NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, বৃহস্পতিবার, সেপ্টেম্বর ১০, ২০২৬ | ২৬ ভাদ্র ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
পরিচ্ছন্ন ও সবুজ বাংলাদেশ গড়তে শিক্ষার্থীদের সহযোগিতা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী ডব্লিউএইচওর পদ ছাড়লেন সায়মা ওয়াজেদ প্রথম ভাঁজ করা আইফোন উন্মোচনে অ্যাপলকে স্যামসাংয়ের খোঁচা শৈশব থেকে হৃদরোগের সঙ্গে লড়াই, না ফেরার দেশে মিস অস্ট্রিয়া জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতি হিসেবে শপথ নিলেন খলিলুর রহমান গণতন্ত্রের মূল শক্তি হচ্ছে গণমাধ্যম : রাষ্ট্রপতি ইসরায়েলি বসতিতে যুক্তরাজ্যের নিষেধাজ্ঞা, কী বলছে যুক্তরাষ্ট্র? কানাডার মদসহ বিভিন্ন পণ্যে ট্রাম্পের নতুন নিষেধাজ্ঞা প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে মন্ত্রিসভার বৈঠক হাসিনা-রেহানাসহ ৩ জনের বিরুদ্ধে প্রতিবেদন ২৯ অক্টোবর
Logo
logo

ফের হাসপাতালে ভর্তি খালেদা জিয়া


খবর   প্রকাশিত:  ০২ মে, ২০২৪, ১২:২২ পিএম

ফের হাসপাতালে ভর্তি খালেদা জিয়া

বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে রাতে এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এক মাসের ব্যবধানে তাকে আবারও হাসপাতালে ভর্তি করা হলো।

তার ব্যক্তিগত চিকিৎসক অধ্যাপক এজেডএম জাহিদ হোসেন রাত সাড়ে ৯টায় গণমাধ্যমকে  বলেন, ‘কিছু জরুরি পরীক্ষার জন্য ম্যাডামকে হাসপাতালে আনা হয়েছে। মেডিক্যাল বোর্ডের পরামর্শক্রমে উনাকে ক্রিটিক্যাল কেয়ার ইউনিটে (সিসিইউ) ভর্তি করা হয়েছে।

 

‘এখন উনার কিছু জরুরি পরীক্ষা-নিরীক্ষা চলছে। রাতেই মেডিক্যাল বোর্ড বসে চিকিৎসার পরবর্তী বিষয়গুলো ঠিক করবেন।’

গুলশানের বাসা ‘ফিরোজা’ থেকে সন্ধ্যা ৭টার দিকে এভারকেয়ার হাসপাতালে আসেন বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া।

সর্বশেষ গত ৩০ মার্চ স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য এভারকেয়ার হাসপাতালে আসেন।

চিকিৎসকরা তাকে সিসিইউতে রেখে দুই দিন চিকিৎসা দেন। এরপর তাকে বাসায় চিকিৎসকদের নিবিড় পর্যবেক্ষণে হাসপাতালের ছাড়পত্র দেওয়া হয়।

 

সন্ধ্যায় হাসপাতালে নেওয়ার পরই তার বেশ কিছু পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হয়। অধ্যাপক শাহাবুদ্দিন তালুদারের নেতৃত্বে মেডিক্যাল বোর্ড তাকে দেখার পর হাসপাতালে ভর্তি করানোর সিদ্ধান্ত নেন বলে জানা গেছে।

 

৭৯ বছর বয়সী খালেদা জিয়া আর্থরাইটিস, হৃদরোগ, ফুসফুস, লিভার, কিডনি, ডায়াবেটিসসহ বিভিন্ন জটিল রোগে ভুগছেন।

দুর্নীতির মামলায় দণ্ডিত সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়াকে নিজের বাসায় থেকে চিকিৎসা নেওয়া এবং দেশের বাইরে না যাওয়ার শর্তে ২০২০ সালের মার্চে সরকারের নির্বাহী আদেশে সাময়িক মুক্তি দেওয়া হয়। তাঁর সেই সাময়িক মুক্তির মেয়াদ প্রতি ছয় মাস পর পর বাড়ানো হলেও তাঁকে চিকিৎসার জন্য বিদেশে নেওয়ার অনুমতি দেয়নি সরকার।