NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, শুক্রবার, সেপ্টেম্বর ১১, ২০২৬ | ২৬ ভাদ্র ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
পরিচ্ছন্ন ও সবুজ বাংলাদেশ গড়তে শিক্ষার্থীদের সহযোগিতা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী ডব্লিউএইচওর পদ ছাড়লেন সায়মা ওয়াজেদ প্রথম ভাঁজ করা আইফোন উন্মোচনে অ্যাপলকে স্যামসাংয়ের খোঁচা শৈশব থেকে হৃদরোগের সঙ্গে লড়াই, না ফেরার দেশে মিস অস্ট্রিয়া জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতি হিসেবে শপথ নিলেন খলিলুর রহমান গণতন্ত্রের মূল শক্তি হচ্ছে গণমাধ্যম : রাষ্ট্রপতি ইসরায়েলি বসতিতে যুক্তরাজ্যের নিষেধাজ্ঞা, কী বলছে যুক্তরাষ্ট্র? কানাডার মদসহ বিভিন্ন পণ্যে ট্রাম্পের নতুন নিষেধাজ্ঞা প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে মন্ত্রিসভার বৈঠক হাসিনা-রেহানাসহ ৩ জনের বিরুদ্ধে প্রতিবেদন ২৯ অক্টোবর
Logo
logo

সিলেট-১০ নম্বর কূপ : দৈনিক মিলবে ১৫-২০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস


খবর   প্রকাশিত:  ১২ জানুয়ারী, ২০২৪, ০৬:০৯ পিএম

সিলেট-১০ নম্বর কূপ : দৈনিক মিলবে ১৫-২০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস

ঢাকা: সিলেট গ্যাসক্ষেত্রের ১০ নম্বর কূপ থেকে দৈনিক ১৫ থেকে ২০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস উত্তোলন করা যাবে। ছয় মাসের মধ্যে পাইপলাইনের কাজ সম্পন্ন হলে এই গ্যাস জাতীয় গ্রিডে দেওয়া যাবে।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সিলেট গ্যাস ফিল্ডস লিমিটেডের (এসজিএফএল) ব্যবস্থাপনা পরিচালক মিজানুর রহমান। তিনি বলেন, ‘কূপটি খননের কাজ শেষ করে এখন টেস্টিং চলছে।

এর মাধ্যমে দৈনিক ২০ থেকে ২৫ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস প্রবাহ হচ্ছে। টেস্টিং শেষে এই অনুসন্ধান কূপ থেকে দৈনিক ১৫ থেকে ২০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস গ্রিডে দেওয়া সম্ভব হবে। এখন পাইপলাইনের কাজ চলছে। ছয় মাসের মধ্যে পাইপলাইনের কাজ সম্পন্ন হবে।
তখন গ্রিডে দেওয়া সম্ভব হবে।’

 

তিনি আরো বলেন, ‘কূপটিতে প্রায় ৪৫ বিলিয়ন ঘনফুট গ্যাসের মজুদ পাওয়া গেছে। যার বর্তমান সর্বনিম্ন মূল্য তিন হাজার ৭০০ কোটি টাকা।’ তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাসের (এলএনজি) আমদানি মূল্য হিসাবে যার দাম প্রায় ১০ হাজার কোটি টাকা দাঁড়াবে বলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা জানান।

 

এসজিএফএল সূত্রে জানা গেছে, গত জুনে সিলেট-১০ নম্বর কূপে খননকাজ শুরু হয়। ১৪৯ কোটি টাকায় কূপটি খনন করে চীনা কম্পানি সিনোপ্যাক। সিলেট হরিপুর গ্যাসফিল্ডে মোট ৯টি গ্যাস কূপ রয়েছে। এবার ১০ নম্বর কূপ থেকে উত্তোলন শুরু হবে।

এদিকে গত ২২ নভেম্বর সিলেটের কৈলাসটিলায় পরিত্যক্ত ২ নম্বর কূপ থেকে গ্যাস জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ শুরু হয়।

সেখান থেকে দৈনিক সাত মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস যুক্ত হচ্ছে জাতীয় গ্রিডে।

 

জ্বালানি বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, গত বছরের শুরুতে স্থলভাগে গ্যাস উৎপাদন বাড়াতে ২০২৫ সালের মধ্যে ৪৬টি কূপ খননের পরিকল্পনা নিয়েছিল পেট্রোবাংলা। এসব কূপ থেকে ৬১৮ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাসের উৎপাদন বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়। সেই পরিকল্পনার অংশ হিসেবে এই কূপ খননের উদ্যোগ নেওয়া হয়।

সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, ১৯৫৫ সালে সিলেটের হরিপুরে প্রথম গ্যাসের সন্ধান পাওয়া যায়। এরপর আবিষ্কার হতে থাকে একের পর এক গ্যাসক্ষেত্র। বর্তমানে এসজিএফএলের আওতায় পাঁচটি গ্যাসক্ষেত্র রয়েছে। এগুলো হলো—হরিপুর গ্যাসফিল্ড, রশিদপুর গ্যাসফিল্ড, ছাতক গ্যাসফিল্ড, কৈলাসটিলা গ্যাসফিল্ড ও বিয়ানীবাজার গ্যাসফিল্ড।