NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, শুক্রবার, সেপ্টেম্বর ১১, ২০২৬ | ২৬ ভাদ্র ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
পরিচ্ছন্ন ও সবুজ বাংলাদেশ গড়তে শিক্ষার্থীদের সহযোগিতা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী ডব্লিউএইচওর পদ ছাড়লেন সায়মা ওয়াজেদ প্রথম ভাঁজ করা আইফোন উন্মোচনে অ্যাপলকে স্যামসাংয়ের খোঁচা শৈশব থেকে হৃদরোগের সঙ্গে লড়াই, না ফেরার দেশে মিস অস্ট্রিয়া জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতি হিসেবে শপথ নিলেন খলিলুর রহমান গণতন্ত্রের মূল শক্তি হচ্ছে গণমাধ্যম : রাষ্ট্রপতি ইসরায়েলি বসতিতে যুক্তরাজ্যের নিষেধাজ্ঞা, কী বলছে যুক্তরাষ্ট্র? কানাডার মদসহ বিভিন্ন পণ্যে ট্রাম্পের নতুন নিষেধাজ্ঞা প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে মন্ত্রিসভার বৈঠক হাসিনা-রেহানাসহ ৩ জনের বিরুদ্ধে প্রতিবেদন ২৯ অক্টোবর
Logo
logo

পিছিয়ে পড়া নারীদের টেনে তোলা নারী নেতাদের দায়িত্ব : প্রধানমন্ত্রী


খবর   প্রকাশিত:  ১৬ ফেব্রুয়ারী, ২০২৪, ১০:৩২ পিএম

পিছিয়ে পড়া নারীদের টেনে তোলা নারী নেতাদের দায়িত্ব : প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, নারী-পুরুষ একসঙ্গে কাজ করলেই দেশ এগিয়ে যাবে। আর সমাজের পিছিয়ে পড়া নারীদের টেনে তোলার দায়িত্ব নারী নেতাদের। 

বুধবার সকাল ১০টা ৪০ মিনিটে প্রধানমন্ত্রী তাঁর সরকারি বাসভবন গণভবনে দ্বাদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশীদের সঙ্গে বৈঠকে বসেছেন। এই বৈঠকে এ কথা বলেন সরকারপ্রধান।

 

 

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আওয়ামী লীগ সরকার নারীদের কর্মসংস্থান ও ক্ষমতায়নে ব্যাপক সুযোগ করে দিয়েছে। এক হাজার ৫৫৩ জন মনোনয়ন প্রত্যাশী সবাই যোগ্য। তার মধ্যে ৪৮ জন বাছাই করা কঠিন কাজ। কাউকে অবহেলা করে নয়, সবাইকে নিয়ে দেশ গড়তে হবে।

 

 

শেখ হাসিনা বলেন, শুধু নিজে কী পেলাম তা নয়, মানুষের প্রতি সহনশীল হতে হবে ও জনগণের সেবা করতে হবে। আগামীতে স্মার্ট সমাজ গড়ে তোলা হবে। দেশের জনগণ কোনো ক্ষেত্রেই আর পিছিয়ে থাকবে না। 

প্রধানমন্ত্রী বলেন, নমিনেশন না পেলেও নেতৃত্ব দেওয়ার আকাঙ্ক্ষা যেন হারিয়ে না যায়।

মানুষের জন্য কাজ করতে হবে। ভবিষ্যতে যেন নারীরা সরাসরি ভোটে অংশ নিতে পারে।

 

শেখ হাসিনা বলেন, বিএনপির সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের বিচার হবেই, এদের ছাড়া যাবে না। 

তিনি বলেন, ভবিষ্যতে সরাসরি ভোটে আরো বেশি নারী নির্বাচন করা হবে। শুভেচ্ছান্তে স্মরণ করেন ৭১ সালে নির্যাতিতা মা বোনদের।

বলেন, বঙ্গবন্ধু  স্বাধীনতা এনেছিলেন বলেই, নারীরা আজ উপার্জনে সাবলম্বী হয়ে উঠেছেন।

 

এ সময় প্রধানমন্ত্রী স্মৃতি কাতর হয়ে উঠেন। ৭৫ পরবর্তী টানা ২১ বছরের দীর্ঘ সংগ্রামী পথ পরিক্রমায় মেজর জিয়া, এরশাদ কীভাবে দেশকে উল্টো রথে তুলেছিলেন, মনে করিয়ে দেন সেসব কথা।

প্রশাসন, জুডিশিয়ারি ও স্বশস্ত্র বাহিনী কিংবা রাষ্ট্রীয় বড় কোনো পদে নারীদের জায়গা ছিল না। কিন্তু আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় এসে সুযোগ করে দেয়। এখন তাদের সাফল্য ঈর্ষণীয়। 

প্রধানমন্ত্রী বলেন, নারীদের অনেক দায়িত্ব, এই নেতৃত্ব দেওয়ার আকাঙ্ক্ষা যেন না ফুরায়। জায়গাটা করে নিতে হবে। ভবিষ্যতে সরাসরি ভোটে আরো বেশি নারী নির্বাচন করা হবে। নিজের যোগ্যতায় এগিয়ে যেতে হবে।

তিনি বলেন, একেবারে শেষের তিন মিনিটে মনোনয়ন ফরম দেখে মনে হচ্ছে নারী জাগরণ ঘটে গেছে। কাউকে পেছনে ফেলে নয়, সবাইকে সঙ্গে নিয়েই এগিয়ে যেতে হবে। এই কঠিন পথে, চক্রান্ত কখনোই পিছু ছাড়েনি, তবু শপথে অটল থেকে দরদ ও আন্তরিকতা নিয়ে জনগণের পাশে থাকতে হবে। 

প্রধানমন্ত্রী আরো বলেন, শুধু সংরক্ষিত আসনে নয়, আগামীতে সংসদ নির্বাচনে নারীদের সংখ্যা বাড়াতে চায় আওয়ামী লীগ। 

১৫ বছরে দেশে নারী জাগরণ হয়েছে বলে জানান প্রধানমন্ত্রী। বলেন, নারীদের কর্মসংস্থান ও ক্ষমতায়নে ব্যাপক সু্যোগ করে দিয়েছে সরকার।