NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, সোমবার, সেপ্টেম্বর ৭, ২০২৬ | ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
ডেঙ্গু প্রতিরোধে দেশজুড়ে পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম জোরদারের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর পুতিনের সঙ্গে বৈঠকের পর ইউক্রেনে পৌঁছেছেন ট্রাম্পের দূতরা জার্মানির রাজ্য নির্বাচনে রেকর্ড ভোট পেয়েও সরকার গঠন নিয়ে অনিশ্চয়তায় এএফডি গোলকিপার কোমানের জোড়া গোল, ডাচ লিগে ইতিহাস হার্দিক পান্ডিয়ার সঙ্গে প্রেমের গুঞ্জন উড়িয়ে দিলেন আমিশা প্যাটেল কিছু রাজনৈতিক দল ও ব্যক্তি অরাজকতা সৃষ্টির পাঁয়তারা করছে: প্রধানমন্ত্রী ট্রাম্প-মেলানিয়ার সংসারে ‘পরকীয়ার’ গুঞ্জন আরো তীব্র হলো কী বার্তা নিয়ে মস্কো গেলেন ট্রাম্পের দূতরা ‘আমার খেলার মানের কাছাকাছিও নেই’—এনজোকে নিয়ে ব্রুইনার কড়া মন্তব্য ভেনিসে প্রশংসিত প্যাটিনসনের ‘প্রাইমটাইম’
Logo
logo

বিশ্বশান্তি-নিরাপত্তায় বাংলাদেশ নির্ভরযোগ্য নাম : প্রধানমন্ত্রী


খবর   প্রকাশিত:  ০৬ ডিসেম্বর, ২০২৩, ০২:৩৮ পিএম

বিশ্বশান্তি-নিরাপত্তায় বাংলাদেশ নির্ভরযোগ্য নাম : প্রধানমন্ত্রী

ঢাকা: বিশ্বশান্তি ও নিরাপত্তায় বাংলাদেশ দায়িত্বশীল ও নির্ভরযোগ্য নাম। বিশ্বে শান্তি নিশ্চিত করা এখন অতীতের চেয়ে অনেক কঠিন। ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে একটি নিরাপদ ও শান্তিপূর্ণ বিশ্ব উপহার দেব বলে উল্লেখ করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আজ সোমবার (২৯ মে) বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী দিবস উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

 

 

এ সময় শান্তিরক্ষী পাঁচ শহীদ পরিবার ও পাঁচ আহত শান্তিরক্ষীকে সম্মাননা প্রদান করেন প্রধানমন্ত্রী।

শেখ হাসিনা বলেন, “জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের পররাষ্ট্রনীতি ‘সকলের সাথে বন্ধুত্ব, কারো সাথে বৈরিতা নয়’- সেটা আজও অনুসরণ করছে বাংলাদেশ। বাংলাদেশের শান্তিরক্ষীরা দেশে স্থিতিশীলতার কাজের পাশাপাশি সামাজিক দায়িত্বও পালন করেন। সংঘাত নয়, আমরা শান্তিতে বিশ্বাস করি; শান্তিপূর্ণ পরিবেশ অব্যাহত রাখতে যা যা করা দরকার বাংলাদেশ তা করবে।”

 

তিনি আরো বলেন, জাতির পিতা কেবল বাঙালি জাতিরই নন, তিনি ছিলেন বিশ্বের নির্যাতিত, নিপীড়িত ও শোষিত মানুষের মুক্তির বার্তাবাহক ও শান্তির দূত। ১৯৭৪ সালে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে বাংলায় প্রদত্ত তার প্রথম ভাষণে তিনি বলেছিলেন, ‘মানবজাতির অস্তিত্ব রক্ষার জন্য শান্তি একান্ত দরকার। এই শান্তির মধ্যে সারা বিশ্বের নর-নারীর গভীর আশা-আকাঙ্ক্ষা মূর্ত হয়ে রয়েছে। ন্যায়-নীতির ওপর প্রতিষ্ঠিত না হলে শান্তি কখনো স্থায়ী হতে পারে না।’

 

বঙ্গবন্ধুকন্যা বলেন, পারমাণবিক অস্ত্র প্রতিযোগিতা রোধ, সাম্য-মৈত্রী, গণতন্ত্র রক্ষা এবং বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠায় অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ বিশ্বশান্তি পরিষদ বঙ্গবন্ধুকে ১৯৭৩ সালের ২৩ মে ‘জুলিও-কুরি শান্তি পদক’-এ ভূষিত করে। তিনি সেই পদক উৎসর্গ করেছিলেন বাংলাদেশের স্বাধীনতাসংগ্রামে আত্মদানকারী শহীদদের এবং বীর সেনানীদের।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ১৯৭২ সালের ৮ জানুয়ারি পাকিস্তানের কারাগার থেকে মুক্তি পেয়ে লন্ডনে পৌঁছে সাংবাদিকদের প্রশ্নোত্তরে জাতির পিতা বলেছিলেন, ‘সকলের সাথে বন্ধুত্ব, কারো প্রতি বৈরিতা নয়’- এটাই হবে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতির মূল ভিত্তি।

উল্লেখ্য, ২০০০ সাল থেকে বাংলাদেশ পুলিশের নারী পুলিশ কর্মকর্তারা জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করেন। বর্তমানে বাংলাদেশ পুলিশের ১৫৭ জন নারী পুলিশ শান্তিরক্ষী জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে নিয়োজিত রয়েছেন।

ইতিমধ্যে বাংলাদেশ পুলিশের এক হাজার ৭৬৬ জন নারী শান্তিরক্ষী বিভিন্ন শান্তিরক্ষা মিশনে সফলতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেছেন।

 

বাংলাদেশ পুলিশের শান্তিরক্ষীরা নানা প্রতিকূলতার মাঝে প্রচণ্ড মানসিক শক্তি নিয়ে মানুষকে আপন করে নিয়েছেন, তাদের পাশে দাঁড়িয়েছেন। বাংলাদেশ পুলিশ হাইতির ভূমিকম্প বিধ্বস্ত অসহায় মানুষের জন্য কাজ করেছেন, তেমনি আফ্রিকা এমনকি ইউরোপের বিভিন্ন যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশে তৃণমূল পর্যায়ে পুলিশের সেবা প্রদান, পুলিশের প্রতিষ্ঠানিক কাঠামো পুনর্বিন্যাস ও পুনর্গঠন এবং সক্ষমতা বৃদ্ধিতে বাংলাদেশ পুলিশের ভূমিকা আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে সমাদৃত হয়েছে।

বাংলাদেশ পুলিশের শান্তিরক্ষীরা দুর্গম ভৌগোলিক পরিবেশ ও প্রতিকূল পরিস্থিতির মধ্যেও প্রচণ্ড মানসিক শক্তি নিয়ে মানবিকতায় উদ্বুদ্ধ হয়ে তিন দশকেরও বেশি সময় ধরে বিশ্বশান্তি রক্ষায় নিরবচ্ছিন্নভাবে কাজ করে চলেছে।

জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে বাংলাদেশ পুলিশের গৌরবোজ্জ্বল ভূমিকা ও অনন্য অবদান রয়েছে, যা বাংলাদেশের ভাবমূর্তি ও মর্যাদা বাড়িয়েছে। জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে অংশগ্রহণের মাধ্যমে বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠায় বাংলাদেশ পুলিশ অঙ্গীকারবদ্ধ।