসন শিল্প জাতীয় অর্থনীতির অন্যতম চালিকাশক্তি : প্রধানমন্ত্রী যুক্তরাষ্ট্রের কাছে ১০ বিলিয়ন ডলারের সহায়তা চাইল পাকিস্তান শিশুদের সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহার নিষিদ্ধে ফ্রান্সে আইন পাস নেতানিয়াহুকে গ্রেপ্তারের আইনি ক্ষমতা নিউইয়র্ক সিটির নেই : মামদানি আটকের সময় রাহুল গান্ধীকে পুলিশ সদস্যের বার্তা—‘মোদিকে হটাও’ শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভে গিয়ে আটক, পরে মুক্ত ‘ধুরন্ধর’ অভিনেত্রী আয়েশা খান আমরা একসঙ্গে ছিলাম, আছি, থাকব : প্রধানমন্ত্রী কানাডার পণ্যে ৫০% শুল্ক ঘোষণা ট্রাম্পের জীবনযাত্রার ব্যয় নির্বাহে সহায়তার প্রতিশ্রুতি—প্রধানমন্ত্রী হিসেবে প্রথম ভাষণে অ্যান্ডি বার্নহ্যাম আর্জেন্টিনাকে পেছনে ফেলে এবার র‌্যাংকিংয়েও শীর্ষে স্পেন
Logo
logo

বৈঠকে বসছেন ভারত-পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী!


খবর   প্রকাশিত:  ১১ জানুয়ারী, ২০২৪, ০৬:৪৮ এএম

>
বৈঠকে বসছেন ভারত-পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী!

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ আগামী মাসে উজবেকিস্তানে একটি বৈঠক করতে পারেন বলে জানা গেছে। উজবেকিস্তানের সমরখন্দে ১৫-১৬ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে সাংহাই সহযোগিতা সংস্থার (এসসিও) বার্ষিক সম্মেলন। সেখানেই দুই প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক হতে পারে।

এসসিও মহাসচিব ঝাং মিং শুক্রবার তিন দিনের শফরে পাকিস্তান যাচ্ছেন। সেখানে অংশ নেওয়ার জন্য পাক প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরীফকে আমন্ত্রণ জানাবেন মিং।

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিও এ সম্মেলনে যোগ দেবেন। ফলে পাকিস্তান ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী মুখোমুখি হওয়ার সুযোগ পাবেন। গত ছয় বছরের মধ্যে প্রথমবার দুই প্রধানমন্ত্রী এক জায়গায় উপস্থিত থাকবেন। 

 কূটনৈতিক সূত্রের বরাতে ভারতীয় গণমাধ্যম জানায়, শেহবাজ ও মোদির মধ্যে একটি বৈঠকের সম্ভাবনা উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। কারণ দুজনেই দুই দিনের জন্য একই জায়গায় থাকবেন। ভারত এখনো অনুরোধ না করায় বৈঠকের কোনো কাঠামো তৈরি হয়নি। যদি এমন অনুরোধ করা হয়, সেক্ষেত্রে পাকিস্তানের প্রতিক্রিয়া ইতিবাচক হবে।

চীন, পাকিস্তান, রাশিয়া, ভারত, তাজিকিস্তান, উজবেকিস্তান, কিরগিজস্তান ও কাজাখস্তান এই গ্রুপের পূর্ণ সদস্য। গ্রুপের নতুন চেয়ার ইতোমধ্যেই তার অগ্রাধিকার এবং কাজের রূপরেখা তৈরি করেছে। এর মধ্যে রয়েছে সংগঠনের সুযোগ ও কর্তৃত্ব বৃদ্ধি করা। একই সঙ্গে এই অঞ্চলের শান্তি ও স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করা, দারিদ্র্য হ্রাস ও খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতের চেষ্টা করা।

এ অঞ্চলে বাণিজ্য বাড়ানোর জন্য একটি পরিকল্পনা তৈরির প্রচেষ্টা এই বৈঠকে থাকবে। বাণিজ্যে বাধা দূর করার ব্যবস্থাসহ প্রযুক্তিগত বিধি ও শুল্ক পদ্ধতি ডিজিটালাইজ করার ব্যবস্থার বিষয় আলোচনা করা হবে।