NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, শনিবার, জুন ২০, ২০২৬ | ৬ আষাঢ় ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
কবি আল মুজাহিদীর মৃত্যুতে প্রধানমন্ত্রীর শোক ছবি তোলার জন্য মিনতি করিনি—ট্রাম্পকে মেলোনির জবাব লেবাননে যুদ্ধবিরতি শুরু হাইতির জালে ব্রাজিলের গোল উৎসব অর্থাভাবে আটকে ছিল মারাঠি সিনেমা, মুক্তির ব্যবস্থা করে দিলেন শাহরুখ জুয়া-মাদক-প্রশ্নফাঁস ঠেকাতে কঠোর আইন, বগুড়ায় পূর্ণাঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয় চুক্তি মানতে ব্যর্থ হলে ফের হামলার হুঁশিয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের অস্ট্রেলিয়ায় বিপুল পরিমাণ মাদকসহ ব্রিটিশ অভিনেত্রী গ্রেপ্তার জি-৭ সম্মেলনে মেলোনির ঠোঁটে চুম্বনের চেষ্টা জেলেনস্কির, ভিডিও ভাইরাল বিশ্বকাপে ছেলের খেলা দেখতে যুক্তরাষ্ট্রে উড়াল দিলেন ভোজিনহার মা
Logo
logo

নোবেল বিজয়ী মানবাধিকারকর্মীকে অতিরিক্ত কারাদণ্ড দিল ইরান


খবর   প্রকাশিত:  ১৬ জানুয়ারী, ২০২৪, ০৫:৪৪ পিএম

নোবেল বিজয়ী মানবাধিকারকর্মীকে অতিরিক্ত কারাদণ্ড দিল ইরান

ইরানের বিপ্লবী আদালত শান্তিতে নোবেল বিজয়ী নার্গেস মোহাম্মদীকে অতিরিক্ত ১৫ মাসের কারাদণ্ড দিয়েছেন। মোহাম্মদী ইতিমধ্যে ১২ বছর ধরে কারাগারে একাধিক সাজা ভোগ করেছেন। কারাগারে থাকা অবস্থায় তার বিরুদ্ধে ইসলামিক প্রজাতন্ত্রের বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালানোর অভিযোগ ওঠে।

এই রায়ের বিরুদ্ধে তাঁর পরিবার নিন্দা জানিয়ে বলেছে, ২০২১ সালের মার্চ থেকে পঞ্চমবার তিনি দোষী সাব্যস্ত হলেন।

সর্বশেষ বিচারে তিনি আদালতে উপস্থিত ছিলেন না এবং তাঁর অনুপস্থিতিতেই এই রায় ঘোষণা করা হয়।

 

নার্গেস মোহাম্মদী কয়েক দশক ধরে ইরানে মানবাধিকার নিয়ে প্রচারণা চালিয়ে আসছেন। এই কর্মকাণ্ডের জন্য তিনি দুই দশক ধরে কারাগারে ছিলেন। তাঁকে ১৩ বার গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং মোট ৩১ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

অতিরিক্ত মাস কারাগারে থাকার পাশাপাশি, নতুন সাজায় মোহাম্মদীকে তেহরানের বাইরে দুই বছর নির্বাসনে থাকার আদেশ দেন আদালত। ফলে তাঁকে এখন কুখ্যাত এভিন কারাগার থেকে সরিয়ে নেওয়া হবে। যেখানে তিনি বর্তমানে বন্দি রয়েছেন। রায়ে আরো বলা হয়েছে, সাজা কাটানোর পর মোহাম্মদী দুই বছরের জন্য বিদেশ ভ্রমণ করতে পারবেন না।
পাশাপাশি একই সময়কালের জন্য রাজনৈতিক ও সামাজিক গোষ্ঠীর সদস্যপদ এবং মোবাইল ফোন রাখা তাঁর নিষিদ্ধ। 

 

৫১ বছর বয়সী এই মানবাধিকারকর্মী অসংখ্য হুমকি এবং গ্রেপ্তার সত্ত্বেও তাঁর কাজ চালিয়ে গেছেন। ইরানে নারী নির্যাতনের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের জন্য তিনি ২০২৩ সালের নোবেল শান্তি পুরস্কার জিতেছেন। তাঁর সন্তানরা অক্টোবরে অসলোর সিটি হলে তাঁর হয়ে পুরস্কারটি গ্রহণ করেছিল। তারা অনেক বছর ধরে তাদের মাকে দেখেনি।

ওই সময় সন্তানরা নার্গেস মোহাম্মদীর একটি বক্তৃতা পড়ে শোনায়। যেটি  কারাগার থেকে পাচার করা হয়েছিল। সেখানে মোহাম্মদী ইরানের অত্যাচারী সরকারের নিন্দা করেছিলেন। তিনি বলেন, ‘আমি একটি কারাগারের উঁচু, ঠাণ্ডা দেয়ালের আড়াল থেকে এই বার্তাটি লিখছি। ইরানের জনগণ অধ্যবসায়ের সঙ্গে দমন-পীড়ন ও কর্তৃত্ববাদকে জয় করবে।’ তিনি হিজাব না পরার অভিযোগে পুলিশ হেফাজতে মাশা আমিনির মৃত্যুর পর গত বছর শুরু হওয়া বিক্ষোভের কথা উল্লেখ করে বলেন, ‘তরুণ ইরানিরা রাস্তা ও পাবলিক স্পেসকে ব্যাপক নাগরিক প্রতিরোধের জায়গায় রূপান্তরিত করেছে।’