NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, শুক্রবার, মে ৮, ২০২৬ | ২৪ বৈশাখ ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
ভুল তথ্য ছড়িয়ে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি মতপ্রকাশের স্বাধীনতা নয় : ডেপুটি স্পিকার বৃষ্টিস্নাত সন্ধ্যায় স্ত্রীকে নিয়ে গাড়ি চালালেন প্রধানমন্ত্রী যুদ্ধ বন্ধে চূড়ান্ত সমঝোতা স্মারকে কী রয়েছে গাড়ি থামিয়ে শুভেন্দুর ব্যক্তিগত সহকারীকে গুলি করে হত্যা ‘আমার জীবনে বটগাছ হয়ে থেকো’, ওমর সানীর জন্মদিনে মৌসুমী ট্রাম্পের ‘প্রজেক্ট ফ্রিডম’ স্থগিত, শান্তি চুক্তির নতুন আশাবাদ যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে হওয়া চুক্তি বাতিলের পথে না গিয়ে এগোতে চায় সরকার: অর্থ উপদেষ্টা অন্য দেশের সঙ্গে মিলিয়ে দেখেন : মার্কিন বাণিজ্যচুক্তি নিয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ফ্যাসিস্ট আমলে দখল হওয়া খাস জমি উদ্ধার করা হবে : ভূমিমন্ত্রী যুদ্ধবিরতি নয়, খড়কুটো আঁকড়ে ধরার চেষ্টা যুক্তরাষ্ট্রের
Logo
logo

জাতীয় কবির গেজেট কেন নয়, জানতে চান হাইকোর্ট


খবর   প্রকাশিত:  ২২ জানুয়ারী, ২০২৫, ০৬:৩৬ এএম

জাতীয় কবির গেজেট কেন নয়, জানতে চান হাইকোর্ট

ঢাকা: কবি কাজী নজরুল ইসলামকে ‌‘জাতীয় কবি’ হিসাবে ঘোষণা করে কেন গেজেট প্রকাশের নির্দেশনা দেয়া হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট। সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের সচিব, বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক এবং নজরুল ইনস্টিটিউটের নির্বাহী পরিচালককে এ রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।

এ-সংক্রান্ত রিটের প্রাথমিক শুনানি নিয়ে বুধবার (২০ জুলাই) বিচারপতি ফারাহ মাহবুব এবং বিচারপতি আহমেদ সোহেলের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রুল জারি করেন। আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী মো. আসাদ উদ্দিন।

এর আগে, ২২ জুন বাংলাদেশের জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামকে ‌‌‘জাতীয় কবি’ হিসাবে ঘোষণা করে গেজেট প্রকাশের নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট দায়ের করা হয়। সুপ্রিম কোর্টের ১০ আইনজীবীর পক্ষে আইনজীবী মো. আসাদ উদ্দিন এ রিট দায়ের করেন।

রিট আবেদনকারী অন্য আইনজীবীরা হলেন— মোহাম্মদ মিসবাহ উদ্দিন, মো. জোবায়দুর রহমান, আল রেজা মো. আমির, মো. রেজাউল ইসলাম, কে এম মামুনুর রশিদ, মো. আশরাফুল ইসলাম, শাহীনুর রহমান, মো. রেজাউল করিম ও মো. আলাউদ্দিন।

রিট আবেদনে বলা হয়েছে, বাংলাদেশের দুটি আইনে জাতীয় কবি হিসাবে নজরুলের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। বিভিন্ন সরকারি আয়োজনে তাকে জাতীয় কবি হিসাবে উল্লেখও করা হয়। কিন্তু সবই পরোক্ষ স্বীকৃতি। এমন স্বীকৃতি কালের পরিবর্তনে মুছে যেতে পারে।

রিটে বলা হয়, ‌বাংলাদেশে প্রচলিত অন্যান্য জাতীয় পুরস্কার ও পদক প্রদানে অনিবার্য কিছু আনুষ্ঠানিকতা অনুসরণ করতে হয়। সম্মাননাপত্র, পদক ইত্যাদি প্রদান করা হয়। কিন্তু কাজী নজরুল ইসলামের জাতীয় কবি ঘোষণায় এমন কোনও আনুষ্ঠানিকতার তথ্য বা প্রমাণ নেই।

এতে আরও বলা হয়, ‌কাজী নজরুল ইসলাম আমাদের ইতিহাসের অবিচ্ছেদ্য অংশ। ইতিহাস ও জাতীয় স্বীকৃতি কখনও অলিখিত থাকতে পারে না। অলিখিত ইতিহাস ও তথ্য সময়ের বিবর্তনে বিলীন হয়ে যায়।  এছাড়া, নজরুলকে জাতীয় কবি হিসাবে ঘোষণার দাবিতে কবি পরিবারের পক্ষ হতে বারবার অনুরোধ হয়েছে। নজরুল গবেষক এবং সাহিত্য-সংস্কৃতি সংশ্লিষ্টদের পক্ষ থেকেও অনেক দাবি জানানো হয়েছে। কিন্তু অদ্যাবধি এ বিষয়ে সরকারের পক্ষ থেকে দৃশ্যমান কোনও উদ্যোগ নেয়া হয়নি। তাই দেশের সচেতন নাগরিক এবং উচ্চ আদালতের আইনজীবী হিসাবে রিট আবেদন দায়ের করা হয়েছে বলে আইনজীবীরা জানিয়েছেন।