NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, শুক্রবার, এপ্রিল ২৪, ২০২৬ | ১১ বৈশাখ ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
এমপিদের শুল্কমুক্ত গাড়ি সুবিধা বাতিলের প্রস্তাব অনুমোদন জ্বালানি নিরাপত্তার ইতিহাসে সবচেয়ে বড় হুমকিতে বিশ্ব : আইইএর প্রধান হরমুজে মাইন বসাতে দেখলেই গুলির নির্দেশ ট্রাম্পের নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে রেকর্ড জয়ে সিরিজ বাংলাদেশের চরিত্রের প্রয়োজনে পবিত্র কোরআন শিখেছিলেন ইয়ামি গৌতম দেশের স্বার্থে বিরোধীদলের সঙ্গে যেকোনো আলোচনায় রাজি বিএনপি : প্রধানমন্ত্রী যুদ্ধবিরতি স্থায়ী সমাধানে তৎপর পাকিস্তান যে ৩ কারণে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা বাধাগ্রস্ত হচ্ছে, জানালেন ইরানের প্রেসিডেন্ট মার্কিন নৌবাহিনীর সচিবের হঠাৎ পদত্যাগ, তৎক্ষণাৎ কার্যকর লন্ডন ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে রাফীর ‘প্রেশার কুকার’
Logo
logo

যুক্তরাষ্ট্রে বিশ্ববিদ্যালয়ে কোটা বাতিলের রায় আদালতের


খবর   প্রকাশিত:  ১৪ মার্চ, ২০২৫, ০৮:৩১ পিএম

যুক্তরাষ্ট্রে বিশ্ববিদ্যালয়ে কোটা বাতিলের রায় আদালতের

যুক্তরাষ্ট্রের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে ‘বর্ণ’ কোটা বাতিলের নির্দেশ দিয়েছেন সুপ্রিম কোর্ট। বৃহস্পতিবার (২৯ জুন) আদালত এমন ঐতিহাসিক রায় দেন। এতে বলা হয়েছে, চামড়ার রঙের উপর ভিত্তি করে— কোনো বিশ্ববিদ্যালয় আর তাদের ভর্তি কার্যক্রম চালাতে পারবে না।

পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠী আফ্রিকান-আমেরিকান ও লাতিন-আমেরিকানদের জন্য এ কোটা রাখা ছিল। এটি মার্কিন বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে ‘অ্যাফায়ারমেটিভ অ্যাকশন’ নামে পরিচিত ছিল। কৃষ্ণাঙ্গ এবং লাতিনোরা যেন ভালো বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সুযোগ পান— সেটি নিশ্চিতে গত কয়েক দশক ধরে বিদ্যমান ছিল এই কোটা।

হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয় এবং নর্থ ক্যারোলিনা বিশ্ববিদ্যালয়ে এই কোটা ব্যবহারের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা করে স্টুডেন্টস ফর ফেয়ার এডমিশন নামের একটি শিক্ষার্থী অধিকার সংস্থা। ওই মামলায় দাবি করা হয় কৃষ্ণাঙ্গ ও লাতিনোদোর বিশেষ সুবিধা দেওয়ায়—  শেতাঙ্গ এবং এশিয়ান-আমেরিকানরা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন। তাদের এই মামলার ওপর ভিত্তি করেই এমন নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

তবে আদালতের রায়ের তীব্র বিরোধীতা করেছেন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। তিনি বলেছেন, ‘আমি সবসময় বিশ্বাস করেছি, আমেরিকার প্রতিশ্রুতিই সবার সফলতার জন্য অনেক বড়, এবং আমেরিকানদের প্রত্যেক প্রজন্ম— পিছিয়ে পড়াদের জন্য সুযোগের দরজা খুলে দিয়ে লাভবান হয়েছে।’

তিনি আরও বলেছেন, ‘এ রায়কে শেষ রায় হতে দিতে পারি না। যুক্তরাষ্ট্রে এখনো বৈষম্য বিদ্যমান।’

এদিকে ঐতিহাসিক এ রায় দেন সুপ্রিম কোর্টের ৯ সদস্যের বেঞ্চ। তবে তাদের রায়টি দ্বিধাবিভক্ত ছিল।

আদালতের এ রায়কে স্বাগত জানিয়েছে এশিয়ান-আমেরিকান শিক্ষার্থী অধিকার সংস্থাগুলো।