NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, শুক্রবার, এপ্রিল ২৪, ২০২৬ | ১০ বৈশাখ ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
দেশের স্বার্থে বিরোধীদলের সঙ্গে যেকোনো আলোচনায় রাজি বিএনপি : প্রধানমন্ত্রী যুদ্ধবিরতি স্থায়ী সমাধানে তৎপর পাকিস্তান যে ৩ কারণে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা বাধাগ্রস্ত হচ্ছে, জানালেন ইরানের প্রেসিডেন্ট মার্কিন নৌবাহিনীর সচিবের হঠাৎ পদত্যাগ, তৎক্ষণাৎ কার্যকর লন্ডন ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে রাফীর ‘প্রেশার কুকার’ ছাত্রদল-শিবির সংঘর্ষের ঘটনায় একতরফা দোষারোপ না করার অনুরোধ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সীমানা পার করবেন না—লেবাননবাসীকে নতুন হুমকি ইসরায়েলের ইরান যুদ্ধে এবার ভেস্তে যাচ্ছে ট্রাম্প প্রশাসন? না-ফেরার দেশে ফরাসি অভিনেত্রী নাদিয়া ফারেস রিয়াল মাদ্রিদের জয়, এমবাপ্পে-ভিনিসিয়ুসে টিকে রইল লড়াইয়ে
Logo
logo

বাংলাদেশি নাদিয়ার লিভারে বেঁচে গেলো আমেরিকান শিশু ডায়নার জীবন


খবর   প্রকাশিত:  ২৭ জানুয়ারী, ২০২৪, ১২:১৪ এএম

বাংলাদেশি নাদিয়ার লিভারে বেঁচে গেলো আমেরিকান শিশু ডায়নার জীবন

নিজের লিভারের একাংশ দান করে এক আমেরিকান শিশুর জীবন বাঁচালেন বাংলাদেশি বংশোদ্ভুত নিউজার্সি রাজ্যের বাসিন্দা নাদিয়া হোসেন। নাদিয়ার শরীর থেকে অপারেশনের মাধ্যমে লিভারের অংশবিশেষ কেটে তা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে শিশু ডায়নার শরীরে। আর এতেই মৃত্যুর দুয়ার থেকে ফিরেছে শিশু ডায়না। যুক্তরাষ্ট্রের মিসৌরি ষ্টেট এর সেন্ট লুইস হসপিটালে হয়েছে এ জটিল অপারেশন। উল্লেখ্য, বরিশালের ডা. জাকির হোসেন এবং সিলেটের ফারিয়েল সুলতানা, নাদিয়া হোসেনের গর্বিত পিতা-মাতা।

সম্প্রতি লিভারের জটিলতা নিয়েই পৃথিবীর আলো দেখে শিশু ডায়না। জন্মের পরই তাকে নিতে হয় হাসপাতালের নীবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে। ডাক্তাররা জানালেন লিভার প্রতিস্থাপন না করলে ডায়নাকে বাঁচানো যাবে না। চোখে অন্ধকার দেখতে লাগলেন ডায়নার বাবা, মা। কোথায় পাবেন লিভার? একটা সুস্থ, স্বাভাবিক লিভার কে ডোনেট করবে তাদের সন্তানকে?

মমস রাইজিং নামের একটি সংগঠনের মাধ্যমে আবেদন জানালেন স্যোসাল মিডিয়া প্ল্যাটফরমে। সেই আবেদন চোখে পড়ে নিউজার্সি রাজ্যের বাসিন্দা বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত নাদিয়া হোসেনের। তিন সন্তানের জননী নাদিয়া সাথে সাথে সিদ্ধান্ত নিলেন তিনি শিশুটিকে লিভার ডোনেট করবেন। হাসপাতালের সঙ্গে যোগাযোগ করে নিউজার্সি থেকে ফ্লাইট করে ছুটে গেলেন মিসৌরি স্টেট এর সেন্ট লুইস হসপিটালে।

গত ১৯ জানুয়ারি শুক্রবার সেখানে অপারেশনের মাধ্যমে নাদিয়ার শরীর থেকে লিভার এর অংশবিশেষ কেটে তা প্রতিস্থাপন করা হলো শিশু ডায়নার শরীরে।

ধীরে ধীরে সুস্থ হতে থাকলো ডায়না। অপারেশনজনিত ধকল কাটিয়ে স্বাভাবিক হয়ে ওঠেছেন নাদিয়াও। গত ২১ জানুয়ারি রোববার তিনি বাসায় ফিরেছেন। একটি নিষ্পাপ শিশুর জীবন রক্ষায় দুঃসাহসী মানবিকতার দৃষ্টান্ত স্থাপন করায় কমিউনিটির প্রসংশায় ভাসছেন নাদিয়া হোসেন।