NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, বুধবার, এপ্রিল ২৯, ২০২৬ | ১৬ বৈশাখ ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
সচিবালয়ে দর্শনার্থীদের প্রবেশে নতুন নিয়ম ব্রিটেনে বাংলাদেশিদের ২৫ কোটি পাউন্ডের বেশি সম্পদ জব্দ হয়েছে : সারাহ কুক যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল সম্পর্কে ব্রিটিশ রাষ্ট্রদূতের অডিও ফাঁস হোয়াইট হাউসে ব্রিটিশ রাজদম্পতি, চলছে জমকালো আয়োজন ১৫ বছরেই আইপিএলে রেকর্ডের পাহাড় গড়ছেন সূর্যবংশী ‘মিসেস ইন্ডিপেন্ডেন্ট ইন্টারন্যাশনাল’ চ্যাম্পিয়ন হলেন বাংলাদেশের তমা নারীদের স্নাতক ও ডিগ্রি পর্যন্ত শিক্ষা বিনা মূল্যে করা হবে : প্রধানমন্ত্রী ইরানসহ মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর স্বার্থরক্ষায় সম্ভাব্য সব কিছু করব : পুতিন যুদ্ধে অর্থনৈতিক প্রভাব নিয়ে জরুরি বৈঠকে বসবেন যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী বিজিএমইএর গলফ টুর্নামেন্টের পৃষ্ঠপোষকতায় ‘দৌড়’
Logo
logo

পোপ ফ্রান্সিসের বড়দিনের বার্তায় গাজা যুদ্ধ শেষ করার আহ্বান


খবর   প্রকাশিত:  ১২ জানুয়ারী, ২০২৪, ১২:১৫ পিএম

পোপ ফ্রান্সিসের বড়দিনের বার্তায় গাজা যুদ্ধ শেষ করার আহ্বান

গাজায় যুদ্ধ বন্ধ করার এবং হামাসের হাতে বন্দি ইসরায়েলি জিম্মিদের মুক্তির আহ্বান জানিয়েছেন পোপ ফ্রান্সিস। তাঁর ঐতিহ্যবাহী বড়দিনের বার্তায় গাজার ‘মরিয়া মানবিক পরিস্থিতি’ সমাধানের জন্য আরো সাহায্যের আহ্বান জানিয়েছেন।

হামাসের যোদ্ধারা ৭ অক্টোবর ইসরায়েলে নজিরবিহীন এক হামলা চালালে যুদ্ধ শুরু হয়। সেই হামলায় প্রায় এক হাজার ২০০ জন নিহত এবং প্রায় ২৪০ জন জিম্মি হয়েছিল।

 
অন্যদিকে হামাস বলছে, যুদ্ধে ২০ হাজারেরও বেশি ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছে।

 

ভ্যাটিকানের সেন্ট পিটার্স ব্যাসিলিকায় জড়ো হওয়া হাজার হাজার উপাসকের উদ্দেশে পোপ ফ্রান্সিস ইসরায়েলি ও ফিলিস্তিনিদের বিরুদ্ধে সহিংসতার জন্য দুঃখ প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, ‘৭ অক্টোবরের জঘন্য হামলার শিকারদের দুঃখ আমি আমার হৃদয়ে বহন করছি এবং যারা এখনো জিম্মি রয়েছে তাদের মুক্তির জন্য আমি আমার জরুরি আবেদন পুনর্ব্যক্ত করছি।’

পাশাপাশি ইসরায়েলের সামরিক অভিযানের সমাপ্তির জন্য অনুরোধ এবং মানবিক সাহায্যের ব্যবস্থা করার মাধ্যমে মরিয়া মানবিক পরিস্থিতির সমাধানের জন্যও আহ্বান জানান পোপ।

 

 

ইসরায়েল বলেছে, গাজায় এখনো ১৩২ জনকে জিম্মি করে রাখা হয়েছে।

এ ছাড়া ‘ইউক্রেনের জন্যও শান্তির’ আহ্বান জানিয়েছেন পোপ। সেখানে রাশিয়ার সঙ্গে প্রায় দুই বছর ধরে যুদ্ধ চলছে।

তিনি আরো বলেছেন, তিনি প্রার্থনা করেছেন, যেন সিরিয়া, লেবানন ও ইয়েমেনে ‘শিগগিরই রাজনৈতিক ও সামাজিক স্থিতিশীলতা অর্জিত হয়’, যে দেশগুলো বছরের পর বছর যুদ্ধ ও অস্থিরতায় কাঁপছে।

 

 

পোপ ফ্রান্সিস আর্মেনিয়া ও আজারবাইজান, আফ্রিকার কিছু অংশ এবং উত্তর ও দক্ষিণ কোরিয়াসহ অন্যান্য সমস্যার শান্তিপূর্ণ সমাধানের জন্য তাঁর ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন। তিনি বিশ্বজুড়ে লাখ লাখ অভিবাসীর জন্যও কথা বলেছেন।

সূত্র : বিবিসি