NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, সোমবার, জুন ১৫, ২০২৬ | ১ আষাঢ় ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করলেন গুম ও খুনের শিকার ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যরা শান্তিচুক্তি ট্রাম্পের ‘আত্মসমর্পণের দলিল’? দুর্দান্ত কামব্যাকে নেদারল্যান্ডসকে রুখে দিল জাপান ভক্তদের ভিড়ে নাজেহাল রাশমিকা, আগলে রাখলেন কৃতি রক্তক্ষয়ী কঙ্গোতে শান্তির পতাকা উত্তোলনে সেনাবাহিনীর বীরত্ব মরক্কোর সঙ্গে ড্র, হতাশায় ‘হেক্সা অভিযান’ শুরু ব্রাজিলের বিশ্বকাপের উদ্বোধনী মঞ্চে এক টুকরো বাংলাদেশ! গানে গানে সৈয়দ আব্দুল হাদীকে শ্রদ্ধা, দেওয়া হলো সংবর্ধনা কক্সবাজারে আজ যেসব কর্মসূচিতে অংশ নেবেন প্রধানমন্ত্রী নিজেকে ‘গুটিয়ে নেওয়ার’ ইঙ্গিত দিচ্ছেন ট্রাম্প?
Logo
logo

কানাডায় প্রবাসীদের বার্ষিক বনভোজন


খবর   প্রকাশিত:  ২৯ নভেম্বর, ২০২৩, ০৮:৫৫ এএম

কানাডায় প্রবাসীদের বার্ষিক বনভোজন

কানাডার কেলগেরী শহরে প্রবাসী বাংলাদেশিদের বার্ষিক বনভোজন অনুষ্ঠিত হয়েছে। শহরের কর্মব্যস্ত জীবনের ফাকে গ্রীষ্মের মনোরম আবহাওয়ায় শিশু, কিশোর, তরুণ-তরুণী আর বয়োবৃদ্ধসহ সর্বস্তরের প্রবাসী বাংলাদেশিদের অংশগ্রহণে এ যেন ছিল এক আবেগঘন আনন্দ আয়োজন।

কানাডার কেলগেরী শহরে এডঅর্থি পার্কের সবুজ বনায়নে দিনব্যাপী আয়োজিত অনুষ্ঠানে শিশু, কিশোর, পুরুষ, নারীরা বিভিন্ন ইভেন্টে অংশগ্রহণ করেন।

বাংলাদেশ কানাডা এসোসিয়েশন অব কেলগেরী (বিসিএওসি) আয়োজিত বার্ষিক বনভোজনে সকালের নাস্তা, মধ্যাহ্নভোজ আর ডিনারের মাধ্যমে দিনব্যাপী আয়োজনে কারো যেন কোন ক্লান্তি ছিল না। এর পাশাপাশি কমিউনিটির মানুষের মধ্যে দলে দলে আড্ডা আর গল্পে মুখরিত হয়ে উঠেছিল সবুজ শ্যামল বনায়নে পরিবেষ্টিত বিশালাকার পিকনিক স্পট।

বিশিষ্ট রবীন্দ্র সংগীতশিল্পী, অন্যতম কমিউনিটি সংগঠক, খাদ্য ব্যবস্থাপনায় নিয়োজিত ড. রিতা কর্মকার বলেন, প্রতি বছর আমি এ দিনটির অপেক্ষায় থাকি। এই মিলনমেলায় আমি বাঙালির সমাজ, সংস্কৃতি আর তার গৌরবোজ্জ্বল ঐতিহ্যকে খুঁজে পাই।

বিসিএওসির সভাপতি কয়েস চৌধুরী বলেন, নতুন প্রজন্মকে আমাদের সংস্কৃতির সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দিতে এটি আমাদের ধারাবাহিক প্রচেষ্টা। বিশাল আয়োজনের এই অনুষ্ঠান সফল করে তোলার জন্য তিনি কমিউনিটির সকল সদস্যদের প্রতি ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানান।

সাধারণ সম্পাদক শুভ্র দাস বলেন, বিসিএওসি আয়োজিত প্রতিটি অনুষ্ঠানে কেলগেরীর বাংলাদেশি কমিউনিটির অব্যাহত সমর্থন ও সহযোগিতা আমাদের হৃদয়ে এক ভিন্ন রকম আনন্দ ভালোবাসার জন্ম দেয়। রাত-দিন কাজ করলেও আমাদের চোখে মুখে ক্লান্তির কোন চাপ নেই।