NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, বৃহস্পতিবার, এপ্রিল ২৩, ২০২৬ | ১০ বৈশাখ ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
দেশের স্বার্থে বিরোধীদলের সঙ্গে যেকোনো আলোচনায় রাজি বিএনপি : প্রধানমন্ত্রী যুদ্ধবিরতি স্থায়ী সমাধানে তৎপর পাকিস্তান যে ৩ কারণে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা বাধাগ্রস্ত হচ্ছে, জানালেন ইরানের প্রেসিডেন্ট মার্কিন নৌবাহিনীর সচিবের হঠাৎ পদত্যাগ, তৎক্ষণাৎ কার্যকর লন্ডন ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে রাফীর ‘প্রেশার কুকার’ ছাত্রদল-শিবির সংঘর্ষের ঘটনায় একতরফা দোষারোপ না করার অনুরোধ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সীমানা পার করবেন না—লেবাননবাসীকে নতুন হুমকি ইসরায়েলের ইরান যুদ্ধে এবার ভেস্তে যাচ্ছে ট্রাম্প প্রশাসন? না-ফেরার দেশে ফরাসি অভিনেত্রী নাদিয়া ফারেস রিয়াল মাদ্রিদের জয়, এমবাপ্পে-ভিনিসিয়ুসে টিকে রইল লড়াইয়ে
Logo
logo

মামলায় জিতে লন্ডনের ব্যয়বহুল প্রাসাদ পেলেন বাদশাহর স্ত্রী


খবর   প্রকাশিত:  ২১ এপ্রিল, ২০২৫, ০৭:১৬ এএম

মামলায় জিতে লন্ডনের ব্যয়বহুল প্রাসাদ পেলেন বাদশাহর স্ত্রী

সৌদি আরবের প্রয়াত বাদশাহ ফাহাদ বিন আবদুল আজিজ আল-সৌদের এক বিধবা স্ত্রী, সৌদি রাজপরিবারের একজন সদস্য, আইনি লড়াইয়ে লন্ডনে ‘বিলিওনিয়ার’স রো’ নামে পরিচিত একটি প্রাসাদের মালিকানা পেয়েছেন। এই রায় সৌদি রাজপরিবারের উত্তরাধিকার বিরোধের এক বিরল দৃষ্টান্ত। মার্কিন সংবাদমাধ্যম ব্লুমবার্গ এক প্রতিবেদনে এ খবর জানিয়েছে।

 

মামলার এজহারে জানা গেছে, ১৯৭৪ সালে প্রয়াত বাদশাহ ফাহাদ প্রতিষ্ঠিত লিচেনস্টাইন-ভিত্তিক অ্যাস্টুরিয়ন ফাউন্ডেশন উত্তর লন্ডনের বিশপস অ্যাভিনিউয়ে কেনস্টেড হলের মালিকানা দাবি করে। তবে যুক্তরাজ্যের একজন বিচারক অ্যাস্টুরিয়ন ফাউন্ডেশনের আনা মালিকানার দাবি প্রত্যাখ্যান করেন। কেনস্টেড হলের মূল্য প্রায় ১ কোটি পাউন্ডের অধিক। এভিনিউটি লন্ডনের অন্যতম ব্যয়বহুল রাস্তা।

মামলাটি সৌদি রাজপরিবারের মধ্যে একটি উত্তরাধিকার বিরোধের এক বিরল দৃষ্টান্ত। কারণ সাধারণত সম্পদের বিষয়াবলি সৌদি রাজপরিবারের মধ্যেই সীমাবদ্ধ ও গোপন থাকে। সৌদি রাজ পরিবারের ফ্রান্স, জার্মানি এবং স্পেনের অন্যান্য সম্পত্তি নিয়ে বড় এক বিরোধের অংশ ছিল লন্ডনের বাড়িটি। এসব সম্পত্তির মালিকানা ২০০৫ সালে বাদশাহ ফাহাদের মৃত্যুর পরপরই হস্তান্তরিত হয়েছিল।

 

বাদশাহ ফাহদের বিধবা স্ত্রী আল জাওরাহ বিনতে ইব্রাহিম আবদুল আজিজ আল ইব্রাহিম বলেন, প্রয়াত বাদশাহর নির্দেশেই বোর্ডের একজন সদস্য এসব সম্পত্তির মালিকানা স্থানান্তর করেন বলে আদালত রায় দিয়েছে। বাদশাহ তাঁর স্ত্রীকে এসব সম্পত্তি স্বেচ্ছায় দিচ্ছেন—সংবলিত একটি হস্তলিখিত নোটও উদ্ধৃত আদালতে উত্থাপন করা হয়।