বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) কমিটি ভেঙ্গে দিয়ে তামিম ইকবালকে সভাপতি করে ১১ সদস্যের অ্যাডহক কমিটি করেছে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ (এনএসসি)। এতে আমিনুল ইসলাম বুলবুলের চেয়ার তামিম ইকবালের হয়ে যায়। বোর্ডের নিয়মিত কার্যক্রম পরিচালনার পাশাপাশি এই অ্যাডহক কমিটির বড় দায়িত্ব, তিন মাসের মধ্যে নির্বাচন আয়োজন করা। দায়িত্ব গ্রহণের পর মঙ্গলবার সন্ধ্যায় বোর্ডসভা শেষে সংবাদ সম্মেলনে তামিম জানালেন, সেই নির্বাচনে অংশ নেবেন তিনি।
তামিম বলেন, “অবশ্যই আমরা নির্বাচন করব। এখানে আমাকে ব্যক্তিগতভাবে জিজ্ঞেস করতে হবে। আমার ইচ্ছা থাকতে পারে, আমি (নির্বাচন) করতে পারি, উনার (বাঁ পাশের জনকে দেখিয়ে) ইচ্ছে থাকতে পারে, উনার (ডান পাশের জনকে দেখিয়ে) ইচ্ছা নাও থাকতে পারে।
বিসিবির নির্বাচন নিয়ে অনিয়ম তদন্তে স্বাধীন তদন্ত কমিটির রিপোর্টের সুপারিশমালায় গঠনতন্ত্র ব্যাপকভাবে সংশোধনের কথা বলা আছে।
জানা যায়, ২০০৫, ২০০৮ এবং ২০১৩ সালে বিসিবির নির্বাচনে অংশ নিয়েছেন অ্যাডহক কমিটির অধিকাংশ সদস্য। তাঁদের অনেকেই নির্বাচিত হয়েছেন।
উল্লেখ্য, এর আগে ২০২৫ সালের ৬ অক্টোবর বিসিবির নির্বাচনেও অংশ নিতে চেয়েছিলেন তামিম। মনোনয়নপত্রও জমা দিয়েছিলেন। তবে নির্বাচনে সরকারের হস্তক্ষেপসহ নানা অভিযোগ তুলে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ান তিনি। একইরকম অভিযোগে সরে দাঁড়ান সম্ভাব্য প্রার্থীদের অনেকেই। সেই বিসিবি নির্বাচনে জিতেই পরে সভাপতি হয়েছিলেন আমিনুল ইসলাম বুলবুল। দেশে রাজনৈতিক পালাবদলের পর সেই নির্বাচনের অনিয়ম ও কারসাজির অভিযোগ খতিয়ে দেখতে বিশেষ কমিটি করে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ। সেই কমিটির পর্যবেক্ষণের প্রেক্ষিতেই আমিনুলের বোর্ড ভেঙে দিয়ে তামিমকে প্রধান করে ১১ সদস্যের অ্যাডহক কমিটি গঠন করা হয়।


