NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, রবিবার, সেপ্টেম্বর ৬, ২০২৬ | ২২ ভাদ্র ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
কিছু রাজনৈতিক দল ও ব্যক্তি অরাজকতা সৃষ্টির পাঁয়তারা করছে: প্রধানমন্ত্রী ট্রাম্প-মেলানিয়ার সংসারে ‘পরকীয়ার’ গুঞ্জন আরো তীব্র হলো কী বার্তা নিয়ে মস্কো গেলেন ট্রাম্পের দূতরা ‘আমার খেলার মানের কাছাকাছিও নেই’—এনজোকে নিয়ে ব্রুইনার কড়া মন্তব্য ভেনিসে প্রশংসিত প্যাটিনসনের ‘প্রাইমটাইম’ ইরানের সঙ্গে সংঘাতকে ‘ছোটখাটো ব্যাপার’ বললেন ট্রাম্প, নিহত ১৮ মার্কিন সেনা বি১ বি২ ভিসাধারীদের সতর্ক করল মার্কিন দূতাবাস, সাংবাদিকদের জন্যও গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা ইরানের ‘পিকঅ্যাক্স মাউন্টেন’-এ শিগগিরই হামলার হুমকি ট্রাম্পের ইরানের আর্থিক নেটওয়ার্কে বড় আঘাত, তুরস্কের গোল্ডেন গ্লোবাল ব্যাংকে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা ৮১তম জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের নেতৃত্বে বাংলাদেশ
Logo
logo

কম্বোডিয়ার প্রধানমন্ত্রীকে বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণ


খবর   প্রকাশিত:  ০২ ডিসেম্বর, ২০২৩, ০৩:০৮ পিএম

>
কম্বোডিয়ার প্রধানমন্ত্রীকে বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণ

কূটনৈতিক সম্পর্কের ৩০ বছর পূর্তি উপলক্ষে আগামী বছর কম্বোডিয়ার প্রধানমন্ত্রী হুন সেনকে বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণ জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন।

শুক্রবার (১৫ জুলাই) কম্বোডিয়া সফরকালে দেশটির প্রধানমন্ত্রী হুন সেনের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন ড. মো‌মেন। এসময় তিনি কম্বোডিয়ার প্রধানমন্ত্রীকে ঢাকা সফরের আমন্ত্রণ জানান।

সৌজন্য সাক্ষাতে তারা বাংলাদেশ ও কম্বোডিয়ার মধ্যে বিদ্যমান দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কে সন্তোষ প্রকাশ করেন এবং আগামী দিনে তা আরও জোরদার করার সংকল্প ব্যক্ত করেন। কম্বোডিয়ার প্রধানমন্ত্রী চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে নিজস্ব অর্থায়নে পদ্মা সেতু চালু করায় বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং জনগণকে অভিনন্দন জানান। কম্বোডিয়ার মতো উন্নয়নশীল দেশের জন্য এ ধরনের সেতু গর্বের প্রতীক বলে অভিহিত করেন তিনি।

ড. মোমেন বাংলাদেশে সাময়িক আশ্রয়ে থাকা রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসন শুরুতে আসিয়ানের বর্তমান চেয়ার হিসেবে কম্বোডিয়ার প্রধানমন্ত্রীর সমর্থন চান। পাশাপাশি তিনি সেক্টরাল ডায়ালগ পার্টনারশিপের জন্য বাংলাদেশের প্রার্থিতার পক্ষেও কম্বোডিয়ার সমর্থন চান।

শেখ হাসিনাকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান কম্বোডিয়ার প্রধানমন্ত্রী। তিনি জানান, বঙ্গবন্ধু কন্যাকে তিনি বড় বোনের মতো দেখেন।

মোমেন-সেন করোনাভাইরাস মহামারির কারণে উদ্ভূত চ্যালেঞ্জ এবং ইউক্রেন ও রাশিয়ার মধ্যে চলমান পরিস্থিতি নিয়ে আলাপ করেন। উভয়পক্ষ যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে খাদ্য ও জ্বালানির নিরাপত্তাহীনতার বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন, বিশেষ করে উন্নয়নশীল দেশগুলো যে সংকটে পড়েছে। তারা বিশ্বে শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখার জন্য সংলাপ এবং সমস্যার শান্তিপূর্ণ সমাধানের গুরুত্বের ওপর জোর দেন।