NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, শুক্রবার, জুন ১৯, ২০২৬ | ৫ আষাঢ় ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
মানবিক সহায়তা জোরদার ও নারী নেতৃত্ব বৃদ্ধির আহ্বান বাংলাদেশের পরীর বাসায় টানা ১ মাস রাত যাপন সাকলায়েনের! শুক্রবারের মধ্যেই শান্তিচুক্তির পূর্ণাঙ্গ খসড়া প্রকাশ হবে : জেডি ভ্যান্স ইরান-যুক্তরাষ্ট্র চুক্তিতে ট্রাম্পের স্বাক্ষরের ভিডিও প্রকাশ করলেন ম্যাক্রোঁ মেসিকে ছাড়িয়ে বিশ্বকাপে অনন্য রেকর্ড গড়লেন হ্যারি কেইন মৌলভীবাজারে যেসব কর্মসূচিতে অংশ নেবেন প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশের সঙ্গে বাণিজ্য সম্প্রসারণে আগ্রহ শ্রীলঙ্কার পারমাণবিক শক্তিধর হতে গেলে ইরানের ‘সর্বনাশ’ হবে : ট্রাম্প ইনস্টাগ্রামে আমরা সবচেয়ে বিখ্যাত জুটি—মোদিকে মেলোনি মার্কিন সহায়তা চাওয়ায় দোষী সাব্যস্ত বলসোনারোর ছেলে
Logo
logo

‘স্টার্টআপ সিড মানি’ পাবেন পাঁচ হাজার নারী উদ্যোক্তা: পলক


খবর   প্রকাশিত:  ০৫ মার্চ, ২০২৪, ০৬:১০ পিএম

‘স্টার্টআপ সিড মানি’ পাবেন পাঁচ হাজার নারী উদ্যোক্তা: পলক

দেশের পাঁচ হাজার নারী উদ্যোক্তাকে জনপ্রতি ৫০ হাজার টাকা অনুদানের ঘোষণা দিয়েছেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক। তিনি বলেছেন, উইমেন অ্যান্ড ই-কমার্সের মাধ্যমে দেশের ৬৪টি জেলা এবং ৫০০টি উপজেলায় দেশের নারী উদ্যোক্তাদের ব্যবসা শুরু করার জন্য স্টার্টআপ সিড মানি হিসেবে এই অর্থবছরে চালু করা হবে। আইসিটি বিভাগের অধীন বিগত দিনে আইডিয়া প্রকল্প থেকে ২ হাজার নারী উদ্যোক্তার প্রত্যেককে ৫০ হাজার টাকা করে অনুদান দেওয়া হয়েছে। 

শনিবার (২ মার্চ) রাজধানীর পূর্বাচলে দেশীয় নারী উদ্যোক্তাদের সংগঠন উইমেন অ্যান্ড ই-কমার্স ট্রাস্ট উই-এর উদ্যোগে আয়োজিত ‘উই কালারফুল ফেস্ট ২০২৪’ এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এ ঘোষণা দেন।

 

প্রতিমন্ত্রী বলেন, নারী উদ্যোক্তাদের ব্যবসার মাধ্যমে ই-কমার্স প্রসারিত হচ্ছে। তাদের দক্ষতা বাড়াতে আইসিটি বিভাগ নারী প্রশিক্ষণ দিচ্ছে। তারা দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছেন। এসব কিছুই সম্ভব হয়েছে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দূরদর্শী নেতৃত্বের কারণে।

 
ইউনিয়ন পর্যন্ত স্বল্পমূল্যে উচ্চ গতির ইন্টারনেট বিস্তৃত করা হয়েছে উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, বর্তমানে দেশে ইন্টারনেট ব্যবহারকারী সংখ্যা ১৩ কোটির বেশি। উচ্চ গতির ইন্টারনেট সুবিধা থাকার ফলে দেশের উদ্যোক্তারা তাদের পণ্য এবং ব্যবসা প্রসার করতে সম্ভব হচ্ছে। সাধারণ মানুষ তাদের সেবাটি যেন সুবিধামতো সময়ে, জায়গায় এবং মাধ্যমে নিতে পারে সেজন্য ২০০০-এরও অধিক সেবাকে ডিজিটাইজড করা হয়েছে। জনগণের দোরগোড়ায় সেবা পৌঁছে দিতে সারা দেশে ৯ হাজারের বেশি ডিজিটাল সেন্টারে ১৮ হাজারের বেশি উদ্যোক্তা কাজ করছেন।
যেখানে প্রায় ৫০ শতাংশই নারী উদ্যোক্তা। এর ফলে একদিকে নারী-পুরুষের বৈষম্য, অপরদিকে ধনী-দরিদ্রের বৈষম্য ও গ্রাম-শহরের বৈষম্য দূর হয়েছে বলেও তিনি জানান।

 

তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী নারীর ক্ষমতায়নের জন্য নারীদের আর্থিক স্বয়ংসম্পূর্ণতা এবং সক্ষমতা তৈরির লক্ষ্যে বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ ও বাস্তবায়ন করেছেন। শী পাওয়ার প্রকল্পের মাধ্যমে ২১টি জেলায় ১০ হাজার ৫০০ জন নারী উদ্যোক্তা তৈরি হয়েছে। বাকী ৪৩টি জেলায় হার পাওয়ার প্রজেক্টের মাধ্যমে আরো ২৫ হাজারের বেশি স্মার্ট নারী উদ্যোক্তা তৈরি করা হবে।

 

অনুষ্ঠানে ঢাকায় যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাসের অর্থনীতি, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক ফরেন সার্ভিস অফিসার জেমস গার্ডিনার, বাংলাদেশ হাইটেক-পার্ক কর্তৃপক্ষের এমডি জিএসএম জাফরউল্লাহ, ই-ক্যাবের সভাপতি শমী কায়সার, উইমেন ও ই-কমার্স ফোরামের প্রতিষ্ঠাতা নাসিমা আক্তার নিশাসহ অনেকে উপস্থিত ছিলেন।